অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
চলতি সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস থেকে ইতিবাচক প্রবণতায় দেখা যায় দেশের শেয়ার বাজার। সপ্তাহের প্রথম তিন কর্মদিবসে প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে ২৭ পয়েন্ট। তবে চতুর্থ দিনে এসে লেনদেনের প্রথম ভাগে সূচক ইতিবাচক থাকলেও মুনাফা তোলার চাপে শেষ বেলায় নেতিবাচক প্রবণতায় টার্ন নেয় শেয়ার বাজার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাজারের স্বাভাবিক সংশোধন। তিন দিন ইতিবাচক থাকার পর ১২ ফেব্রুয়ারি কিছুটা সংশোধন হয়েছে। এ দিকে ১২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমলেও সিএসইতে বেড়েছে। উভয় শেয়ার বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দাম কমেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ৩৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৫২ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক শূন্য দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস থেকে ইতিবাচক প্রবণতায় দেখা যায় দেশের শেয়ার বাজার। সপ্তাহের প্রথম তিন কর্মদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে ২৭ পয়েন্ট। তবে চতুর্থ দিনে এসে লেনদেনের প্রথম ভাগে সূচক ইতিবাচক থাকলেও মুনাফা তোলার চাপে শেষ বেলায় নেতিবাচক প্রবণতায় টার্ন নেয় শেয়ারবাজার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাজারের স্বাভাবিক সংশোধন। তিন দিন ইতিবাচক থাকার পর গতকাল কিছুটা সংশোধন হয়েছে। এ দিকে গতকাল ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমলেও সিএসইতে বেড়েছে। উভয় শেয়ার বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দাম কমেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ৩৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৫২ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক শূন্য দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৯৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টি কোম্পানির, কমেছে ২০৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৭টির শেয়ারের দাম। ১২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে মোট ৩৯১ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
এ দিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২১ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৭৮০ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৭ দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৮২ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ৯৪০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
গতকাল সিএসইতে মোট ২০৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬৩টি কোম্পানির, কমেছে ১১১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫টির। দিনশেষে গতকাল সিএসইতে সাত কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল চার কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
শেয়ার বাজারে ১০ লাখ টাকার কম বিনিয়োগকারী ঋণ পাবে না- শেয়ারবাজারে যাদের ১০ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ রয়েছে এবং নিয়মিত আয়ের কোনো উৎস নেই, এমন ব্যক্তিদের জন্য শেয়ারের বিপরীতে ঋণ সুবিধা না দেয়ার সুপারিশ করেছে গঠিত টাস্কফোর্স। শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণসুবিধাবিষয়ক আইনি সংস্কারের সুপারিশসহ প্রাথমিক খসড়া প্রতিবেদন গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে দাখিল করেছেন টাস্কফোর্স সদস্যরা।
এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর শেয়ারবাজার উন্নয়নে আইনকানুন সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশের জন্য পাঁচ সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে বিএসইসি। তবে এ-সংক্রান্ত সরকারি চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় গত ১০ জানুয়ারি। টাস্কফোর্সের সদস্যরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, নিরীা প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোংয়ের অংশীদার এ এফ নেসারউদ্দীন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মোস্তফা আকবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক আল-আমিন।
খসড়া প্রতিবেদনে শেয়ারের বিপরীতে দেয়া ঋণসুবিধাসংক্রান্ত আইনি বিধিবিধান পরিবর্তন ও ঋণ দেয়ার েেত্র কিছু শর্ত ও সীমা আরোপের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়। ব্রোকারেজ হাউজের পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংককেও আইন সংশোধনের মাধ্যমে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, অবসরে থাকা বিনিয়োগকারী, গৃহিণী ও শিার্থীদেরও ঋণসুবিধার বাইরে রাখা যেতে পারে।
টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে সেসব বিনিয়োগকারীই ঋণসুবিধা পাবেন, যাদের ন্যূনতম ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। শুধু ১০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলেই হবে না, সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগের ছয় মাসের অভিজ্ঞতা না থাকলে ঋণসুবিধা না দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। শর্ত পূরণের পর শেয়ারের বিপরীতে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের প থেকে ঋণগ্রহীতার সমতা যাচাইয়ের বিধান করারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
মার্জিন ঋণসংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সুপারিশে আরো বলা হয়েছে, শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের দেয়া ঋণের মেয়াদ হবে ছয় মাস থেকে এক বছর। মেয়াদ শেষে তা আবার নবায়ন করা যাবে। কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক, প্লেসমেন্টধারী ও বিক্রয় নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা শেয়ার, গুজবনির্ভর এবং জামানত রাখা শেয়ারকে ঋণসুবিধার বাইরে রাখতে হবে। কোন ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা ঋণসুবিধা পাবেন, তার একটি তালিকা প্রতিদিন স্টক এক্সচেঞ্জের প থেকে প্রকাশের সুপারিশ করা হয়েছে টাস্কফোর্সের প থেকে।
