Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পুঁজিবাজারে ভাইব্রেন্সি খুব প্রয়োজন

    নভেম্বর ২৬, ২০২২ ৫:৪২ পূর্বাহ্ণUpdated:নভেম্বর ২৬, ২০২২ ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দেশে পুঁজিবাজারের যে আচরণ, তাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি হতাশ হয়ে পড়েছেন খোদ স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে জড়িত বড় বিনিয়োগকারীরাও।

    ফ্লোর প্রাইসের প্রভাবে শেয়ারের দরপতন ঠেকানো গেছে বটে, কিন্তু ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে কার্যত ৭০ থেকে ৮০টি কোম্পানির শেয়ারে হাতবদল হচ্ছে, তাও সংখ্যায় কম। বাকি কোম্পানিগুলোর মধ্যে কোনো দিন ৭০টি, কোনো দিন ৮০টির ক্রেতা থাকে না। আর দুই শতাধিক কোম্পানির কিছু শেয়ার হাতবদল হয় বটে, কিন্তু তা এতটাই নগণ্য যে গুরুত্ব পাওয়ার মতো না।

    মাস দুয়েক আগেও সেখানে দুই হাজার কোটি বা তার চেয়ে বেশি লেনদেন হচ্ছিল, সেটি এখন নেমে এসেছে তিন শ কোটির ঘরে।

    ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী পুঁজিবাজারের এই পরিস্থিতিতে পুরোপুরি হতাশ। তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ভাইব্রেন্সি খুব প্রয়োজন। তা ছাড়া এভাবে চলতে পারে না। বছরের ১২ মাসের মধ্যে ১০ মাস ডিপ্রেসড থাকবে, আর দুই মাস ভালো থাকবে, আমরা উচ্ছ্বসিত থাকব, এভাবে চলে না।’

    ‘বাজারের মধ্যে এখন বড় বিনিয়োগকারীরা ওয়েট অ্যান্ড সি বা সাইডলাইনে বসে গেছেন। একটা বৈশ্বিক কারণ আর দ্বিতীয় হলো যে, এই যে কোটি কোটি টাকা ফাইন হয়, সেটা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।’

    তিনি বলেন, কেউ দোষ যদি করে তাহলে শাস্তি হবে, কিন্তু যেভাবে মিডিয়ায়, পত্রিকায় আসে, সেভাবে আসলে বড় বিনিয়োগকারীরা শাই হয়ে যায়। তারা যদি বিনিয়োগ করতে ভয় পায়, তাদের জন্য প্যানিক সিচুয়েশন হয়, তাহলে বাজারের ভাইব্রেন্সি থাকবে না। তখন আমাদের মতো বিনিয়োগকারীরা বাজারকে ওইভাবে সাপোর্ট দিতে পারি না। সাপোর্ট দিতে হলে বড় বিনিয়োগকারীদের আনতে হবে।’
    লালী বলেন, ‘বাজারে যে জিনিসগুলো প্রয়োজন তা হলো ডিএসইর আমূল পরিবর্তন করতে হবে। বৃহত্তর রিফর্মেশন আনতে হবে। ডিএসই কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না, কোনো কাজই করছে না, অগ্রহণযোগ্য। একটা ইনএফিশিয়েন্ট এক্সচেঞ্জ যেটাকে বলা হয়, সেটা হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।’

    কোনো নীতি বা বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সবার অংশ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি। বলেন, ‘পলিসির কনসিসটেন্সি থাকতে হবে। ডিএসই থেকে বা বিএসইসি থেকেই হোক ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। কোনো নীতি করার আগে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বসে একটা ভালো জিনিস বের করে আনতে হবে।’

    ডিবিএর বর্তমান সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ‘রিফর্মেশন দরকার আছে, তবে ভালো লোককে বাদ দিয়ে অযোগ্য লোককে নিয়ে এলে হবে না। আইটি সেক্টরে দুর্বলতা রয়েছে, সেটা বারবারেই দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া দুইটা স্টক এক্সচেঞ্জই চলছে ভারপ্রাপ্ত এমডি দিয়ে, এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

    ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘ডিএসইর রিফর্মেশন অবশ্যই দরকার আছে। এমডি পদেই একজন লোক ঠিক করা যাচ্ছে না, আসছেন আর যাচ্ছেন। এটা কেমন কথা? এটা তো প্রতিষ্ঠানের পথচলা বাধাগ্রস্ত করছে।’
    পুঁজিবাজারে কোনো শেয়ার নিয়ে কারসাজি হলে মাসের পর মাস তা দেখে আরও কয়েক মাস পর ব্যবস্থা নিয়ে তা ঠেকানো যাবে না বলেও মনে করেন লালী।

