Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ২০২২ সালে আমানতে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি

    আগস্ট ১৪, ২০২৩ ৪:২২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    গত ১১ বছরের মধ্যে ব্যাংক খাতের আমানতে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০২২ সালে। তবে গত বছর ব্যাংক খাত থেকে দেওয়া ঋণের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে মাত্র ৫.৭ শতাংশ। ২০২১ সালেও ১০ শতাংশ হারে আমানত বেড়েছিল। সে হিসাবে এক বছরের মধ্যে আমানতের প্রবৃদ্ধি অর্ধেকে নেমে এসেছে। 

    ২০১৩ সালে আমানতে ১৬.০৮ শতাংশ এবং  তার আগের বছর ২০.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। 

    খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে দেশের ব্যবসা নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কোভিডের সময়ে আমদানি অনেক কমে গেলেও ২০২১ সাল থেকে আমদানি আবার বাড়তে থাকে। ফলে ব্যবসায়ীদের প্রচুর ব্যাংকঋণের প্রয়োজন হয়। ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি বাড়ার পেছনে এটি একটি বড় কারণ। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যালোচনা বছরে আমানত ও ঋণের ব্যবধান কিছুটা কম হলেও, ঋণের সামগ্রিক চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো আমানতের ঘাটতিতে ভোগেনি। ২০২২ সালে আমানতের প্রবৃদ্ধির তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি ছিল। 

    মোট ঋণ ও অ্যাডভান্স ছিল ১৫.০৩ লক্ষ কোটি টাকা, যার বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩.৫ শতাংশ। আর মোট আমানত ছিল ১৬.০৩ লক্ষ কোটি টাকা—বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৬ শতাংশ। ঋণের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি ভবিষ্যতে ব্যাংকের তারল্য ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কেন্দ্রীয় প্রবৃদ্ধি কমার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের সঞ্চয়ের পরিমাণ কমে যাওয়া। 

    তিনি আরও বলেন, এর সঙ্গে ২০২২ সালের শেষদিকে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো থেকে অনিয়ম করে প্রচুর পরিমাণ ঋণ দেওয়ার তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার প্রভাব পড়ে ব্যাংক খাতে। 

    ওই কর্মকর্তা বলেন, এই সময়ে গ্রাহকদের মধ্যে আমানত তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ফলে আমানত আশঙ্কাজনক হারে কমে যায় এসব ব্যাংকে। পাশাপাশি ওই ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সংকট থেকে এখনও পুরোপুরি বের হতে পারেনি ব্যাংকগুলো।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে কম, কিন্তু ঋণ ও অ্যাডভান্সের ক্ষেত্রে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিপরীতে, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমানতের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করেছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ ও অ্যাডভান্সে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে তারই প্রতিফলন দেখা গেছে।

    মোট আমানতের প্রায় অর্ধেকই মেয়াদি আমানত। ২০২২ সালে মেয়াদি আমানতের হিস্যা কিছুটা কমে ৪৫.৯ শতাংশে নেমে এসেছে (২০২১ সালে ছিল ৪৮.৫ শতাংশ)। আর চলতি আমানত (কারেন্ট ডিপোজিট), সঞ্চয়ী আমানত (সেভিংস ডিপোজিট) ও অন্যান্য আমানতের হিস্যা ছিল যথাক্রমে ২২.২ শতাংশ, ২৩.৮ শতাংশ ও ৮.২ শতাংশ। মেয়াদি আমানতের হিস্যা বেশি হলে ব্যাংকগুলোর অর্থায়নের উৎস বেশি স্থিতিশীল হয়, যা ব্যাংকগুলোকে তহবিল স্থিতিশীলতা দেয়।

    গত বছর মোট আমানতের ৩২.৭ শতাংশ ছিল শীর্ষ ৫ ব্যাংকের দখলে, আর ১০টি ব্যাংকে ছিল ৪৬.৪ শতাংশ আমানত। আমানত রাখায় শীর্ষ পাঁচ অবস্থানে আছে চারটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক ও একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। আগের বছরগুলোতে শীর্ষ ৫ ব্যাংক ও শীর্ষ ১০ ব্যাংকে আমানতের হিস্যা ছিল যথাক্রমে ৩৪.২ শতাংশ ও ৪৮.২ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, আমানতের প্রবৃদ্ধি কমার পেছনে মূল্যস্ফীতি একটি বড় কারণ। 'মানুষের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা ব্যাংকে টাকা জমা রাখার তুলনায় হাতে বেশি টাকা রাখছে। ফলে এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে আমানতের প্রবৃদ্ধিতে,' বলেন তিনি।

    সমাজের কোন শ্রেণির ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের দরিদ্র শ্রেণির লোকেদের সঞ্চয় খুব কম থাকে। তাদের দৈনন্দিন আয় দিয়ে তারা খরচ চালায়। 

    জাহিদ হোসেন আরও বলেন, 'আমাদের আমানতের বড় একটা অংশ আসে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণির কাছে থেকে। মূল্যস্ফীতির কারণে মধ্যবিত্ত শ্রেণির সঞ্চয়ে বড় প্রভাব পড়েছে। জীবনযাপনের খরচ মিটিয়ে তারা খুব বেশি সঞ্চয় করতে পারছে না।' 

    এই অর্থনীতিবিদ বলেন, মূল্যস্ফীতির প্রভাব উচ্চবিত্ত শ্রেণির জীবনযাপনের ওপর পড়ার কথা নয়; দেশের আমানতের বড় অংশই এ জনগোষ্ঠীর। তাই সামগ্রিকভাবে আমানত কমার কারণ বলা কঠিন।

    পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, মানুষ ব্যাংকিং খাতে আমানত না রেখে ফ্ল্যাট বা জমি কিনছে, কারণ তারা এ খাতের ওপর আস্থা হারিয়েছে। 'এর ফলে মহামারির পর থেকে ফ্ল্যাট ও জমির দাম অনেক বেড়েছে। কোনো অর্থনীতিতে যখন কালো টাকা বাড়ে, তখন সেই টাকা প্রায়ই এই খাতে বিনিয়োগ করা হয়,' বলেন তিনি। 

    ব্যাংকিং খাতে আমানত কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে পেমেন্টের ভারসাম্যের ক্রমবর্ধমান ঘাটতি, অর্থপাচার ও ডলার সংকটকে উল্লেখ করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। 'দেশ থেকে প্রচুর অর্থ পাচার হচ্ছে, যার ফলে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। এর ফলে আমানত হ্রাস পাচ্ছে,' বলেন তিনি।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল, ১৪ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ২০২২ সালে আমানতে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.