Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাকা না ছাপিয়ে অর্থ সহায়তা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    নভেম্বর ২৬, ২০২৪ ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আওয়ামী লীগ আমলে ব্যাপক অনিয়মের কারণে, তারল্য সংকটে ভুগতে থাকা বেসরকারিখাতের চার ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাকা না ছাপিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই অর্থ সহায়তা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এই চারটি ব্যাংক অর্থ সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল সহায়তা চেয়েছে। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৫ থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

    এই চার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে মিটিং করে— ব্যাংকগুলো কতো টাকা যোগান পেলে সংকট থেকে বের হতে পারবে, সেই তথ্য নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। পরে প্রতিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান-এমডিদের সঙ্গে পৃথকভাবে সভা করেছেন গভর্নর। তখন কোন ব্যাংককে কি পরিমাণ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ধারণা দিয়েছেন গভর্নর।

    ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান ব্যাংকগুলোর তারল্য সহায়তা নিয়ে গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার বিষয়টি টিবিএসকে নিশ্চিত করেছেন।

    বৈঠকে উপস্থিত একজন কর্মকর্তা বলেন, সভায় গভর্নর ব্যাংকগুলোকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে টাকা ছাপিয়ে তাদের সহায়তা করা হবে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম এবং বিল ও বন্ড বাজারে বিক্রির নিজস্ব আয় থেকে ব্যাংকগুলোকে এই সহায়তা দেবে।

    ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যাংকগুলো এস আলম গ্রুপের এলসি খুলতে রাজি হচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিশ্চিত করতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ভোজ্যতেল, চিনি ও আটা-ময়দার কোম্পানিগুলোর এলসি খুলতেও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক (এফএসআইবিএল)।

    ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, "বর্তমানে অন্য ব্যাংক থেকে টাকা ধার করার প্রক্রিয়াটি বেশ শ্লথগতির। আমরা পাঁচ থেকে সাতটি ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করেছি, আমাদের প্রস্তাবগুলো তারা তাদের বোর্ডের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠায়। অনুমোদন হলে একেকবারে মাত্র ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পাওয়া যায়।"

    এভাবে গত আড়াই মাসে মাত্র ১ হাজার কোটি টাকার মতো পেয়েছে এফএসআইবিএল, যা ব্যাংকের গ্রাহকদের আমানত তুলে নেওয়ার চাপ মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত নয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ন্যাশনাল ব্যাংক সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়েছে বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বেসরকারিখাতের পুরনো এই ব্যাংকটিকে ৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিতে পারে বলে জানা গেছে।

    অন্য ব্যাংক থেকে ন্যাশনাল ব্যাংক এখন পর্যন্ত ৮০০ কোটি টাকা ধার পেয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কিন্তু, আমানতকারীদের টাকা তোলার চাপের কাছে এই তহবিল তেমন স্বস্তি দিতে পারেনি ব্যাংকটিকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা পেলে ন্যাশনাল ব্যাংক তিন মাসের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে উল্লেখ করে— ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, "দীর্ঘদিন একটা পরিবারের করায়ত্ত থাকায় ব্যাংকটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহুবিধভাবে অন্যায়-দুর্নীতি হয়েছে। গত ১৫ বছরে ব্যাংকের আসল মালিক-গ্রাহকদের স্বার্থ বাদ দিয়ে মুষ্টিমেয় শেয়ারহোল্ডাররা মালিক দাবি করে এসব করেছে। গ্রাহকদের আস্থা বাড়ানোই আমার প্রথম কাজ।"

    বেক্সিমকোসহ বড় বড় কয়েকটি শিল্প গ্রুপের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে ন্যাশনাল ব্যাংকের। এসব গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ উদ্ধারের কৌশল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এখন কোন কোন ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে সেটেল করছি, যারা ১ থেকে ২ কোটি টাকার মতো ছোট অংকের ঋণ নিয়েছে। এরপর বড় বড় গ্রাহকদের সঙ্গে আমরা নেগোসিয়েশন (আলোচনা) শুরু করব। তাদের ব্যবসা বন্ধ করে— আমরা টাকা আদায়ের পথে যাব না। বরং ব্যবসা সচল রেখে কীভাবে তারা ব্যাংকের টাকা ফেরত দিতে পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেব।"

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকটের কারণে আমানতকারীদের টাকা দিতে পারছে না। অনেক গ্রাহক দিনের পর দিন ঘুরেও ব্যাংকগুলো থেকে সামান্য পরিমাণ টাকাও পাচ্ছেন না।

    তাদের মতে, আরও দুটি সংকটে থাকা ব্যাংক হচ্ছে – এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ইউনিয়ন ব্যাংক ও নাফিজ শারাফাতের মালিকানাধীন পদ্মা ব্যাংক, তবে এই দুই ব্যাংককে সহায়তা দেওয়ার জন্য ডাকেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।

    দেশের বেসরকারিখাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক-ও মারাত্মক তারল্য সংকটে পড়েছিল। তবে ব্যাংকটি এখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

    ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে — অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ করে চলার সুযোগ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ব্যাংকগুলোর ঋণের গ্যারান্টার হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর যে পরিমাণ তারল্য প্রয়োজন, এই পদ্ধতিতে সে পরিমাণ অর্থ পাচ্ছে না তারা। 

    এমন পরিস্থিতিতে অর্থ সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো যাতে আমানতকারীদের পাওনা অর্থ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি – নতুন ঋণ বিতরণ করে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রত্যক্ষ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

    আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "যেসব ব্যাংক অর্থ সংকটের কারণে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, তাদের সহায়তার জন্য খুব শিগগিরই আপনারা নতুন উদ্যোগ দেখতে পাবেন।"

    আলোচিত চারটি ব্যাংকসহ অন্তত ১২টি ব্যাংক আওয়ামী আমলের বিভিন্ন ঋণ জালিয়াতি ও অনিয়মের কারণে চরম তারল্য সংকটে রয়েছে। এরমধ্যে আটটি ব্যাংকের মালিকানায় এর আগে ছিল বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ।

    এত অনিয়ম সত্ত্বেও শেখ হাসিনার আমলের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি। এমতাবস্থায়, তারল্য সংকট আরও গভীর রূপ নেয়, কিন্তু এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকার পরেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক বিধিমালা ভঙ্গ করে সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়। 

    আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিযুক্ত হন আহসান এইচ মনসুর, তিনি দায়িত্ব নিয়েই আগের এসব অন্যায্য সুবিধা বন্ধ করেন, যাতে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা উঠে আসে। 
    ২০২৪ সালের আগস্ট শেষে, বেসরকারি খাতের ৯ ব্যাংকের চলতি হিসাবের ঘাটতি ১৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়।  

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, এস আলম গ্রুপের দখলমুক্ত করা ব্যাংকগুলোর মধ্যে, সবচেয়ে বড় ঘাটতি হচ্ছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের, যার পরিমাণ ৭ হাজার ২৬৯ কোটি টাকারও বেশি। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৩ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা, অন্যদিকে ঘাটতিতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্ষেত্রে তা ২ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.