Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    লভ্যাংশ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের কি লাভ তবে!

    এপ্রিল ১৭, ২০২২ ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি বছর যেসব কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, সেগুলোর মধ্যে প্রায় সবগুলোর শেয়ারদর রেকর্ড ডেটের পর এত বেশি কমে গেছে যে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ নিয়ে কোনো মুনাফা থাকছে না। রেকর্ড ডেটের পর বোনাস শেয়ার হিসাব করে দাম সমন্বয় হলেও নগদ লভ্যাংশে দাম সমন্বয় হয় না। তবে সমন্বয় না হলেও যে পরিমাণ নগদ লভ্যাংশ দেয়া হয়, সেই পরিমাণ বা তার চেয়ে দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে পুঁজিবাজারে।

    পুঁজিবাজারের কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ দেয় দুইভাবে। ১. বোনাস শেয়ার, ২. নগদ। এর মধ্যে যত শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়া হয়, রেকর্ড ডেটের পর তত শতাংশ দর সমন্বয় করা হয়। নগদ লভ্যাংশ শনাক্ত হয় না। তবে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে যত টাকা নগদ লভ্যাংশ দেয়া হয়, তত টাকা বা তার চেয়ে বেশি অর্থ শেয়ারদর থেকে কমে যাওয়ার প্রবণতা আছে।

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে বোনাস শেয়ারের বদলে নগদ লভ্যাংশে উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি চাপও তৈরি করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ও সরকার। কেবল বোনাস শেয়ার দিলে কোম্পানিগুলোকে বাড়তি কর পরিশোধ করতে হচ্ছে। আবার বোনাস শেয়ার কেন দেয়া হবে, তার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করে এর জন্য বিএসইসির কাছ থেকে আলাদা অনুমতি নিতে হচ্ছে।

    এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ছাড়া অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে একবার নগদের জন্য এবং একবার বোনাস শেয়ারের জন্য রেকর্ড ডেট দিতে হচ্ছে।

    কিন্তু এভাবে নগদ লভ্যাংশেও যদি বিনিয়োগকারীর লোকসান হয়, তাহলে তারা কেন লভ্যাংশ নিতে আগ্রহী হবেন- এ বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলছে না।

    ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবার লভ্যাংশ দেবে সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস। লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ২৮ মার্চে শেয়ার দর ছিল ৭৬ টাকা ২০ পয়সা। বোনাস সমন্বয়ের পর দর দাঁড়ায় ৬৯ টাকা ৩০ পয়সা। বর্তমান দর ৬৩ টাকা ১০ পয়সা।

    অর্থাৎ বোনাস সমন্বয়ের পরও দাম কমেছে ৬ টাকা, যদিও নগদ লভ্যাংশ পাওয়া যাবে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, যার থেকে সাড়ে ১৭ বা সোয়া ২৬ পয়সা কাটা হবে কর হিসেবে।

    ব্যাংক এশিয়া ২০২১ সালের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ, অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি দেড় টাকা করে বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৬ মার্চ ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৬ এপ্রিল। দর ছিল ২০ টাকা ৬০ পয়সা। রেকর্ড ডেট শেষে দর কমার সুযোগ ছিল প্রথম দুই দিন ৪০ পয়সা করে। এরপর ২০ টাকার নিচে নেমে আসার পর দর কমার সুযোগ কমে হয় ৩০ পয়সা। পাঁচ কর্মদিবসের প্রথম দুই দিন ৪০ পয়সা করে এবং পরের তিন দিন কমে ৩০ পয়সা করে।

    এরই মধ্যে কমেছে ১ টাকা ৭০ পয়সা। অর্থাৎ লভ্যাংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া বিনিয়োগকারীর শেয়ারপ্রতি লোকসান ২০ পয়সা, সঙ্গে করের ১৫ বা সাড়ে ২২ পয়সা।

