Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পিছিয়ে যাচ্ছে উৎপাদন খাত

    জানুয়ারি ৩০, ২০২৫ ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশে যে হারে শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৈরি হওয়া প্রয়োজন ছিল, সেটি হয়নি। দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত এক দশকে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির পেছনে বড় অবদান রেখেছে সেবা খাত। তবে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে উৎপাদন তথা শিল্প খাত।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২৯ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিবিএস কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যদিও চূড়ান্ত ফলাফল আরও তিন মাস পর প্রকাশ করা হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বৈষম্যহীন টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণে টাস্কফোর্সের সভাপতি কে এ এস মুরশিদ। অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক শুমারি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক এস এম শাকিল আখতার। দেশে এ নিয়ে চারটি অর্থনৈতিক শুমারি হয়েছে। এর আগে দেশের শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, মালিকানার কাঠামো, জনবল, উৎপাদিত পণ্য ও সেবার ধরন প্রভৃতি তথ্য উঠে এসেছে এ প্রতিবেদনে। অর্থনৈতিক শুমারিতে কৃষি খাতকে ধরা হয় না।

    সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুসারে, দেশে বর্তমানে ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান, বাকিটা শহর এলাকায় অবস্থিত। অর্থাৎ শহরে শ্রমঘন ও বড় প্রতিষ্ঠানের প্রাধান্য থাকলেও সংখ্যার দিক থেকে বেশি প্রতিষ্ঠান গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। অন্যদিকে এসব অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে ৩ কোটি সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ কাজ করছেন। এ ক্ষেত্রে শহরের কর্মসংস্থান ৪৩ শতাংশ, বাকিটা গ্রামে।

    শুমারিতে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিল্প উৎপাদন ও সেবা- এই দুই খাতে ভাগ করা হয়েছে। দেখা গেছে, ২০১৩ সালে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উৎপাদন খাতের হিস্যা ছিল ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ১১ বছরের ব্যবধানে উৎপাদন খাতের এ অবদান কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশে। বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে দেশে ১০ লাখ ৪১ হাজারের বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

    এদিকে উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধি কমলেও বেড়েছে সেবা খাতে। বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ৯১ শতাংশের বেশি হচ্ছে সেবা খাতের, যা ২০১৩ সালে ছিল ৮৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মুদিদোকান থেকে শুরু করে অনলাইনের বেচাকেনা-সবই সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত। তবে সাধারণত শিল্প খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি হয়। অর্থনীতির আকার বাড়াতেও এই খাতের ভূমিকা বেশি।

    অর্থনৈতিক শুমারিতে খানাভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের চিত্রও উঠে এসেছে, যা মূলত ইনফরমাল বা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত হিসেবে পরিচিত। বাসাবাড়িতে কুটির শিল্পের মতো বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান প্রভৃতি এ খাতে ধরা হয়েছে। শুমারিতে দেখা যায়, ১১ বছরে এ খাতের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৭৮ শতাংশ। বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে দেশে ৫০ লাখের বেশি ইনফরমাল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া দেশে ই–কমার্সসহ অনলাইন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৮।

    শুমারিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে গিয়ে কী ধরনের সমস্যায় পড়েন, সে তথ্যও জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রায় ৮৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত মূলধন নেই। আবার যাদের মূলধন নেই, তাদের মধ্যে এক–তৃতীয়াংশ আবার ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পায় না। সাধারণত শিল্প খাতের জন্য বেশি পরিমাণে মূলধন ও ঋণ প্রয়োজন হয়। সেখানে অল্প কিছু বিনিয়োগ নিয়ে সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান শুরু করা যায়। ফলে মূলধনের অভাবে উৎপাদন খাত কম বেড়েছে। এর বাইরে আরও কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে রয়েছে অবকাঠামোগত সমস্যা, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, দক্ষ জনবলের অভাব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা, বিপণন সমস্যা ও কাঁচামালের সংকট।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, দেশে অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। তবে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে উদ্যোক্তাদের বেশির ভাগই মূলধন সমস্যায় রয়েছেন। আবার যাঁদের মূলধন নেই, তাঁরা সহজে ঋণও পান না। বিষয়টি দুঃখজনক।

    দেশের আর্থিক খাত থেকে বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী হাজার কোটি টাকা সরিয়েছে উল্লেখ করে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া এত টাকা কোথায় গেছে, কেউ জানেন না। ব্যাংক খালি হয়ে গেছে। অথচ গ্রামের ছোট উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় মূলধন পান না।

    ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘রাতারাতি ধনী হওয়া বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের শ্রমিকেরা এখন আন্দোলন করছে। যেমন বেক্সিমকোর কথা বলা যায়। সরকার নিজের টাকা খরচ করে এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছে। দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো মূলধন নেই, খালি লোন আর লোন। দেশে আর্থিক খাতে বৈষম্য কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তার নিদারুণ উদাহরণ এটি।’  ●

    অকা/আখা/ফর/দুপুর/৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অনিয়মে ধসে পড়া আর্থিক খাত
    ৯টি এনবিএফআই প্রাথমিকভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দুর্বল লিজিং কোম্পানি বন্ধে সরকারের সাহসী পদক্ষেপে আর্থিক খাতে সংস্কারের নতুন বার্তা

    পাঁচ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ সৌদি ব্যবসায়ীদের

    অক্টোবরের প্রথম সাতদিনে প্রবাসী আয় ৮৪৪২ কোটি টাকা

    স্বল্পসুদে ঋণে স্বস্তির শ্বাস নিয়েছেন কৃষকরা

    উচ্চ শুল্কনীতির প্রভাব
    বাংলাদেশের রফতানি আয়ের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.