Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের কদর বেড়েছে

    জানুয়ারি ২২, ২০২৪ ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ডলার সংকট ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের কদর বেড়েছে। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশ এখন ডেনিম পোশাক রফতানির শীর্ষ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ কারণে তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা নতুন নতুন কারখানা স্থাপন করে চলেছেন। এর মধ্যে ২০৬টি সবুজ কারখানা নিয়ে সমগ্র বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

    এই খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই পোশাক খাতের হাত ধরেই অর্থনীতি আজ একটি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে।

    তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল। এই ছয় বছরে দেশে ৬০৩টি নতুন কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী সদস্য পদ পেয়েছে ৫৬৫টি কারখানা; যার অর্ধেকই হয়েছে গত দুই বছরে, অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ সালে।

    ২০২৩ সালে ১৩৪টি নতুন তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপন করেছেন উদ্যোক্তারা। এই বিনিয়োগকারীদের বেশির ভাগই নতুন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বড় ব্যবসায়ীও রয়েছেন, যারা নিজেদের ব্যবসার পরিসর আরও বাড়াতে চান। এ বছরের মধ্যেই এসব কারখানার বেশির ভাগই উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কারণ, বিশ্বের বড় যেসব ক্রেতা চীনের বাজার থেকে সরে এসেছেন, তারা এখন বাংলাদেশের প্রতি ঝুঁকছেন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ভূরাজনৈতিক কারণেও অনেক ক্রেতা বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছেন।

    এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, নানামুখী সমস্যার মধ্যেও পোশাক খাত টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। টিকে থাকতে পোশাকে বৈচিত্র্য আনতে হচ্ছে। নতুন নতুন বাজার খুঁজতে হচ্ছে। সবুজ কারখানার দিকে যেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে যেসব কারখানা আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে, তারা সবাই পোশাকশিল্পে নতুন নয়। বিদ্যমান ইউনিটগুলোর একটি অংশ ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে।

    তিনি বলেন, গত দুই বছরে বেক্সিমকো গ্রুপ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কারখানার সদস্য পদ পেয়েছে। এ ছাড়া শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন, এমন পেশাজীবীরাও উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

    রফতানি বাড়াতে বৈচিত্র্যময় পোশাক তৈরির জন্য সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তির কারখানায় বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রফতানির ভিশন নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২০২২ ও ২০২৩ সালে ২৭৮টি কারখানা বিজিএমইএর স্থায়ী সদস্য হয়েছে এবং ৩১৬টি কারখানা অস্থায়ী সদস্য পদ পেয়েছে।

    জানা গেছে, বর্তমানে বিজিএমইএতে সদস্য কারখানার সংখ্যা ১ হাজার ৬০০-এর কাছাকাছি।

    এখন পর্যন্ত এ খাতের ২০৬টি কারখানা লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (এলইইডি) সার্টিফিকেশন অর্জন করে বিশ্বব্যাপী সবুজ শিল্পের নেতৃত্বে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সবুজ কারখানাগুলোর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠা হয়েছে গত পাঁচ বছরে। এ সময়ে ১২৯টি কারখানা এলইইডি সনদ পেয়েছে।

    এদিকে পোশাক কারখানার সঙ্গে তৈরি পোশাক রফতানিও বাড়ছে। ছয় বছরে তৈরি পোশাক রফতানি প্রায় দেড় গুণ বেড়েছে। অবশ্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সার্বিকভাবে পোশাক রফতানি বেড়েছে ১ দশমিক ৭২ শতাংশ।

    এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, গত ছয় বছরের প্রতিবছরই পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সক্ষমতাও বাড়ছে। এই খাতে মুনাফা আছে বলেই নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে।

    পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের ভাষ্য, করোনার সময় একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় পোশাক রফতানি বড় ধরনের হুমকির মধ্যে পড়ে। তখন তারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নতুন নতুন কারখানা গড়ে উঠেছে।

    বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, করোনার আগে ২০১৮ সালে নতুন কারখানা স্থাপন হয় ৬১টি। ২০১৯ সালে নতুন কারখানা স্থাপন হয়েছে ৮১টি। করোনার বছরে ২০২০ সালে নতুন কারখানা হয়েছিল ৫৮টি। পরের বছর ২০২১ সালে নতুন কারখানা স্থাপন হয়েছে ৮৬টি। এ ছাড়া ২০২২ নতুন কারখানা স্থাপন করা হয়েছে ১৮২টি এবং ২০২৩ সালে নতুন কারখানা হয়েছে ১৩৪টি।
    ডেনিম বাজারে শীর্ষে বাংলাদেশ

    ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শীর্ষ ডেনিম রফতানিকারক দেশ। এই অঞ্চলে প্রতি তিন জনের এক জন বাংলাদেশের উৎপাদিত ডেনিম প্যান্ট পরেন। বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা ডেনিম খাতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। আর ডেনিম পোশাক তৈরির জন্য দেশে ৪২টি আধুনিক কারখানা গড়েছেন তারা। এসব কারখানা থেকে প্রতিবছর ৯০ কোটি মিটারের বেশি ডেনিম কাপড় উৎপাদন সম্ভব।

    ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় এক দশক আগে ১২টি কারখানায় ডেনিম উৎপাদনে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল আট হাজার কোটি টাকা। তবে গত কয়েক বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডেনিম সরবরাহে বাংলাদেশ প্রতিবেশী চীনকে ছাড়িয়ে গেছে।

    বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) তথ্য অনুসারে, আগামী পাঁচ বছরে ৭০ কোটি ডলারের ডেনিম রফতানির লক্ষ্য নিয়ে হবিগঞ্জে দুটি কারখানার জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    বিটিএমএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, গত ১০ বছরে বেশির ভাগ কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলেও আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর চাহিদার কারণে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হচ্ছে। বর্তমানে ডেনিম খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ আছে বলে জানান তিনি।

    এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ডেনিম জিনস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের প্যাসিফিক জিনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এম তানভীর জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেনিম উৎপাদন ১২ শতাংশের বেশি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তারা।

    এদিকে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রফতানি ১১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ২৪ শতাংশ কম। তবে স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং পোল্যান্ডে আমাদের রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ, ২ দশমিক ১৫ শতাংশ, ৯ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক ১৪ শতাংশ। ইতালিতে পোশাক রফতানি ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমেছে। জার্মানিতে উল্লেখিত সময়ে রফতানি ২০২২-২৩ জুলাই-ডিসেম্বরের তুলনায় ১৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় তৈরি পোশাক রফতানি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে যথাক্রমে ৪ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন এবং ৭৪১ দশমিক ৯৪ মিলিয়নে মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে এবং বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাজ্যে রফতানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ ২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে, অপ্রচলিত বাজারে আমাদের পোশাক রফতানি ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে ৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ৪ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। প্রধান অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ায় রফতানি যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ২৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং ১৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে ভারতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ১৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কমেছে।

    অকা/তৈপোশি/সকাল/২২ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের কদর বেড়েছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে অংশ কমলো বাংলাদেশের

    পোশাক রপ্তানিতে মিলবে তিনগুণের বেশি নগদ সহায়তা

    চীনের সরে যাওয়া বাজার দখলের নতুন সুযোগ
    পোশাক রফতানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান অটুট

    জুনে রফতানি আয় কমলো ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    কোথায় যাচ্ছে সোনার বাজার?

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসিরা

    যে ৫ কারণে ফাইনালে উঠতে পারে আর্জেন্টিনা

    মেসিদের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছে ইংল্যান্ড

    ২ লাখ ৩০ হাজার কৃষকের ২২৬ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ

    আর্থিক খাতে বেড়েছে সন্দেহজনক লেনদেন

    বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.