Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    মৌলিক অধিকার থেকে পিছিয়ে চা শ্রমিকরা

    মে ৩, ২০২৪ ১২:৫৫ অপরাহ্ণUpdated:মে ৩, ২০২৪ ১২:৫৫ অপরাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন
    বংশপরম্পরায় চা শিল্পের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক। তাদের শ্রমে-ঘামে এই শিল্পের উন্নয়ন হলেও ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি শ্রমিকদের। রোদ-বৃষ্টি উপো করে দিনভর খাটুনির পর একজন স্থায়ী শ্রমিক যা মজুরি পান, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। শিা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, সুপেয় পানিসহ মৌলিক সব সূচকে পিছিয়ে রয়েছেন তারা। জরাজীর্ণ বাসস্থান আর স্বাস্থ্য সুরার বিষয়টি উপেতি থাকায় বিভিন্ন রোগে ভুগছেন অনেকে। মূল্যস্ফীতির এই সময়ে দৈনিক ১৭০ টাকা মজুরিতে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন চা শ্রমিকরা। সেখাতে আবার কিভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সুপেয় পানির চিন্তা করবো।

    শ্রমিকদের অভিযোগ, অধিকাংশ চা বাগান শিা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার যথাযথ পূরণ করে না। এছাড়া শ্রম আইন ও দ্বিপীয় চুক্তির শর্তগুলো সঠিকভাবে মানা হয় না।

    বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, দেশে অনেক পরিবর্তন এসেছে কিন্তু জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসেনি দরিদ্র চা শ্রমিকদের। চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা সংসদ (বিটিএ) ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বিপীয় চুক্তির ভিত্তিতে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। প্রতি দুই বছরের জন্য এ চুক্তি করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দৈনিক ১১৭-১২০ টাকা করা হয়। পরে ২০২২ সালে চা শ্রমিকদের আন্দোলনের পরিপ্রেেিত প্রধানমন্ত্রীর হস্তেেপ মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১৬৮-১৭০ টাকা নির্ধারণ হয়। সেটি কার্যকর হয় ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি। বর্তমানে প্রথম শ্রেণীর বাগানের শ্রমিক দিনে ১৭০ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর বাগানের শ্রমিক ১৬৯ ও তৃতীয় শ্রেণীর বাগানের শ্রমিক ১৬৮ টাকা মজুরি পান।

    চা শ্রমিক ইউনিয়ন বালিশিরা ভ্যালির সভাপতি বিজয় হাজরা বলেন, ‘সর্বশেষ দ্বিপীয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। প্রায় দেড় বছর পার হতে চলছে এখনো নতুন চুক্তি হয়নি।’

    মজুরি কম হলেও আবাসন, চিকিৎসা, রেশনের মতো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে শ্রমিকদের বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশীয় চা সংসদ সিলেট অঞ্চলের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি কম হলেও চা বাগান মালিকরা তাদের থাকার ব্যবস্থা, চিকিৎসা, রেশন ইত্যাদির মতো সুযোগ-সুবিধা সরবরাহ করেন, যা অর্থের দিক দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। সব সুযোগ-সুবিধা হিসাব করলে তাদের মাসিক মজুরি ১২-১৫ হাজার টাকা হয়, যা অন্য শিল্পের চেয়ে বেশি।’ তিনি জানান, সব কিছুর দাম বেড়েছে, শুধু চা বাদে। অধিকাংশ বাগান মালিক লোকসানে রয়েছেন। অনেক বাগান মালিক শ্রমিকের মজুরি দিতে পারছেন না। এভাবে চলতে থাকলে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না।

    স্ট্যাটিস্টিক্যাল হ্যান্ডবুক অন বাংলাদেশ টি ইন্ডাস্ট্রি বুক ২০১৯-এর তথ্য মতে, দেশের ১৬৬টি (বর্তমানে ১৬৮টি) চা বাগানে স্থায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ১ লাখ ৩ হাজার ৭৪৭। অস্থায়ী চা শ্রমিকের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৪৩৭ এবং চা জনগোষ্ঠীর মানুষ ৪ লাখ ৭২ হাজার ১২৫ জন।

    বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্যানুযায়ী, এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। এর মধ্যে অনিয়মিত ও বেকার শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। আর চা জনগোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা প্রায় আট লাখ। এদের দুই-তৃতীয়াংশ মৌলভীবাজারের ৯০টি চা বাগানে বসবাস করেন।

    দেশে যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, ম্যালেরিয়া ও জরায়ু ক্যান্সারের প্রবণতা চা শ্রমিকদের মধ্যে বেশি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মৌলভীবাজার জেলায় প্রতি বছর যে পরিমাণ যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয় এর অন্তত ৩৬ শতাংশ চা জনগোষ্ঠীর মানুষ। মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত চার বছরে ১৯ হাজার ৯১৪ যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়। এর মধ্যে শুধু চা বাগানের বাসিন্দা ৭ হাজার ২২০ বা ৩৬ শতাংশের বেশি।

    কুষ্ঠ রোগের চিত্রটা আরো ভয়াবহ। গত চার বছরে মৌলভীবাজারে ৭৬১ কুষ্ঠ রোগী শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ৬৩১ জনই চা বাগানের বাসিন্দা। মোট শনাক্তের ৮৩ ভাগই চা জনগোষ্ঠীর মানুষ।

    ২০১৯ সালে সিলেট অঞ্চলের চা বাগানগুলোর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রথমবারের মতো জরিপ চালায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। জরিপের তথ্যানুযায়ী, অপুষ্টির কারণে চা বাগানের ৪৫ শতাংশ শিশুই খর্বকায়। ২৭ শতাংশ শীর্ণকায়। স্বল্প ওজনের শিশু ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ। তাছাড়া ১৮ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে ৪৬ শতাংশ কিশোরীর এবং মা হয়ে যাচ্ছেন ২২ শতাংশ। এছাড়া ন্যূনতম স্যানিটেশন সুবিধা নেই ৬৭ শতাংশ পরিবারের।

    এর আগে ২০১৮ সালে বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) গবেষণা করে জানায়, মৌলভীবাজারে চা বাগানের প্রায় ১৫ শতাংশ নারী জরায়ু ক্যান্সারে ভুগছে।

    মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘অনুন্নত জীবন ও পরিমিত খাবারের অভাবে অপুষ্টিতে ভোগেন চা শ্রমিকরা। এ কারণে এদের মধ্যে যক্ষ্মা, কুষ্ঠ রোগের হার তুলনামূলক বেশি। তাছাড়া কোনো রোগ হলে তারা সহ্য করে চাপিয়ে রাখে। অসহ্য না হলে চিকিৎসকের কাছে আসে না, কারণ ওই দিনের মজুরি পাওয়া যাবে না এই ভয়ে। যার কারণে তাদের রোগ শনাক্ত হয় অনেক দেরিতে অনেক জটিলতাসহ। তবে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে চা বাগানে গিয়ে রোগ নির্ণয়ের কাজ করছি, যার কারণে রোগ শনাক্তের হার বেড়েছে।’

    বিভাগীয় শ্রম দপ্তর মৌলভীবাজারের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শ্রম আইনে চা শ্রমিকদের যেসব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। তাদের দাবি-দাওয়া অমূলক নয়। আবার একেবারে যে বাস্তবায়ন হচ্ছে না, তেমন না। অনেক চা বাগান তা বাস্তবায়ন করেছে। আমরা কাজ করছি শ্রমিক মালিক দুই পরে স্বার্থ রা করে।’

    অকা/চাশ্র/ফর/বিকাল, ৩ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    চা বংশগত বাসস্থান শ্রমিক সুযোগ-সুবিধা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    স্টাডি সার্কেল চীন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত: মেটলাইফ স্টেডিয়াম কেন এত বিশেষ?

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    কোথায় যাচ্ছে সোনার বাজার?

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.