Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    প্রাইজবন্ড লেনদেনে ক্রমবর্ধমান ঘাটতি – সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ

    জুলাই ২০, ২০২৫ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    সরকারি সঞ্চয়ী উপকরণ প্রাইজবন্ডের সার্বিক লেনদেনে ধারাবাহিক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নতুন বিক্রির মাধ্যমে যে অর্থ সংগ্রহ হচ্ছে, তা দিয়ে আগে বিক্রি করা বন্ডের দায় পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকারের অন্য হিসাব থেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের টাকা শোধ করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, নতুন বিক্রি ও আগের বন্ড ভাঙানোর মধ্যে পার্থক্য দিন দিন বাড়ছে।

    প্রাইজবন্ড মূলত একটি সঞ্চয়ী উপকরণ হিসেবে চালু করা হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের প্রবণতা তৈরি করা। প্রাথমিক পর্যায়ে এ খাতে সাড়া ভালো থাকলেও বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের আগ্রহ কমেছে। এর অন্যতম কারণ, প্রাইজবন্ডে কোনো মুনাফা দেওয়া হয় না। প্রতি তিন মাসে একটি করে লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং কেবল পুরস্কারজয়ী বন্ডেই অর্থ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, সরকারি অন্যান্য সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পাওয়া যায়, যা এখন সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। ফলে গ্রাহকেরা সহজেই ঘরে বসে মুনাফা পাচ্ছেন। কিন্তু প্রাইজবন্ডে এই সুবিধা নেই।

    ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রাইজবন্ডে গ্রাহকদের বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ১৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। ওই মাসে নতুন বিক্রি ও ভাঙানো বন্ডের মধ্যে ঘাটতি ছিল ২০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

    ঘাটতির এই প্রবণতা নতুন নয়। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে স্থিতি ছিল ১০ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং ঘাটতি ছিল ১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ২০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে জানুয়ারিতে স্থিতি ছিল ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং ঘাটতি ছিল ১০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ১৫ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এভাবে প্রতিটি অর্থবছরে ঘাটতি স্থায়ীভাবে বাড়ছে।

    ২০২০ সালের জানুয়ারিতে স্থিতি ছিল ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ঘাটতি ছিল ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরে জুলাই-জানুয়ারিতে ঘাটতি দাঁড়ায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা, আর ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে ১৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। ২০২২ সালে জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ১৩ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ঘাটতি ছিল ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ওই অর্থবছরে জুলাই-জানুয়ারি সময়ে ১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে জানুয়ারিতে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

    তবে সব সময় ঘাটতি হচ্ছে না। বিশেষ করে লটারি ড্রয়ের আগে প্রাইজবন্ড বিক্রি বাড়ায় কিছু মাসে উদ্বৃত্ত থাকে। যেমন ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে উদ্বৃত্ত ছিল ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা, নভেম্বরে ২৫ কোটি ৪০ লাখ, অক্টোবরে ১৬ কোটি ৯০ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। তবে এই প্রবণতা স্থায়ী নয়। লটারির সময় পেরিয়ে গেলে বিক্রি কমে যায় এবং আবার ঘাটতি তৈরি হয়।

    বর্তমানে বাজারে কেবল ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড পাওয়া যাচ্ছে। আগে বিভিন্ন মূল্যের প্রাইজবন্ড পাওয়া যেত এবং উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্যও এর প্রচলন ছিল। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকে এটি বিক্রি হয়। তবে সব ব্যাংক ও ডাকঘরে প্রাইজবন্ড পাওয়া যায় না। ড্রয়ের সময় দুই মাসের কম থাকলে নতুন বিক্রিও কমে যায়। তখন অনেকেই কাউন্টারের সামনে অপেক্ষা করেন—কেউ যদি পুরনো বন্ড ফেরত দেয়, তা কেনার জন্য।

    বছরে চারবার প্রাইজবন্ডের লটারি অনুষ্ঠিত হয়—৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। ড্র তারিখের দুই মাস আগে কেনা বন্ডগুলোই সংশ্লিষ্ট ড্রয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়। ফলে ড্রয়ের আগে বিক্রি বাড়ে এবং পরে কমে যায়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের আগ্রহ না থাকায় প্রাইজবন্ড মূলত লটারিতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে কেনা হচ্ছে। এর ফলে প্রাইজবন্ডে স্থায়ী বিনিয়োগ তৈরি হচ্ছে না, যা এই সঞ্চয়ী উপকরণের মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে।। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/২০ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 10 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    বিমানের চেয়ারম্যান হলেন ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.