Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পুনঃতফশিল করা ঋণের মধ্যে ৮০ শতাংশ খেলাপি হয়েছে বড় গ্রাহকরা

    অক্টোবর ৬, ২০২৪ ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণUpdated:অক্টোবর ৬, ২০২৪ ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    রাজনৈতিক বিবেচনায় বিশেষ ছাড়ের আওতায় পুনঃতফশিল করা ঋণের মধ্যে প্রতিবছরে গড়ে ৩৭ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার ঋণ নতুন করে খেলাপি হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ খেলাপি হয়েছে বড় গ্রাহক বা ঋণ জালিয়াতরা। এসব ঋণ আবার নবায়ন করা হয়েছে। এ সুবিধাও নিয়েছেন বড় গ্রাহকরা। পরিশোধ না করেই ঋণের ওপর সব ধরনের সুদ মওকুফের সুবিধাও নিয়েছে তারা। আবার বিধি ভঙ্গ করে আয়ের খাতে ঘাটতি দেখিয়েও মাত্রাতিরিক্ত সুদ মওকুফের নজিরও আছে। ব্যাংক খাতে এসব সুবিধার সবই পেয়েছে বড় গ্রাহক ও ঋণ জালিয়াতরা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে বিশেষ ছাড়ে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ হাজার ৬০ কোটি টাকার ঋণ ফের খেলাপি হয়েছে। এসব ঋণের একটি অংশ পরবর্তী সময়ে আবারও নবায়ন করা হয়েছে।

    আলোচ্য পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিবছর নবায়ন করা ঋণের ১৯ দশমিক ৭২ শতাংশ পুনরায় খেলাপি হয়েছে। এ হিসাবে প্রতিবছরে গড়ে খেলাপি হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার ঋণ। ওই সময়ে প্রতিবছর গড়ে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা করে। অর্থাৎ খেলাপি বাড়ার চেয়ে নবায়ন করা ঋণ খেলাপি হয়েছে বেশি। কিন্তু ঋণগুলোর বেশির ভাগই খেলাপি হিসাবে দেখানো হয়নি। যেগুলো খেলাপি দেখানো হয়েছে, সেগুলো আবার বিশেষ ছাড়ে নবায়ন করা হয়েছে।

    এদিকে ৫ বছরে ব্যাংক খাতে ১০ হাজার ৩৮১ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করা হয়েছে। প্রতিবছর গড়ে মওকুফ করা হয়েছে ২ হাজার ৭৬ কোটি ২০ লাখ টাকার সুদ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঋণের সুদ মওকুফের নিয়ম মানা হয়নি। ব্যাংকের খরচ আদায় না করেই সুদ মওকুফ করার ঘটনাও ঘটেছে।

    সূত্র জানায়, ২ থেকে ৪ শতাংশ বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই বড় গ্রাহকরা খেলাপি ঋণ নবায়ন করেছেন। এরপর শর্ত অনুযায়ী ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেনি। আবার খেলাপি হয়েছে। আবার নবায়ন করেছে। এভাবে ঋণ জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানকে অগ্রণী ব্যাংক ১৭ দফার বেশি নবায়ন করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এই ঋণ নবায়নের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই অভিযোগে অভিযুক্ত এস আলম গ্রুপ, অ্যানন টেক্স গ্রুপ, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, অলটেক্স গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপ ও ইলিয়াস ব্রাদার্স গ্রুপ। এগুলোর খেলাপি ঋণ একাধিকবার নবায়নের পাশাপাশি সুদ মওকুফ সুবিধাও দেওয়া হয়েছে। এসব গ্রুপ জালিয়াতি করে ব্যাংক থেকে বেআইনিভাবে সব ধরনের সুবিধা নিয়েছে। তাদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ভালো ও বড় এবং মাঝারি ও ছোট উদ্যোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাননি। বর্তমানে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকটের একটি বড় কারণ জালিয়াতদের ব্যাংকের টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০১৯ সালে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকায়। ওই বছরে খেলাপি ঋণ কমেছিল ৫ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে বিশেষ ছাড়ের আওতায় ৫২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়েছিল। নবায়ন করা ঋণের মধ্যে একই বছরে আবার ২৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকার ঋণ নতুন করে খেলাপি হয়ে যায়। তারপরও মোটা অঙ্কের ঋণ নবায়ন করার কারণে ২০২০ সালে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছিল। এসব ঋণ আবার খেলাপি হয়ে পড়ায় ২০২১ সালে এর পরিমাণ আবার বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩ হাজার ২৭৪ কোটি টাকায়। ওই বছরে নবায়ন করা হয়েছিল ১৯ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। নবায়ন করা ঋণ থেকে খেলাপি হয়েছিল ২৯ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ১৪ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা।

