Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    হুন্ডিতেই এসেছে রেমিট্যান্সের বড় অংশ

    এপ্রিল ২৪, ২০২৩ ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশই এসেছে হুন্ডিতে। ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে তুলনামূলকভাবে কম। হুন্ডিতে রেমিট্যান্স বেশি আসায় ওইসব ডলার চলে গেছে কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে। এতে কার্ব মার্কেটে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। একই সঙ্গে চাহিদা ও দাম বেড়েছে।

    রোজার আগে কার্ব মার্কেটে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১৩ থেকে ১১৪ টাকা। তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬ থেকে ১১৮ টাকায়। রোজার শুরুতে কার্ব মার্কেটে ডলারের বেশ চাহিদা ছিল। ওই সময়ে দাম ১১৪ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে ছিল। অক্টোবরে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২০ টাকা উঠেছিল। 

    ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা। মানি এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো বিক্রি করছে ১১২ থেকে ১১৩ টাকায়। 

    সূত্র জানায়, এবার ঈদের আগে ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এসেছে ৯৬ কোটি ডলার। ঈদের আগে সাধারণত রেমিট্যান্স বাড়ে। এই বাড়ার মধ্যেই এলো মাত্র ৯৬ কোটি ডলার। চলতি মাসের বাকি সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যেতে পারে। এতে রেমিট্যান্স ২০০ কোটি ডলারের নিচে নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ১০২ কোটি ডলার। এ মাসে রেমিট্যান্স গড় আরও কমে যাবে। তবে ব্যাংকাররা জানান অন্য কথা। তাদের মতে, অনেক বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। সেগুলোর একটি বড় অংশ নগদ আকারে ও হুন্ডির অন্যান্য উপকরণের মাধ্যমে এসেছে। 

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলএও) আগের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট রেমিট্যান্সের ৪০ শতাংশ আসে ব্যাংকিং চ্যানেলে। বাকি ৬০ শতাংশের মধ্যে ৩০ শতাংশ নগদ আকারে ও বাকি ৩০ শতাংশ হুন্ডির মাধ্যমে। নগদ আকারে আসা রেমিট্যান্সের প্রায় পুরোটাই হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন হয়। 

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বেশ কয়েক বছর আগে এক অনুষ্ঠানে তার ব্যক্তিগত গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, রেমিট্যান্সের ৪২ শতাংশ আসে হুন্ডির মাধ্যমে। বাকি ৫৮ শতাংশ আসে ব্যাংকের মাধ্যমে। 

    সম্প্রতি পরিকল্পনামন্ত্রীও বলেছেন, হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বেশি আসছে। এসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ঈদে সাধারণত রেমিট্যান্স বাড়ে। এবারের রেমিট্যান্সের গতি-প্রকৃতি দেখলে মনে হয় ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়েনি। রেমিট্যান্স বেশি এসেছে হুন্ডির মাধ্যমে। কারণ রেমিট্যান্সপ্রবণ এলাকাগুলোতে নগদ টাকার চাহিদা বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, মানিকগঞ্জ। এসব এলাকায় নগদ টাকার চাহিদা বেশি বেড়েছে। হুন্ডিতে আসায় ডলার ব্যাংকে জমা হয়নি। কিন্তু নগদ টাকার চাহিদা বেড়েছে। এছাড়া বেশকিছু ডলার কার্ব মার্কেটে চলে গেছে। যে কারণে কার্ব মার্কেটে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। 

    বিশেষ করে যে প্রবাসী ঈদের ছুটিতে দেশে এসেছেন তাদের মাধ্যমে অন্য প্রবাসীরা নগদ আকারে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। সেগুলো ব্যাংকে না এসে কার্ব মার্কেটে চলে গেছে। কারণ কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম ব্যাংকের চেয়ে ৭ থেকে ৮ টাকা বেশি। ব্যাংকে নগদ ডলার কেনা হয় ১০৬ থেকে ১০৭ টাকার মধ্যে। কার্ব মার্কেটে বিক্রি হচ্ছে ১১৩ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে। ফলে বাড়তি লাভের আশায় অনেকেই ডলার কার্ব মার্কেটে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তদারকির ফলে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম ব্যাংকের কাছাকাছি নেমে এসেছিল। এখন আবার তা বেড়ে গেছে। এর কারণ হিসাবে সংশ্লিষ্টরা জানান, রোজার শুরুর পর বাংলাদেশ থেকে ঈদের মার্কেট করতে কলকাতায় গেছেন অনেকে। অন্য সময়ের তুলনায় এবারের ঈদে এই প্রবণতা বেশি ছিল। এ খাতে ব্যাংক থেকে ডলার মেলেনি। ফলে কার্ব মার্কেট থেকেই ওই সব ডলার গেছে বেশি। যে কারণে রোজার শুরুতে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেড়েছে। ঈদের পর একটি শ্রেণি বিদেশ ভ্রমণে যাবে। এ খাতেও এখন ব্যাংক থেকে ডলার মিলছে খুবই কম। ফলে বেশিরভাগ ডলারই যাচ্ছে কার্ব মার্কেট থেকে। এ কারণে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১৯ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ 

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    হুন্ডিতেই এসেছে রেমিট্যান্সের বড় অংশ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.