Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টানা যাচ্ছে না

    এপ্রিল ৮, ২০২৫ ১২:১০ অপরাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    নানামুখী পদক্ষেপেও খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টানা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো কতটা সুফল বয়ে আনবে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। এদিকে খেলাপি ঋণের আন্তর্জাতিক মানের সংজ্ঞার বাস্তবায়ন পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইএমএফ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। তাতে এসব পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। খেলাপি ঋণ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার থেকে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো আইএমএফ-এর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তির সময় সংস্থাটি খেলাপি ঋণ কমানোর শর্ত আরোপ করেছিল। ২০২৬ সালের মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলোর ১০ শতাংশের মধ্যে এবং বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার শর্ত আরোপ করেছিল। ওই সময়ে সরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল ২০ শতাংশের ওপরে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল ৮ শতাংশের ওপরে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও খেলাপি ঋণ কমানোর রোডম্যাপ ঘোষণা করে। এ ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে খেলাপি ঋণ ৮ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়। এই ঘোষণা ও আইএমএফ-এর শর্ত আরোপের পরও খেলাপি ঋণ কমেনি। বরং আরও বেড়েছে। তখন খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করা হতো না। অনেক তথ্যই গোপন রাখা হতো। তথ্য গোপন করেও খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব হয়নি
    গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র বের হতে থাকে। আইএমএফ-এর চুক্তির আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ছিল ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
    গত ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ২০ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে খেলাপি ঋণ কমার পরিবর্তে বেড়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা, যা আগের মোট খেলাপি ঋণের চেয়ে বেশি। আগামী দিনে খেলাপি ঋণ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোয় খেলাপি ঋণ ১৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ৩৬ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন লুটপাট ও টাকা পাচারের কারণে এখন বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ওইসব ঋণ এখন খেলাপি হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে, ততই তাদের লুটপাটের চিত্র উন্মোচিত হচ্ছে। ওই ঋণ আদায় হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে এখন সেগুলো খেলাপি হচ্ছে।
    সূত্র জানায়, খেলাপি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার হয়ে যারা খেলাপি হয়েছে-এমন সব ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের খেলাপি ঋণ নবায়নে বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাচারের কারণে যেসব ঋণ খেলাপি হচ্ছে, সেগুলোর বিপরীতে জামানত বিক্রি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জামানত বিক্রি করে ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
    ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো টাকা পাচারকারীদের বন্ধকি জামানত বিক্রি করতে নিলামে তুলছে। ইতোমধ্যে সোনালী, ইসলামী, জনতা, ইউসিবি, ন্যাশনাল ব্যাংক বন্ধকী জামানতের নিলাম করছে। কিন্তু এতে ঋণের সমপরিমাণ অর্থ আদায় হচ্ছে না। তবে জামানত বিক্রি করে কিছু টাকা আদায়ের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ গ্রাহক বা ঘটনা ভেদে সামান্য কমানো সম্ভব হচ্ছে। জামানত বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব আইনগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য আইন সংশোধন ও নতুন আইন করা হচ্ছে। পাচার করা টাকা ফেরানো সম্ভব হলে খেলাপি ঋণ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা চাইছে।
    খেলাপি ঋণ আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর ওপরও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হলে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হবে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও খেলাপি ঋণ আদায় বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে। আইএমএফ-এর সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব উদ্যোগের কথা জানাবে।
    আইএমএফ-এর শর্তের কারণে খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়। নতুন সংজ্ঞা এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। আগে কোনো ঋণের কিস্তি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ছয় মাস পর খেলাপি করা হতো। এখন তিন মাস পর খেলাপি করা হবে। এতে খেলাপি ঋণ আরও বেড়ে যাবে। এ কারণে উদ্যোক্তারা খেলাপি ঋণের নতুন সংজ্ঞার বাস্তবায়ন আরও পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে। এ বিষয়টিও আইএমএফকে জানানো হবে।
    এদিকে আইএমএফ আশঙ্কা করছে, খেলাপি ঋণ যেভাবে বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে বাড়তি সুদ আরোপ হতে পারে। এলসির ক্ষেত্রে গ্যারান্টি ফি আরোপ হতে পারে। এ কারণে বাংলাদেশকে নিজ উদ্যোগেই খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতিতে লাগাম টেনে নিরাপদ মাত্রায় নামিয়ে আনতে হবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/দুপুর, ৮ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.