    লোকসান দিয়ে বের হয়ে যাওয়াও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীদের জন্য এই কারণে যে, প্রতিদিনই দরপতনের প্রান্তসীমায় বসিয়েও শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না। রেকর্ড ডেটের পর প্রথম দিন তিন খাতের বেশি শেয়ার হাতবদল হলেও এরপর এক দিন কেবল ১ হাজার ৫১০টি, আরেক দিন ১ হাজার ৪৫১টি, এক দিন ১ লাখ ৮ হাজার ৪৭৭টি, এক দিন ২৪ হাজার ৭৮০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

    উত্তরা ব্যাংক এবার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ২৮ শতাংশ, অর্ধেক বোনাস, অর্ধেক নগদে। রেকর্ড ডেট ৬ এপ্রিল দর ছিল ২৮ টাকা ৯০ পয়সা। বোনাস সমন্বয়ের পর দর দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৪০ পয়সা। বর্তমান দর ২৩ টাকা ৩০ পয়সা।

    অর্থাৎ দাম সমন্বয়ের পরও কমেছে ২ টাকা ২০ পয়সা, যদিও নগদ লভ্যাংশ মিলবে ১ টাকা ৪০ পয়সা, যার থেকে ১৪ বা ২১ পয়সা কাটা হবে কর হিসেবে।

    ব্র্যাংক ব্যাংক এবার লভ্যাংশ দিয়েছে ১৫ শতাংশ, যার মধ্যে নগদ ও বোনাস সমান সমান সাড়ে ৭ শতাংশ করে।

    রেকর্ড ডেট ৬ এপ্রিল দর ছিল ৪৯ টাকা ৭০ পয়সা। বোনাস সমন্বয়ে দর দাঁড়ায় ৪৬ টাকা ৩০ পয়সা। বর্তমান দর ৪৫ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ দাম সমন্বয়ের পরও কমেছে আরও ১ টাকা ১০ পয়সা, যদিও নগদ লভ্যাংশ পাওয়া যাবে ৭৫ পয়সা। এ থেকে আবার ১০ বা ১৫ শতাংশ কাটা হবে কর।

    শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এবার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ৫ শতাংশ বোনাস আর শেয়ারপ্রতি এক টাকা বা ১০ শতাংশ নগদ।

    রেকর্ড ডেট ৬ এপ্রিলে ব্যাংকটির শেয়ারদর ছিল ২১ টাকা ৭০ পয়সা। বোনাস শেয়ার সমন্বয়ে দর দাঁড়ায় ২০ টাকা ৭০ পয়সা। পাঁচ কর্মদিবস পর দর দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ১০ পয়সা।

    বহুজাতিক কোম্পানি লিনডে বিডি এবার লভ্যাংশ দেবে শেয়ার প্রতি ৫৫ টাকা। রেকর্ড ডেট ৩১ মার্চ শেয়ারদর ছিল ১ হাজার ৫৮১ টাকা ৪০ পয়সা। বর্তমান দর ১ হাজার ৪৩৮ টাকা ৬০ পয়সা। কমেছে ১৪২ টাকা ৮০ পয়সা।

    অর্থাৎ যারা লভ্যাংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদের শেয়ারপ্রতি লোকসান ৯০ টাকার বেশি।

    বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেনকিনজার এবার লভ্যাংশ দেবে শেয়ারপ্রতি ১৬৫ টাকা। রেকর্ড ডেট ৩ মার্চ শেয়ারদর ছিল ৫ হাজার ৩৮৮ টাকা ৪০ পয়সা। লভ্যাংশ নগদ আসায় দর সমন্বয়ের কোনো বিষয় ছিল না। তবে এখন দর কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩৩ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ কমেছে ১৫৫ টাকা ১০ পয়সা।

    অর্থাৎ লভ্যাংশ ১৬৫ টাকা থেকে ১৬ টাকা ৫০ পয়সা বা ২৪ টাকা ৭৫ পয়সা কর কাটলে বিনিয়োগকারীর লোকসান হবে।

    গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছর শেষে ইউনিট মূল্যের তুলনায় দারুণ লভ্যাংশ ঘোষণা করা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ যারা পেয়েছেন, তাদের সবাই বেশ লোকসানে আছেন।

