Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রিজার্ভের হিসাবসংক্রান্ত আইএমএফ-এর দেওয়া শর্ত পূরণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ার শঙ্কা

    এপ্রিল ২৫, ২০২৩ ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসাবে আগামী জুনের মধ্যে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন (২৪৪৬ কোটি) ডলার থাকতে হবে। কিন্তু এ মুহূর্তে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন (৩ হাজার ১১৮ কোটি) ডলার এবং ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ২ হাজার ৩১৮ কোটি ডলার। সামনে আকু (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন-এসিইউ) পেমেন্ট হলে ১৭ কোটি ডলারের বেশি কমবে। তাই রিজার্ভের হিসাবসংক্রান্ত আইএমএফ-এর দেওয়া শর্ত পূরণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে সরকার। এমন অবস্থায় আজ ঢাকায় সাত দিনের সফরে আসছে আন্তর্জাতিক এই দাতা সংস্থার একটি প্রতিনিধিদল। রিজার্ভ ছাড়াও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের শর্ত হিসাবে আর্থিক, রাজস্ব ও প্রশাসনিক খাতের সংস্কারের ঘোষণা কতটা থাকছে, সেটিও জানতে চাওয়া হবে। ২ মে বাংলাদেশ ছাড়ার আগে আইএমএফ-এর প্রতিনিধিদলটি অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, এনবিআর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

    সূত্র জানায়, সফরকালে অর্থনীতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রভাব এবং ব্যবস্থাপনা পদক্ষেপের ফলে সরকারের জ্বালানি আমদানি কতটা কমেছে, তা পর্যালোচনা করবে দলটি। যদিও সামগ্রিক ভর্তুকি আইএমএফ নির্ধারিত সীমায় আটকে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে সারের দাম বাড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্য সেপ্টেম্বর থেকেই তিন মাস পর পর আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে নিট ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনবে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    এছাড়া জুনের আগে ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়াটি বিল আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপনের শর্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়াটি মন্ত্রিসভা চ‚ড়ান্ত অনুমোদন করেছে। আসছে বাজেট অধিবেশনে এটি বিল আকারে উত্থাপন করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে।

    সূত্র আরও জানায়, ঋণের শর্তের অগ্রগতি যাচাই করতেই আইএমএফ প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে। সংস্থার কাছ থেকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন (৪৭০ কোটি) ডলারের ঋণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন তাদের বেঁধে দেওয়া সময়ে সংস্কার প্রতিশ্র“তির বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে চাওয়া হবে। পাশাপাশি নভেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য কতটুকু সংস্কার করতে হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে।

    এই সফরের পর সেপ্টেম্বরে আরও একদফা পর্যবেক্ষণে আইএমএফ প্রতিনিধিদল আসবে। ওই সময়ে সর্বশেষ শর্তগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর রিপোর্ট করা এবং এর ওপর ভিত্তি করে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় হবে। আইএমএফ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাত কিস্তিতে ঋণ বিতরণ করবে। ৩০ জানুয়ারি ৪৭৬.২ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করা হয়েছে।

    এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, আর্থিক ও রাজস্ব খাতের সংস্কারের অগ্রগতির জবাব প্রস্তুত করা হয়েছে। ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের সার্বিক অগ্রগতিতে আইএমএফ টিম সন্তোষ হবে বলে আশা করছেন। তার মতে, ব্যাংক

    ঋণের সুদহারে করিডর গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সেটি বলেছেনও। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নিয়ে কাজ করছে। এ করিডর গ্রহণ করা হলে বর্তমান সুদহারের ওপর আরোপিত ক্যাপ উঠে যাবে। ফলে সুদহার বর্তমানের তুলনায় বাড়বে। এছাড়া বাজারভিত্তিক বিনিময় হার প্রতিষ্ঠা করা হবে। আর এসব কার্যকরের সম্ভাবনা রয়েছে জুলাই থেকে।

    জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন জানান, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অঙ্ক আগামী জুনের মধ্যে ২৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু এখনো ওই পর্যায়ে তা পৌঁছেনি। জুনের এখনো দুমাস বাকি আছে। ওই সময়ে রিজার্ভ পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম। আর শর্তপূরণে ব্যর্থ হলে সংস্থাটির স্টপ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে একটি ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে। নরমালি ওয়েভার চাইতে গেলে ঋণের সুদহারের ক্যাপ তুলে দেওয়া, মুদ্রা বিনিয়ম হার বাজারভিত্তিক করার অঙ্গীকার চাইতে পারে সংস্থাটি। তিনি আরও বলেন, আইএমএফ-এর শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে জিডিপির শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। তার মতে, ঋণের শর্ত অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। সেগুলো কীভাবে মিট করবে, এখন দেখার বিষয়। তিনি বলেন, ঋণের সুদহারে করিডর কার্যকর ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। করিডর সিস্টেম কবে থেকে কার্যকর, রিজার্ভের ঘাটতির হিসাবটি সমন্বয় এবং রাজস্ব আদায়ে প্রশাসনে সংস্কার কীভাবে হবে, সেসব বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিশ্র“তি দেওয়া হয় আশা করছি।

    এদিকে আগামী বাজেটে আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণে আর্থিক, রাজস্ব ও প্রশাসনিক খাত সংস্কারের কতটা ঘোষণা থাকছে, এটি দেখার জন্য আইএমএফ প্রতিনিধিদল ঢাকা আসছে বলে জানিয়েছেন আইএমএফ-এর সাবেক কর্মকর্তা ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ঋণের শর্ত এখন ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। রাজস্ব আদায়ের একটি লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চয় ঠিক করা হবে। অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা ও সরকারের প্রস্তুতির অভাবের কারণে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে না। তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সরকারের উচিত হবে। বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার নিচে আছে রিজার্ভ। এটি বাড়াতে হবে। রিজার্ভের ব্যবস্থাপনা বাজারভিত্তিক হবে কি না, এটি দেখার বিষয়। কারণ, সরকার বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা বিশ্বাস করে না। এই অর্থনীতিবিদ মনে করেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের হিসাব এবং বাজেটে শর্তের সংস্কার কতটা ঘোষণা থাকছে এই সফরে, তা মূল্যায়ন করবে আইএমএফ।

    অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, সফরকালীন আইএমএফ প্রতিনিধিদলের কাছে জুনের মধ্যে রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত এবং কর-জিডিপি অনুপাত শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। অর্থ বিভাগ মনে করছে, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, এডিপি, জাইকা ও কোরিয়ার কাছে বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দেড় থেকে দুইশ কোটি মার্কিন ডলার পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা রিজার্ভের নিট হিসাব বাস্তবায়নে সহায়তা হিসাবে যোগ হবে।

    এদিকে আইএমএফ-এর শর্ত অনুযায়ী আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং শুল্ক খাতে চলমান প্রবৃদ্ধিসহ অতিরিক্ত ১৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে হবে। এই বাড়তি আদায়ের ক্ষেত্রে এরই মধ্যে এনবিআর একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে। সেখানে বলা হয়, অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের জন্য আগামী বাজেটে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক খাতে কর অব্যাহতি কমিয়ে আনা হবে। কর হার বাড়ানো, কর জাল সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক করদাতাদের অডিট কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) চালু, কর অঞ্চল সম্প্রসারণ, কর আদায়ের খরচ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভ্যাট অডিট জোরদারকরণ, ভ্যাট ফাঁকি রোধে ভ্যাট গোয়েন্দার কার্যক্রম গতিশীল করা, আয়কর অনুবিভাগের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভ্যাট আদায় বাড়ানো হবে। বিলাসী পণ্যের ক্ষেত্রে অব্যাহতি সুবিধা উঠিয়ে দেওয়া, মোবাইল ফোন বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট আরোপসহ ভ্যাট হারও পুনর্বিন্যাস করা হবে। আর এই কৌশলপত্র তুলে ধরা হবে সফররত আইএমএফ প্রতিনিধি দলটির কাছে।

    আইএমএফ-এর ঋণ চুক্তিতে প্রায় ৩৮টি শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে আগামী জুন ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে, সেগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি যাচাই করবে সংস্থাটি। এছাড়া ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে যেসব শর্ত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে সরকার, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আগামী বাজেটে কী কী উদ্যোগ থাকছে, তা-ও পর্যালোচনা করবে সংস্থাটি।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ 

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    রিজার্ভের হিসাবসংক্রান্ত আইএমএফ-এর দেওয়া শর্ত পূরণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ার শঙ্কা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.