Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ২ মাঘ, ১৪৩২ | ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ২০২৪ সালের শেষ ছয় মাসে দেশে খেলাপি ঋণ বেড়েছে

    মার্চ ১, ২০২৫ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ10
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৪ সালের শেষ ছয় মাসে দেশে খেলাপি ঋণ ১.৩৪ লাখ কোটি টাকা বেড়ে ডিসেম্বর মাসে মোট ৩.৪৫ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য উপস্থাপন করার সময় গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর লুকিয়ে রাখা খেলাপি ঋণ সামনে আসছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন পরিসংখ্যানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের ২০.২ শতাংশ।

    আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের জুন মাসের শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২.১১ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১২.৫৬ শতাংশ ছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে খেলাপি ঋণ ছিল ১.৪৫ লাখ কোটি টাকা, যা তখনকার মোট ব্যাংক ঋণের ৯ শতাংশ ছিল।

    ব্যাংকারদের মতে, মন্দ ঋণের বৃদ্ধি শেখ হাসিনার ১৫ বছরের বেশি শাসনামলের পর শুরু হয়েছে, যেখানে 'উইন্ডো ড্রেসিং'-এর মত প্রচলিত কৌশল ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণের পরিসংখ্যান গোপন করতে সাহায্য করেছিল। [উইন্ডো ড্রেসিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো দেখানোর চেষ্টা করে, যদিও বাস্তবে তা সঠিক নয়।]

    সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আরও জানান, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির মূল কারণ হলো মন্দ ঋণের প্রতিবেদন তৈরিতে দীর্ঘকাল ধরে যে স্বচ্ছতার অভাব ছিল, সেটি শেষ হওয়া এবং ঋণ শ্রেণীবিভাগ নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন।

    পূর্বে, ঋণগুলো ২৭০ দিন পর বকেয়া হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হতো। কিন্তু এখন সময়সীমা ১৮০ দিনে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। গভর্নর আরও বলেন, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ঋণগুলো মাত্র ৯০ দিনের মধ্যে অকার্যকর হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে।

    গভর্নর বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের অন্তত ৪২ শতাংশ অকার্যকর হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ ছিল। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ১৫ শতাংশ অকার্যকর ছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই নতুন কঠোর নীতির ফলে আগামী মাসগুলোতে খেলাপি ঋণ আরও বাড়তে পারে।

    এ মাসের শুরুর দিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। মুদ্রানীতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ জুন মাসের মধ্যে মোট বকেয়া ঋণের ৩০ শতাংশের বেশি হয়ে যেতে পারে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কাঠামোগত দুর্বলতা, নিয়মকানুনের ফাঁক এবং অর্থপাচার ও অবৈধ মূলধন পাচারের মতো শোষণমূলক প্রথা।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি ব্যাংক ভয়াবহ তারল্য সংকটে পড়েছে, যা খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, টাকা জমার হার কমে আসা এবং দুর্বল ঋণ পুনরুদ্ধারের কারণে আরও খারাপ হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বেশ কয়েকটি বড় ঋণ পরিদর্শন বিভাগের মাধ্যমে অকার্যকর হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়েছে। এছাড়া, কিছু ঋণ আবারও খেলাপি হয়েছে কারণ পুনঃনির্ধারিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হয়নি।

    গত ছয় মাসে, ব্যাংকগুলোতে নতুন ঋণ বিতরণ এবং ঋণ নবায়নের পরিমাণ কমে গেছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়া, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের ঋণের জন্য অতিরিক্ত সময়সীমা কমিয়ে দেওয়ার কারণে অনেক ঋণ খেলাপি হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মান পুনরায় চালু করাকেও দায়ী করছেন, যা ২০২০ সালে মহামারি চলাকালে স্থগিত করা হয়েছিল। এই কঠোর পদক্ষেপগুলো এই খাতের আর্থিক অবস্থাকে হতাশাজনকভাবে উপস্থাপন করলেও, আরও সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে সাহায্য করছে।

    মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, বেশ কিছু কারণে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ ব্যাংকগুলো অনেক গ্রাহকের ঋণ নিয়মিত দেখিয়েছিল, যেগুলো প্রকৃত অর্থে খেলাপি ছিল। এখন সেসব ঋণ নতুন করে খেলাপি হচ্ছে।