    যেমন পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এটি ইউনিটপ্রতি গতবার ৮৫ পয়সা করে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। রেকর্ড ডেট ১৫ সেপ্টেম্বর দাম ছিল ৭ টাকা। অর্থাৎ ইউনিট দরের ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ লভ্যাংশ হিসেবে পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

    সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলেও এত বেশি হারে মুনাফা পাওয়া যায় না। আবার মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লভ্যাংশ করমুক্ত বলে প্রকৃত লভ্যাংশ আরও বেশি। কিন্তু যারা লভ্যাংশ নিয়ে ইউনিট ধরে রেখেছেন, তাদের মুখে হাসি নেই।

    ইউনিট দর এখন নেমেছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ লভ্যাংশ বিবেচনায় নিলেও ইউনিটপ্রতি আরও ৮৫ পয়সা লোকসানে আছেন বিনিয়োগকারীরা।

    গত জুনে প্রায় সব কটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশের হার ছিল সঞ্চয়পত্রের হারের চেয়ে বেশি। কিন্তু সব কটির লভ্যাংশ গ্রহণের পর ইউনিটমূল্য কমে গেছে অনেকটাই।

    লোকসান হতে থাকলেও বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারী বা পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে খুব একটা ভাবনা আছে- এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

    মাসুম জামান নামে একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বলেন, ‘লভ্যাংশ ঘোষণার পরে দর সমন্বয় হয়ে থাকে। ফান্ডামেন্টাল ভালো এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে লভ্যাংশ গ্রহণের পরে শেয়ারটি ধরে রাখলে দর ফিরে পাওয়া যায়। খুব বেশি সময় লাগে না। তবে পচা শেয়ার হলে সেটা বছরও লাগতে পারে।’

    পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পুঁজিবাজার স্থিতিশীল না থাকার কারণে ভালো লভ্যাংশ ঘোষণার পরেও দর কমছে। নগদ লভ্যাংশের পরে খুব বেশি দাম কমে না। বরং ভালো লভ্যাংশ দিলে বাড়তেও দেখা যায়। বিনিয়োগকারীরা এই মুহূর্তে ক্যাপিটাল গেইন করতে পারছেন না। তবে ডিভিডেন্ড গেইন করে শেয়ারটি ধরে রাখলে আবারও দর ফিরে পাবে শেয়ারগুলো। তখন ক্যাপিটাল গেইন করতে পারবেন।’

    নগদ লভ্যাংশের ক্ষেত্রে দর সমন্বয়েও বিনিয়োগকারীদের খুব বেশি লোকসান দেখছেন না পুঁজিবাজারের রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ রশিদ লালী। তিনি বলেন, ‘নগদ অথবা বোনাস, উভয় ক্ষেত্রেই প্রাইস অ্যাডজাস্ট হয়। ক্যাশ ডিভিডেন্ড হলে কম হয়, স্টক হলে বেশি হয়। তবে কোম্পানির কোনো স্পেসিফিক গ্রোথ থাকলে দর বাড়ে, সেটা ভিন্ন বিষয়। তবে অ্যাডজাস্ট হবেই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘লভ্যাংশ ঘোষণার পরে একটা বিক্রয় চাপ আসে। বোনাস শেয়ার হলে সেটা আরও বেশি হয়, তখন সমন্বয় হয়। তবে সমন্বয়ের পরে দর সেখানে থাকে না। রিগেইন হয়ে যায়। তবে আমাদের বাজারের কোনো কিছুই পূর্বানুমান করা যায় না।’

    #

    অকা/পুঁবা/দুপুর, ১৬ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    লভ্যাংশ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের কি লাভ তবে!

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    মার্কিন রায়ে শুল্ক-ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

    অতিমূল্যায়িত অবকাঠামো ও ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    এডিপিতে নজিরবিহীন ধীরগতি

    এক দিনের মধ্যেই জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক পরিশোধ

    এলপি গ্যাসে ভ্যাট কমলো – দামে স্বস্তির ইঙ্গিত

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.