Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খেলাপি ঋণে আর ছাড় নয়

    অক্টোবর ১, ২০২৪ ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ20
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    খেলাপি ঋণ নবায়নে আর কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এমনকি মেয়াদি ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রেও কোনো প্রকার শিথিলতা দেখানো হবে না। ব্যাংক কোম্পানি আইন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ীই ঋণ পুনঃতফসিল করতে হবে। মেয়াদি ঋণ খেলাপির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইতোমধ্যে যে ৩ মাস সময় এগিয়ে আনা হয়েছে তাই বলবৎ থাকবে। আর এ কারণে এস আলমসহ বড় বড় রাঘব বোয়ালদের ঋণ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে খেলাপি হওয়া শুরু হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

    ইসলামী ব্যাংকসহ ৮ ব্যাংক থেকে সাইফুল আলম মাসুদ ওরফে এস আলম নামে বেনামে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিলেন। এত দিন ব্যাংকগুলো তার দখলে থাকায় নানা উপায়ে পরিশোধ না করে নিয়মিত দেখানো হতো। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছে। এরপর থেকেই ওইসব ঋণ আর অনিয়মের মাধ্যমে নবায়ন হচ্ছে না। ইতোমধ্যেই ওইসব ঋণ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মাফিয়াদের নামে বেনামে থাকা ঋণ আর কোনোক্রমেই নিয়মিত করা হবে না। একমাত্র সমাধান হবে জনগণের আমানতের অর্থ ফেরত দেয়া। অন্যথায় এসব ঋণ খেলাপি করা হবে। আর খেলাপি হলে ওইসব প্রতিষ্ঠান আর কোনো এলসি খুলতে পারবে না।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে এস আলমসহ বিভিন্ন গ্রুপ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা শিথিলের জন্য তদবির করছে। নানাভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এস আলমের এ আব্দারে সাড়া দেয়নি। এর ফলে আজ থেকেই এসব ঋণ খেলাপি হয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দেড় দশকের অপশাসনের সময় নানাভাবে ঋণ খেলাপিদের ছাড় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আর কোনো ছাড় দেবে না। ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রেও আর কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, গত বছর শেষে ব্যাংক খাতের পুনঃতফসিলকৃত ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা, যা ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৯ সালে ব্যাংকগুলো ৫২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করে। পরের বছর ২০২০ সালে পুনঃতফসিল কম হয়। ওই বছর খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করা হয় ১৯ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। ২০২১ সালে করা হয় ২৬ হাজার ৮১০ কোটি, ২০২২ সালে ৬৩ হাজার ৭২০ কোটি এবং ২০২৩ সালে ৯১ হাজার ২২১ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে পুনঃতফসিল ঋণ বেড়েছে ৪৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।

    গত বছর পুনঃতফসিল ঋণ অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ছাড় নীতি ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দায়ী করা হচ্ছে। কারণ নির্বাচনে প্রার্থী হতে গত বছরের শেষ দিকে অনেক প্রার্থীই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নিয়মিত হন। এ ছাড়া বছর শেষে নিজেদের আর্থিক হিসাব ভালো দেখাতেও শেষ প্রান্তিকে অনেক খেলাপি গ্রাহকের ঋণ উদার হস্তে নবায়ন করে ব্যাংকগুলো।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১২ সালের সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো ঋণের কিস্তি পর পর ৩ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত পরিশোধ করা না হলে ওই ঋণ খেলাপি হয়ে যাবে। ৬ মাস থেকে ৯ মাসের মধ্যে পরিশোধ না করলে সন্দেহজনক খেলাপি ঋণ ও ৯ মাস পার হলে তা মন্দমানের খেলাপি ঋণ হবে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ২০১৯ সালে ব্যবসায়ীদের দাবির কারণে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। তখন বলা হয়, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞার কোনো পরিবর্তন হবে না। তবে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত খেলাপি করা যাবে না। এ হিসেবে কোনো ব্যবসায়ী মেয়াদি ঋণ নিয়ে ৯ মাসের সাথে আরো ৬ মাস অর্থাৎ ১৫ মাস পরিশোধ না করলেও ওই ঋণকে খেলাপি করা হতো না। এর ফলে বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধ না করা সত্ত্বেও খেলাপি ঋণের বাইরে চলে যায়। অর্থাৎ বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ ব্যাংকিং খাত থেকে আড়াল হয়ে যায়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে খেলাপি হওয়ার নীতিমালা শিথিলতা থেকে কিছুটা কঠোর করা হয়। চলতি বছরের এপ্রিলে দেয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়, মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণের যে ৬ মাস সময় দেয়া হয়েছিল তা তিন মাস এগিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ মেয়াদ উত্তীর্ণের ৩ মাস পরই মেয়াদি ঋণ খেলাপি হয়ে যাবে। এ সার্কুলার ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। আর ২০২৫ সালের মার্চ থেকে বাকি তিন মাস মেয়াদ উত্তীর্ণের সময়ও বাতিল করা হবে। অর্থাৎ আজ এক অক্টোবর থেকে মেয়াদি ঋণ খেলাপি হতে সময় কমিয়ে ১২ মাস করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চ থেকে তা মেয়াদ উত্তীর্ণের মেয়াদ শূন্য করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০১২ সালের নির্দেশনাই আবার বলবৎ হবে।

    এ দিকে ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে বৈঠক করে এ নীতিমালা আবারো শিথিল করতে অনুরোধ করে। ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার শেষ দিন হওয়ায় অনেকেই এ নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। রাঘববোয়াল ব্যবসায়ীরা ধরেই নিয়েছিল গত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার মাধ্যমে যেভাবে নীতিমালা শিথিল করা হতো, এখনও তা করা যাবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গতকাল এ বিষয়ে কোনো নীতিমালাই শিথিল করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনোভাবের কারণেই স্বৈরাচারের দোসরা অনেকটা হতাশই হয়েছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ১৫ বছর যেভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে ম্যানেজ করা গেছে, এখন থেকে আর তা করা যাবে না। যদিও এস আলম, আকিজ উদ্দিনের সুবিধাভোগী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা এখনো তৎপর রয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ কর্মকর্তা দেশপ্রেমিক হওয়ায় দোসররা তেমন কোনো সুবিধা নিতে পারবে না বলে তারা মনে করছেন। ●

    অকা/আখা/ফর/সকাল/১ অক্টোবর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অনিয়মে ধসে পড়া আর্থিক খাত
    ৯টি এনবিএফআই প্রাথমিকভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দুর্বল লিজিং কোম্পানি বন্ধে সরকারের সাহসী পদক্ষেপে আর্থিক খাতে সংস্কারের নতুন বার্তা

    পাঁচ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ সৌদি ব্যবসায়ীদের

    অক্টোবরের প্রথম সাতদিনে প্রবাসী আয় ৮৪৪২ কোটি টাকা

    স্বল্পসুদে ঋণে স্বস্তির শ্বাস নিয়েছেন কৃষকরা

    উচ্চ শুল্কনীতির প্রভাব
    বাংলাদেশের রফতানি আয়ের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.