এ দিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ শ্রেণীর কোম্পানি, যাদের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৩০-এর বেশি হবে না, সেসব শেয়ারকে ঋণযোগ্য হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে সুপারিশে। এক্ষেত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেপিই রেশিও হতে হবে ২০। টাস্কফোর্সের সুপারিশে আরো বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠান তার বিতরণ করা ঋণের ২৫ শতাংশের বেশি একক কোনো শেয়ারে ঋণ হিসেবে বিতরণ করতে পারবে না। ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা সব বিনিয়োগকারীকে বিবেচনায় নিয়ে এই বিনিয়োগসীমা পরিপালন করতে হবে। ডিএসইতে মোট ৩৯৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টি কোম্পানির, কমেছে ২০৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৭টির শেয়ারের দাম। ১২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে মোট ৩৯১ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
এ দিকে ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২১ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৭৮০ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৭ দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৮২ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ৯৪০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
১২ ফেব্রুয়ারি সিএসইতে মোট ২০৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬৩টি কোম্পানির, কমেছে ১১১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫টির। দিনশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি সিএসইতে সাত কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল চার কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
শেয়ার বাজারে ১০ লাখ টাকার কম বিনিয়োগকারী ঋণ পাবে না- শেয়ার বাজারে যাদের ১০ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ রয়েছে এবং নিয়মিত আয়ের কোনো উৎস নেই, এমন ব্যক্তিদের জন্য শেয়ারের বিপরীতে ঋণ সুবিধা না দেয়ার সুপারিশ করেছে গঠিত টাস্কফোর্স। শেয়ার বাজারে মার্জিন ঋণসুবিধাবিষয়ক আইনি সংস্কারের সুপারিশসহ প্রাথমিক খসড়া প্রতিবেদন ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে দাখিল করেছেন টাস্কফোর্স সদস্যরা।
এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর শেয়ার বাজার উন্নয়নে আইনকানুন সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশের জন্য পাঁচ সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে বিএসইসি। তবে এ-সংক্রান্ত সরকারি চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় গত ১০ জানুয়ারি। টাস্কফোর্সের সদস্যরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, নিরীা প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোংয়ের অংশীদার এ এফ নেসারউদ্দীন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মোস্তফা আকবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক আল-আমিন।
খসড়া প্রতিবেদনে শেয়ারের বিপরীতে দেয়া ঋণসুবিধাসংক্রান্ত আইনি বিধিবিধান পরিবর্তন ও ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত ও সীমা আরোপের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়। ব্রোকারেজ হাউজের পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংককেও আইন সংশোধনের মাধ্যমে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, অবসরে থাকা বিনিয়োগকারী, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীদেরও ঋণসুবিধার বাইরে রাখা যেতে পারে।
টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেয়ার বাজারে সেসব বিনিয়োগকারীই ঋণসুবিধা পাবেন, যাদের ন্যূনতম ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। শুধু ১০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলেই হবে না, সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগের ছয় মাসের অভিজ্ঞতা না থাকলে ঋণসুবিধা না দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। শর্ত পূরণের পর শেয়ারের বিপরীতে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ঋণগ্রহীতার সমতা যাচাইয়ের বিধান করারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
মার্জিন ঋণসংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সুপারিশে আরো বলা হয়েছে, শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের দেয়া ঋণের মেয়াদ হবে ছয় মাস থেকে এক বছর। মেয়াদ শেষে তা আবার নবায়ন করা যাবে। কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক, প্লেসমেন্টধারী ও বিক্রয় নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা শেয়ার, গুজবনির্ভর এবং জামানত রাখা শেয়ারকে ঋণসুবিধার বাইরে রাখতে হবে। কোন ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা ঋণসুবিধা পাবেন, তার একটি তালিকা প্রতিদিন স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে প্রকাশের সুপারিশ করা হয়েছে টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে।
এ দিকে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ শ্রেণীর কোম্পানি, যাদের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৩০-এর বেশি হবে না, সেসব শেয়ারকে ঋণযোগ্য হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে সুপারিশে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পিই রেশিও হতে হবে ২০। টাস্কফোর্সের সুপারিশে আরো বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠান তার বিতরণ করা ঋণের ২৫ শতাংশের বেশি একক কোনো শেয়ারে ঋণ হিসেবে বিতরণ করতে পারবে না। ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা সব বিনিয়োগকারীকে বিবেচনায় নিয়ে এই বিনিয়োগসীমা পরিপালন করতে হবে। ●
অকা/পবা/ফর/রাত/১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

