Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কমছে রিজার্ভ বাড়ছে মূল্যস্ফীতিতে চাপ

    সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩ ৫:০১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহুমুখী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ডলার আয় উৎসাহিত করতে ও খরচের লাগাম টানতে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করছে। কিন্তু বাস্তবে এর তেমন একটা সুফল মিলছে না। উলটো নানা ধরনের গুজব রটে বাজারে আস্থার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলছে। এতে ডলারের দাম বেড়ে টাকার মান কমে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে দেনা শোধ করার ধারা অব্যাহত থাকায় রিজার্ভের ক্ষয় মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে। তবে আমদানি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু পদক্ষেপের ফলে এখন চলতি হিসাবে ঘাটতি থেকে উত্তরণ ঘটে উদ্বৃত্ত হয়েছে। তারপরও ডলারের সংকট কাটছে না। বরং আরও প্রকট হচ্ছে।

    সূত্র জানায়, বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়ে রফতানি আয়, রেমিট্যান্স, বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বৈদেশিক অনুদান থেকে। এই চার খাতেই আয়ের ধারা নিম্নমুখী। এর মধ্যে রেমিট্যান্স বাড়াতে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হুন্ডির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার পর ওই দেশ থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে। অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও এ ধরনের পদক্ষেপ দরকার বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংকের চেয়ে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম প্রায় ৭ থেকে ৮ টাকা বেশি। ফলে রেমিট্যান্সের বড় অংশ চলে যাচ্ছে হুন্ডিতে। মানি চেঞ্জার্স ও কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা শুরু করলে ওখানে ডলার লেনদেনে স্থবিরতা নেমে আসে। এখন কিছু লেনদেন হলেও দাম ১১৮ থেকে ১১৯ টাকা। মানি চেঞ্জার্সগুলো নির্ধারিত দামে ডলার পাচ্ছে না বলে বিক্রিও কমে গেছে। ফলে এতে ডলারের প্রবাহ তো বাড়েইনি। উলটো কমে গেছে।

    ডলারের প্রবাহ বাড়াতে হলে রফতানি আয় বাড়াতে হবে। সেটি সম্ভব হচ্ছে না। কারণ বৈশ্বিক মন্দায় রফতানি শিল্পের কাঁচামাল আমদানি জুলাই-আগস্টে কমেছে ২৮ শতাংশ ও এলসি খোলা কমেছে ১৭ শতাংশ। গত অর্থবছরেও এ খাতে আমদানি ও এলসি দুইই কমেছিল। রফতানির আদেশ কম আসায় কাঁচামাল আমদানি কমছে। আগামীতে রফতানিকারকরাও আয় নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

    জুনে রফতানি আয় হয়েছিল ৫০৩ কোটি ডলার, জুলাইয়ে তা কমে ৪৫৯ কোটি ডলার, আগস্টে সামান্য বেড়ে রপ্তানি আয় এসেছে ৪৭৮ কোটি ডলার। ৩ মাসে এসেছে ১ হাজার ৪৪০ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয় বেড়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ২৭ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে বেড়েছিল ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে বেড়েছে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

    জুনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২০ কোটি ডলার, জুলাইয়ে তা কমে ১৯৭ কোটি ডলার, আগস্টে তা আরও কমে ১৬০ কোটি ডলার এসেছে। ৩ মাসের হিসাবে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৭৭ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমেছিল ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ। ওই কমার বিপরীতে গত অর্থবছরে বেড়েছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে বেড়েছিল ১২ দশমিক ২৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে বাড়ার পরিবর্তে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বৈদেশিক অনুদানের গতিও নিম্নমুখী। ২০২১-২২ অর্থবছরে অনুদান বেড়েছিল ৫১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। গত অর্থবছরে বাড়ার পরিবর্তে বরং কমেছে সাড়ে ১১ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে বেড়েছিল ৮৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে কমেছে ৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ। জুন ও জুলাইয়ে অনুদান এসেছে মাত্র ৩২ কোটি ডলার।

    বৈদেশিক বিনিয়োগ ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল ১৮৩ কোটি ডলার, গত অর্থবছরে এসেছে ১৬১ কোটি ডলার। তবে জুলাইয়ে বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে। গত বছরের ওই সময়ে ১৭ কোটি ও চলতি বছরের একই সময়ে এসেছে ১৮ কোটি ডলার। এর বিপরীতে শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।

    এদিকে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের মধ্যে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করার পরও তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছে। ফলে এ খাতে ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রায় আরও চাপে পড়বে। জুনে আমদানি ব্যয় হয়েছিল ৪৭৪ কোটি ডলার, জুলাইয়ে ৬১৪ কোটি ডলার, আগস্টে ৫৬২ কোটি ডলার। ৩ মাসে আমদানি ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৬১০ কোটি ডলার। ওই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪০ কোটি ডলার ও রেমিট্যান্স এসেছে ৫৭৭ কোটি ডলার। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি মিলে আয় হয়েছে ২ হাজার ১৯৫ কোটি ডলার। এর বিপরীতে আমদানি ব্যয় বাদ দিলে উদ্বৃত্ত থাকছে ৭৪৭ কোটি ডলার। ফলে চলতি হিসাবে ঘাটতি কমে গিয়ে এখন উদ্বৃত্ত হচ্ছে। জুলাইয়ে উদ্বৃত্ত হয়েছে ৫৪ কোটি ডলার। বিনিয়োগ ও অনুদান থেকে যেসব ডলার আসছে তার বড় অংশ যাচ্ছে বিদেশ ভ্রমণ, চিকিৎসা ও অন্যান্য খাতে। এছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর মুনাফা নেওয়া, রয়্যালটি পরিশোধ, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের অর্থ নেওয়া বাবদ আরও ডলার খরচ হচ্ছে। এর বাইরে স্থগিত ঋণ ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও কমপক্ষে ৬০০ কোটি ডলার শোধ করতে হবে। এসব মিলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সার্বিক স্থিতিতে ঘাটতি হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ খাতে ঘাটতি হয়েছিল ৬৬৬ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৮২২ কোটি ডলার। গত বছরের জুলাইয়ে ঘাটতি ছিল ১০৮ কোটি ডলার। চলতি বছরের একই মাসে তা কিছুটা কমে ১০৭ কোটি ডলার ঘাটতি হয়েছে। এ ঘাটতির কারণে বাজারে ডলার প্রবাহ বাড়ছে না।

