Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পোশাক শিল্পের অস্থিরতায়ও ক্রয়াদেশ স্থানান্তর করেনি

    সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৪ ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ15
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের পর তৈরি পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়। আন্দোলন চলাকালেও বেশকিছু প্রতিন্ধকতার মুখে পড়ে এ খাত। ফলে আশঙ্কা দেখা দেয় বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নিতে পারে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা। তবে অস্থিরতায়ও ক্রয়াদেশ স্থানান্তর করেনি আন্তর্জাতিক ক্রেতারা। ওই সময়ে কোনো ব্র্যান্ড বা কোম্পানি জরিমানাও করেনি কারখানা মালিকদের। মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিজনেস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস রিসোর্স সেন্টারের (বিএইচআরআরসি) চলতি সেপ্টেম্বরেই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিএইচআরআরসি আন্তর্জাতিক ২০ ক্রেতা ও কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। এসব ক্রেতা ও কোম্পানির মধ্যে ক্রয়াদেশ স্থানান্তরের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ১২টি কোম্পানি। স্থানান্তরসংক্রান্ত কোনো তথ্য দেয়নি একটি কোম্পানি (গেপ)। বাকি সাতটি ব্র্যান্ড বা কোম্পানি ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।

    প্রতিবেদনে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের উদ্ধৃতিতে বলা হয়, আন্দোলনের সময় অন্তত সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এ খাতে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দেরিতে পণ্য ডেলিভারি, পরিবহন খরচ এবং ঝুঁকি বৃদ্ধি, সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন, অতিরিক্ত সময় ধরে গুদামজাত। পণ্য সরবরাহের সময় বেড়ে যাওয়ায় ক্রয়াদেশ বাতিলের ঝুঁকিতে পড়েন কারখানা মালিকরা। সেই ঝুঁকি এড়াতে শ্রমিকরা বাড়তি কাজ করেন এবং তাদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আলাদা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা ও পরিবহনের ক্ষেত্রে বাড়তি খরচ, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার মজুরির দায় মেটানোও ছিল মালিকদের জন্য চ্যালেঞ্জের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, শীর্ষ ১৫ আন্তর্জাতিক ক্রেতার পাশাপাশি পাঁচটি স্ট্র্যাটেজিক কোম্পানির কাছে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওই প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে ২০টি ব্র্যান্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ করে প্রতিষ্ঠানটি। তার মধ্যে ১১টি ব্র্যান্ড ও দুটি কোম্পানি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যোগাযোগ করা ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে অ্যাডিডাস, অ্যাসডা, সিঅ্যান্ডএ, এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার, নেক্সট, পুমা, পিভিএইচ করপোরেশন, টেস্কো, প্রাইমার্ক এবং দুটি কোম্পানি হচ্ছে ওয়ালমার্ট ও গেপ। আর সাতটি ব্র্যান্ড বা কোম্পানি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এর মধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠান সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছে এবং বিএইচআরআরসিকে জানিয়েছে অস্থিরতার সময়ে বাংলাদেশে থেকে ক্রয়াদেশ স্থানান্তর করেনি তারা। ওই সময়ে কোনো ব্র্যান্ড বা কোম্পানি জরিমানাও করেনি কারখানা মালিকদের। আর একটি প্রতিষ্ঠান সব প্রশ্নের জবাব দিলেও স্থানান্তর সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেয়নি।

    বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলে শামীম এহসান বিএইচআরআরসিকে জানিয়েছিলেন, পণ্য সরবরাহে দেরি হওয়ার কারণে বেশকিছু ব্র্যান্ড মূল্য ছাড় দাবি করেছে, যা মিটিয়েছেন উৎপাদকরা। যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। আবার সরবরাহের সময় ঠিক রাখার জন্য বাড়তি পরিবহন খরচ, জরুরিভাবে পণ্য পাঠানোর জন্য উচ্চ বিমান ভাড়া গুনতে হচ্ছে উৎপাদকদের। অন্যদিকে কারখানা মালিকরা ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছেন, যাতে পণ্য সরবরাহে দেরির জন্য জরিমানা করা না হয়।

    অন্যদিকে, কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন ঘিরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে হওয়া ক্ষতি পোষাতে সরকারের কাছে এক বছরের জন্য ‘সফট লোন’ চেয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেয়া হয়।

    সরকার পতনের পর নিরাপত্তাহীনতা এবং সরকারের শীর্ষ পদধারী গার্মেন্টস মালিকরা পালিয়ে যান। এতে করে তাদের মালিকানাধীন পোশাক কারখানাগুলোয় অস্থিরতা শুরু হয়। শ্রমিকরাও নিজেদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। এতে পোশাক শিল্পে অস্থিরতা বাড়তে থাকে। এর ফলে সরকার পতনের পর পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব থেকে সরে গেলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে দেশজুড়ে। পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয় ধীরে ধীরে। ●

    অকা/তৈপোশি/ফর/সকাল/২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পোশাক শিল্প

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ইউরোপে মূল্যচাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

    সুতা আমদানি বিতর্কে মুখোমুখি টেক্সটাইল–পোশাক খাত

    সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধের ছায়া
    দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশের পোশাক রফতানি খাত

    ১০ শতাংশ বিশেষ সহায়তার দাবি
    অস্তিত্ব সংকটে দেশের টেক্সটাইল খাত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদনের লক্ষ্য ১০ হাজার মেগাওয়াট 
    সৌরবিদ্যুতে বিপ্লব ঘটবে বাংলাদেশে

    কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.