    তিনি বলেন, 'এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ ক্লাসিফিকেশন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী করার কারণেও কিছু ঋণ খেলাপি হচ্ছে।'

    মাহবুবুর বলেন, 'জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র বিক্ষোভ এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে অনেক ঋণগ্রহীতা তাদের ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। এটিও খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে।'

    তিনি বলেন, এসএমই খাতের অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যার কারণে অনেক গ্রাহক খেলাপি হয়েছেন। এছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় অনেক কারখানা যথাযথ উৎপাদন করতে পারেননি। একইসঙ্গে গার্মেন্ট কারখানাগুলোর শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনকেও খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

    বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর এস আলম ও বেক্সিমকো গ্রুপের মন্দ ঋণের পরিমাণ বেড়িয়ে এসেছে। এছাড়া বেশ কিছু বড় বড় গ্রুপের ঋণে অনিয়মের তথ্য এসেছে। এসব গ্রুপের বেশি কিছু ঋণ ইতোমধ্যে খেলাপি হয়েছে।

    একটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র বের হয়ে আসা উচিত। পুরোপুরি চিত্র বেরিয়ে আসলে তখন সংস্কারের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।

    তিনি বলেন, 'দ্রুত সময়ে পরবর্তী নির্বাচন হয়ে গেলে, খেলাপি ঋণের তথ্য পুরোপুরি বের হবে না। পরে নতুন সরকার বড় ঋণ খেলাপিদের সাথে সমঝোতা করে এসব ঋণ পুনরায় নিয়মিত করে নেবে।' ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল, ০১মার্চ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধীরগতি: গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যয় দেখল দেশ

    জ্বালানি তেলের মূল্যে রেকর্ড: চীন ও ইরানের ওপর মার্কিন চাপের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে।

    ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ড ছাড়ছে সরকার: বিনিয়োগে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    রেমিট্যান্সের জোরে ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যাংক আমানত প্রবৃদ্ধি

    তীব্র শীতে গ্যাস ও এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

    দাম পতনে বিপাকে আলুচাষীরা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধীরগতি: গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যয় দেখল দেশ

    পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ: দুই বছরের আমানতের মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের

    গত বছরের মন্দা কাটিয়ে ৪.৫০% প্রবৃদ্ধি; অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছন্দে ফিরছে অর্থনীতি

    জ্বালানি তেলের মূল্যে রেকর্ড: চীন ও ইরানের ওপর মার্কিন চাপের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে।

    জ্বালানি ও সার আমদানির চাপে বাণিজ্য ঘাটতি; নজরে এবার রফতানি প্রবৃদ্ধি

    ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ড ছাড়ছে সরকার: বিনিয়োগে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    পুঁজি বাজারে ‘শেয়ার নেটিং’ চালুর প্রস্তাব; বিনিয়োগকারী সুরক্ষায় বিএসইসির কঠোর সতর্কতা ও শর্তারোপ

    রেমিট্যান্সের জোরে ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যাংক আমানত প্রবৃদ্ধি

    বিশ্ব মন্দার মাঝেও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে জোয়ার

    এলপি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ভ্যাট হ্রাসের উদ্যোগ

    আইপিও খরায় স্থবির শেয়ার বাজার: নিষ্ক্রিয় মার্চেন্ট ব্যাংক ও আস্থাহীনতার গভীর সংকট

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে ২০২৫ সালে পুঁজি বাজারে গভীর স্থবিরতা

    তীব্র শীতে গ্যাস ও এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

    দাম পতনে বিপাকে আলুচাষীরা

    শেয়ার বাজারে আস্থা ফেরাতে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

    অনিশ্চয়তার মাঝেই শক্ত অবস্থানে ফিরছে ডলার

    এসএমই শেয়ারে বিনিয়োগ সহজ করল বিএসইসি

    বিশ্ববাজারের চাপে রফতানি আয় নিম্নমুখী

    জাতীয় সঞ্চয়পত্রে মুনাফার পুরনো হার বহাল

    বড় কোম্পানির দরপতনে চাপের মুখে শেয়ার বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.