    ডলারের দাম আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশে বাড়ানো হতো। গত বছরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের চাপে ডলারের দাম বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) মাধ্যমে বাড়ানো হচ্ছে। প্রতি মাসে গড়ে এক টাকা থেকে ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হতো। চলতি মাসে দুদফা বাড়ানো হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর রুটিন মাফিক বাড়ানো হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে আরও এক দফা বাড়ানো হয়। একই দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগাম ডলার বেচাকেনার লাগাম টেনে ধরতে নতুন নীতি ঘোষণা করে। ফলে ডলারের আগাম বেচাকেনার ক্ষেত্রে বেঁধে দেওয়া বাজারদরের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ বার্ষিক ভিত্তিতে যোগ করার কথা। অর্থাৎ ৬ মাস মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদ ও এর সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ যোগ করার কথা। বর্তমানে ট্রেজারির বিলের গড় সুদ ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। বর্তমানে ডলারের দাম ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। এর সঙ্গে ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ যোগ করলে এক বছর মেয়াদি আগাম ডলার হবে ১২৪ টাকা। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে গুজব রটিয়ে পড়ে যে ডলার সংকট আরও প্রকট হচ্ছে। তখন আগাম ডলার কেনার হিড়িক পড়ে যায়। এতে বাজারে সংকট আরও প্রকট হয়। এর ২ দিন পরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে বলে, ৩ বা ১ মাস মেয়াদে ডলার কেনা যাবে। এতে দাম হবে ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সা ও ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। তবে ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগাম ডলার বেচাকেনা শুধু আমদানিকারকদের মধ্যে সীমিত করে দেয়। এছাড়া ব্যাংক, রেমিট্যান্স হাউজ, রপ্তানিকারকরা আগাম ডলার কিনতে পারবে না। আগে তারা আগাম ডলার বুকিং দিতে পারতেন। ফলে বাজারে আগাম ডলার বেচাকেনা আরও কমে যাবে।

    ডলারের আগাম মূল্য কার্যকর হওয়ার কথা সোমবার থেকে। কিন্তু তার আগেই বাফেদা রোববার আমদানিতে ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়িয়েছে। ফলে ১১০ টাকার সঙ্গে ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ যোগ করে আগাম বেচাকেনার দর কার্যকর হয়নি। এটি কার্যকর হওয়ার আগেই ডলারের দাম বাড়িয়ে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা করেছে। অর্থাৎ একটি সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগেই নতুন আরেকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়াতে রফতানিকারকদের রিটেনশন কোটা কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে। তারা যাতে ডলার ধরে রাখতে না পারে সেজন্য ৩০ দিনের বেশি ডলার রপ্তানিকারক ব্যবহার না করলে গ্রাহককে টাকা দিয়ে তা ব্যাংক নিজ ক্ষমতায় অন্যত্র ব্যবহার করতে পারবে। এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে ডলার স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের পরেও ডলারের প্রবাহ কতটুকু বাড়বে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। এসব সিদ্ধান্তের কারণে রফতানিকারকরা নানা অজুহাতে রফতানি আয় দেশে আনা বিলম্বিত করে দিতে পারেন। তখন রফতানি আয়ে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ পণ্যের দাম বাড়ার কারণে ও রফতানি আয় কমায় নিজস্ব ডলার দিয়ে রফতানিকারকদের চাহিদা মিটছে না।

    সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণও কমে গেছে। এ কারণেও ডলারের প্রবাহ বাড়ছে না। আগে বৈদেশিক ঋণের সুদের হার ছিল কম। এখন বেড়ে যাওয়ায় চড়া সুদে কেউ ঋণ নিতে চাচ্ছে না। লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফার রেট বা লাইবর রেট বেড়ে যাওয়ার কারণে এ তহবিল থেকে ঋণের সুদের হারও বেড়ে গেছে। আগে লাইবর রেটের (৬ মাস মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের হার) সঙ্গে আড়াই শতাংশ যোগ করে ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হতো। করোনার আগে লাইবর রেট ছিল দেড় থেকে ২ শতাংশ। এ হিসাবে ঋণের সুদ হতো ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ। বর্তমানে লাইবর রেট বেড়ে ডলারে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং ইউরোতে ৪ দশমিক ৮ শতাংশে ওঠেছে। এর সঙ্গে আড়াই শতাংশ যোগ করলে সুদের হার দাঁড়ায় ডলারে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ইউরোতে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। ফলে ঋণের সুদের হার বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ কমে গেছে।

    বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশের রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ গ্রস ৪ হাজার ৮০৬ কোটি ডলারে ওঠেছিল। এখন তা কমে গ্রস হিসাবে ২ হাজার ৭০৬ কোটি ডলার ও নিট হিসাবে ২ হাজার ১১৫ কোটি ডলারে নেমেছে। যা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় ৩ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। রিজার্ভের নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত থাকায় আমদানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে।
    অকা/ব্যাংখা/অপ্র/ সকাল, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    কমছে রিজার্ভ বাড়ছে মূল্যস্ফীতিতে চাপ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.