    ২০২২ সালে খেলাপি ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ২০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকায়। ২০২১ সালের তুলনায় ওই বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ১৭ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা। একই বছরে নবায়ন করা হয়েছিল ৬৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। নবায়ন করা ঋণের মধ্যে আবার খেলাপি হয়েছিল ৪০ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা।

    ২০২৩ সালে খেলাপি ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ২৪ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ওই বছরে নবায়ন করা হয় ৯১ হাজার ২২১ কোটি টাকা। নবায়ন করা ঋণের মধ্যে আবার খেলাপি হয় ৫৪ হাজার ৬০ কোটি টাকা।

    ২০১৯ সালে খেলাপি ঋণ নবায়ন ও সুদ মওকুফের পরিমাণও ছিল বেশি। ২০১৯ সালে ৪ হাজার ৬৩৯ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করা হয়। ২০২০ সালে তা আবার কমে ১ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০২১ সালে আবার কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকায়। ২০২২ সালে রেকর্ড পরিমাণ সুদ অর্থাৎ ৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা মওকুফ করা হয়। ২০২৩ সালে এসে তা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৮০ কোটি টাকায়। ওই সময়ে এস আলম গ্রুপের ৩ হাজার ১২৭ কোটি, বেক্সিমকো গ্রুপের ২ হাজার ৭৮০ কোটি, নাসা গ্রুপের ৫২৩ কোটি, অ্যানন টেক্স গ্রুপের ৩ হাজার ৪৪৫ কোটি, ক্রিসেন্ট গ্রুপের ৬৪ কোটি এবং বিসমিল্লাহ গ্রুপের ৬০৪ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করা হয়। নাসা, বেক্সিমকো, এস আলম গ্রুপ সুদের সমুদয় টাকাই মওকুফ পেয়েছে। সুদ মওকুফের কারণে ঋণের স্থিতি কমেছে। ফলে তারা ঋণ পরিশোধের পরিবর্তে উলটো ঋণসীমা বাড়িয়ে একই শাখা থেকে আবার নতুন ঋণ নিয়েছে। এভাবে তারা ঋণের সুদ মওকুফ, ঋণসীমা বাড়িয়ে যাচ্ছেন। আর নতুন ঋণ নিচ্ছেন। আগের ঋণ পরিশোধ করেনি।

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি খেলাপি শিল্প খাতের বড় অঙ্কের ঋণ। এ খাতে মোট খেলাপি ঋণ ৭২ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপির প্রায় ৫৫ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি নবায়ন করা হয়েছে বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। মাঝারি ঋণ ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ, ছোট ঋণ ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ, ক্ষুদ্র ঋণ ২ শতাংশ এবং অন্যান্য ঋণ ১৫ শতাংশ নবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে শিল্প খাতের ঋণ নবায়ন করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৪০, গার্মেন্ট ও বস্ত্র খাতের ২০ দশমিক ৯০, চলতি মূলধন ১১ দশমিক ৩০ এবং বাণিজ্যিক ঋণ ১১ শতাংশ। বাকি ঋণ অন্যান্য খাতের। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল, ৫ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.