Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ ব্যাংকিং খাতে চাপ বাড়াবে

    ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে তফসিলি ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, যা আগের মাসে ছিল ৮৬৩ কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪,৫৯০ কোটি টাকা।

    ব্যাংকার এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, ইতোমধ্যেই তারল্য সংকটে ভুগতে থাকা বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া ব্যাংকিং খাতে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তারা আরো বলেন, এর ফলে আমানত এবং ঋণের বাধ্যবাধকতা পূরণে এ খাত বাজেভাবে প্রভাবিত হতে পারে। এতে ঋণ দানে আরও কঠোরতা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কমে যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে তারল্য সংকট আরও তীব্র হতে পারে।"

    তিনি আরো বলেন, "কর্তৃপক্ষের উচিত [এ পরিস্থিতি] সামাল দেওয়া। তাদের এটা নিশ্চিত করা উচিত যে তারল্য সংকট যাতে সামনে না বাড়ে এবং ঋণযোগ্য তহবিল যাতে না কমে।"

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি মাস শেষে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২.০২ লাখ কোটি টাকা। গতবছরের ডিসেম্বর শেষে এ পরিমাণ ছিল ১.৮১ কোটি টাকা।

    অর্থাৎ এক মাসেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা।

    এসব ঋণ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার মতো। অর্থাৎ, মূল্যস্ফিতি কমাতে দেশের মানি সার্কুলেশন থেকে জানুয়ারিতে এই পরিমাণ টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে পাঠিয়েছে সরকার।

    "কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে মাঝে মাঝে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে, তাই সরকার এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর নির্ভরশীলতা কমে যাওয়া ভালো," এ বিষয়ে বলেন অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান।

    গতবছরের ডিসেম্বর শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল ১.২১ লাখ কোটি টাকা। জানুয়ারি শেষে তা দাঁড়িয়েছে ১.০২ লাখ কোটি টাকায়।

    গত এক মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের নিট হিসাবে দেখা গেছে, এই সময়ে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪৬.৪৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া ঋণের ১১.৮৯ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। সে হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া পুরো টাকাটাই দেশের মানি সার্কুলেশনে এসেছে।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ১,০৬,৩৩৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার টার্গেট ঠিক করেছিল সরকার। জানুয়ারি শেষে সরকার এই টার্গেটের ৩২.৫৩% ঋণ নিয়েছে এই খাত থেকে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে গত ১ বছরে সরকার ব্যাংক খাত থেকে মোট ঋণ নিয়েছে প্রায় ৯১ হাজার কোটি টাকা। রীতিমতো এর পুরোটাই সরকার নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে।

    সবমিলিয়ে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.০৫ লাখ কোটি টাকায়।

    সংশ্লিষ্টরা বলেন, সরকার ঘাটতি বাজেট মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। ঋণের অধিকাংশই বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটে ব্যয় হয়।

    চলতি অর্থবছরে নন-ব্যাংকিং খাত থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছিল সরকার। এরমধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিএফআইসহ অন্যান্য খাত থেকে ছিল ৫ হাজার কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এনবিএফআইসহ অন্যান্য খাত থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে ৬,৭৮৬ কোটি টাকা।

    ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সঞ্চয়পত্রের ঋণ বাড়ার বদলে উল্টো কমেছে ৩,১০৭ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ৪০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে এবং আগের ঋণের ৪৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ  

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ বাড়ছেই

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.