    তিনি বলেন, নিউ ইয়র্কে ডেইলি বিচার হয়। জুমের মাধ্যমে তারা অভিযুক্তকে জিজ্ঞেস করেন আপনি এটা এটা করেছেন। আপনি কি দোষী? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে বলা হয়, ১০ হাজার ডলার পাঠিয়ে দিন। এভাবে কেসটা চলে।

    ‘এখন তো অনলাইন সার্ভেলেন্স। আপনি কেন সঙ্গে সঙ্গে বলছেন না, আপনি ভুল করছেন। এটা ঠিক করেন। তাহলেই তো আমি সাবধান হয়ে যাই। আমাকে ভুল করিয়ে কমিটি করবেন, ইনকোয়ারি করবেন, তারপর কোটি কোটি টাকা ফাইন করবেন।’

    যেটা সঙ্গে সঙ্গে সারাতে পারেন সেটা তিন মাস ধরে করে করছেন, এটা কি টাকা কামাই করার মেশিন নাকি? তিন মাস ধরে বিচার করবেন, আর তিন মাস ধরে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেটা তো হতে পারে না।’

    ডিবিএ সভাপতি রিচার্ড বলেন, ‘সার্ভেলেন্সের মাধ্যমে ম্যানুপুলেশন রোধে তড়িৎ ব্যবস্থা নিলে ব্রোকারেজ হাউজটাও রক্ষা পায়, ওই লোকটাও বাঁচে আবার পুঁজিবাজারও ক্ষতির সম্মুখীন হয় না।’

    সার্ভেলেন্সের মাধ্যমে ম্যানুপুলেশন ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে মোস্তফা মাহবুব। ‍তিনি বলেন, ‘সার্ভেলেন্সে রিয়েল টাইম ট্রেড দেখা যায়। সুতরাং সময়েই ফোন করেই এটা বন্ধ করা যায় বা ব্যবস্থা নেয়া যায়।’

    জরিমানার অঙ্ক নিয়ে অসন্তুষ্ট ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘যত আয় করছে, তার ২ থেকে ৩ শতাংশ জরিমানা করা হচ্ছে। এটা কি জরিমানা নাকি জাকাত? জরিমানা হতে হবে, যতখানি ম্যানুপুলেশন তার কয়েকগুণ বেশি।’

    লালী বলেন, ‘ইনডেক্স, ভলিউম কন্ট্রোল করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বাজারের মধ্যে ব্যাড প্লে করছে কি-না, বাজার সুস্থ রাখার জন্য সেটা দেখা দরকার। বাজারকে অযাচিতভাবে খারাপ রাখার চেষ্টা করছে কিনা তা দেখবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে কোনো অবস্থাতেই ভলিউম বা ইনডেক্স কন্ট্রোল করলে পরে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

    বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বসে তাদের কী সমস্যা, সেগুলো একটু দেখে সমস্যার সমাধানের পরামর্শও দেন তিনি। বলেন, ‘বাজারে সবসময় মার্কেট মেকার থাকতে হয়। না থাকলে সারাজীবন নড়বড়ে থাকবে।’

    ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহও মনে করেন মার্কেট মেকার থাকা জরুরি। তিনি বলেন, ‘মার্কেট মেকার লাইসেন্স দিয়ে মার্কেট ভালো করা যায়। সব ডুজ অ্যান্ড ডোন্ট মেনে চলতে হবে।’

    বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে নগদ পেমেন্ট পদ্ধতির চালু থাকা দরকার বলে জানান ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী। তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে অ্যাসেট দ্রুত লিকুইডেট করা যায় বলেই তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখানে আসেন। যখন কোনো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী চেক ছাড়া নগদ টাকা নিতে পারেন না, সেটা তাকে মার্কেট বিমুখ করে। কারণ অল্প কিছু টাকার জন্য এত ঝক্কিঝামেলা পোহাতে চান না কেউই। সুতরাং এই বিষয়টা একটু দেখা দরকার।’
    পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের এসব বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় সবই ঠিক বলেছেন। তবে সার্ভেলেন্সটা ডিএসই করে থাকে। তারা এনফোর্সমেন্টের জন্য পাঠানোর পরে আমাদের কাজ শুরু করতে হয়। যার জন্য দেরি হয়ে যায়।’

    তিনি বলেন, ‘আর আমরা তো মিডিয়াতে প্রেস রিলিজ হিসেবে জরিমানার খবর প্রচার করি না। আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা থাকে, সেখান থেকে হয়তো দেখে করে। ‘ডিএসইর বোর্ড রিফর্মেশনের দরকার আছে। সেটাও বিবেচনায় নেয়া হবে।’

    #

    অকা/পূঁজি/ দুপুর, ২৬ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    পুঁজিবাজারে ভাইব্রেন্সি খুব প্রয়োজন

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    অতিমূল্যায়িত অবকাঠামো ও ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.