Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আবাসন খাতে নতুন করের শঙ্কা

    জুন ২২, ২০২৬ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ40
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    রাজধানীর মানিক নগরের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জহির উদ্দিন (ছদ্মনাম) দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক একতলা বাড়িটি পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উন্নয়ন চুক্তির মাধ্যমে জমি দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে চান। বিনিময়ে কয়েকটি ফ্ল্যাট পাওয়ার আশা করছেন, যা তার অবসর জীবনের আর্থিক নিরাপত্তার প্রধান ভিত্তি হতে পারে। তবে আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন কর প্রস্তাব তার সেই পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার ছায়া ফেলেছে। কারণ, নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই তাকে সম্ভাব্য কোটি টাকার করের হিসাব কষতে হচ্ছে।

    জহির উদ্দিনের এই উদ্বেগ এখন শুধু একজন জমির মালিকের ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা নয়; বরং সারা দেশের আবাসন খাতের বহুল আলোচিত একটি ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত ‘মূলধনি মুনাফা কর’ বা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স।

    নতুন বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো জমির মালিক যদি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উন্নয়ন চুক্তিতে অংশ নেন, তাহলে চুক্তির আওতায় পাওয়া নগদ অর্থ (সাইনিং মানি), ফ্ল্যাট, নির্মাণকালীন ভাড়া সুবিধা কিংবা অর্থমূল্যসম্পন্ন অন্য যেকোনো সুবিধাকে ‘মূলধনি মুনাফা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। জমির মূল অর্জনমূল্য বাদ দিয়ে অবশিষ্ট মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    বাংলাদেশের আবাসন খাত মূলত যৌথ উন্নয়ন মডেলের ওপর নির্ভরশীল। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা কিংবা রাজশাহীর মতো শহরগুলোর নগর সম্প্রসারণে এই পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। এতে জমির মালিককে নির্মাণ ব্যয়ের ঝুঁকি নিতে হয় না, আবার ডেভেলপারকেও জমি কিনতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় না। ফলে উভয় পক্ষের জন্য এটি একটি কার্যকর ও লাভজনক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে নতুন করনীতি কার্যকর হলে এই প্রচলিত কাঠামো বড় ধরনের চাপে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজালের মতে, কর আরোপের বিষয়টি নয়, বরং করের সময় ও বাস্তবায়ন পদ্ধতিই মূল উদ্বেগের কারণ। তিনি বলেন, একজন জমির মালিক ফ্ল্যাট বুঝে পাওয়ার সময় প্রকৃত অর্থে কোনো নগদ আয় করেন না; তিনি কেবল একটি সম্পদের মালিক হন। সেই সম্পদ ভবিষ্যতে বিক্রি করে লাভ হবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়। ফলে সম্পদ হাতে পাওয়ার মুহূর্তেই বড় অঙ্কের কর আরোপ অনেকের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

    নতুন বিধান অনুযায়ী, ফ্ল্যাট বা অন্য সম্পদ হস্তান্তরের সময়ই কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো জমির মালিক যদি ৫০ লাখ টাকা সাইনিং মানি এবং দেড় কোটি টাকা মূল্যমানের দুটি ফ্ল্যাট পান, তাহলে মোট প্রাপ্ত সুবিধার মূল্য দাঁড়াবে ২ কোটি টাকা। জমির ক্রয়মূল্য যদি ৮০ লাখ টাকা হয়ে থাকে, তাহলে নিট মুনাফা হবে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে ১৮ লাখ টাকা।

    আরও বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে করের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। রিহ্যাবের মতে, এতে অনেক জমির মালিককে কর পরিশোধের জন্য ঋণ নিতে বা প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের একটি অংশ বিক্রি করতে বাধ্য হতে হতে পারে।

    অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মনে করে, জমির মালিক নগদ অর্থ হাতে না পেলেও তিনি একটি মূল্যবান সম্পদ অর্জন করছেন, যার বাজারমূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব। ফলে সেই অর্থনৈতিক সুবিধাকে করের আওতায় আনা আন্তর্জাতিক করনীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়ার মতে, নতুন বিধানের ফলে জমির মালিকদের করের দায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে নির্মাণকালীন ভাড়া সুবিধা, সাইনিং মানি এবং ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য—সবকিছু মিলিয়ে করযোগ্য আয় নির্ধারণ করা হলে করের পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রেই বড় অঙ্কে পৌঁছাবে। ভবিষ্যতে ফ্ল্যাট বিক্রির সময় আবারও লাভের ওপর কর দিতে হলে দ্বৈত করের প্রশ্নও সামনে আসতে পারে।

    আবাসন উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, এই করব্যবস্থা কার্যকর হলে যৌথ উন্নয়ন প্রকল্পের সংখ্যা কমে যেতে পারে। এতে শুধু আবাসন খাত নয়, বরং রড, সিমেন্ট, সিরামিক, কাচ, অ্যালুমিনিয়াম, লিফট, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, পরিবহন ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ২৬৯টি শিল্প ও সেবাখাত নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। উৎপাদন ও বিনিয়োগ কমে গেলে কর্মসংস্থানেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর আরোপের নীতিগত যৌক্তিকতা থাকলেও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত যাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিরুৎসাহিত না হয়। তাদের পরামর্শ হলো, জমির মালিক যখন ডেভেলপারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট বুঝে পাবেন, তখন নয়; বরং ভবিষ্যতে সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করে প্রকৃত অর্থে নগদ মুনাফা অর্জনের সময় ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স আরোপ করা অধিক বাস্তবসম্মত হতে পারে। এতে সরকারের রাজস্বও নিশ্চিত হবে, আবার জমির মালিকদেরও আগাম বড় অঙ্কের করের চাপ বহন করতে হবে না।

    ১ জুলাই যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমির মালিক, আবাসন উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের আশঙ্কা, বাস্তবতা বিবেচনা না করে করনীতি কার্যকর করা হলে আবাসন খাত দীর্ঘমেয়াদি মন্দার মুখে পড়তে পারে। ফলে পরিকল্পিত নগরায়ণ, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের পুনর্নির্মাণ এবং মধ্যবিত্তের আবাসন স্বপ্ন—সবকিছুই নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে।

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 weeks আগে

    আবাসন কর জমি বহুতল ভবন রাজস্ব

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ফ্ল্যাট বিক্রিতে ধস, আবাসন খাতে নেমেছে সংকট

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    মোট ১৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব বকেয়া; শীর্ষে গ্রামীণ ফোন

    আবাসনে করের বোঝা, বেকারত্বের শঙ্কায় ৫০ লাখ মানুষ

    মূল হোতা কর অঞ্চল-১০ এর কর্মচারী মো. আসাদুজ্জামান
    আয়কর বিভাগে সিন্ডিকেট ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

    রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে এনবিআর

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অভিনব কায়দায় স্বর্ণ পাচার; পাচারকারী আটক

    ফিলাডেলফিয়ায় গুলিতে বাংলাদেশি চক্ষুচিকিৎসক নিহত

    ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর অনুমোদন
    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব বিনিয়োগ সেবা

    নতুন আমদানি নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন
    এলসির বিকল্পে সেলস কনট্রাক্টে আমদানির সুযোগ

    জাল নোট রাখলে শাস্তি, আসছে কঠোর আইন

    শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

    বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার

    একের পর এক রেকর্ডে নাম লেখাচ্ছেন এমবাপ্পে

    অবশেষে থামল মরক্কোর অবিশ্বাস্য জয়রথ

    মরক্কোর স্বপ্নভঙ্গ; ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর ফ্রান্স

    ফ্ল্যাট বিক্রিতে ধস, আবাসন খাতে নেমেছে সংকট

    ভালো কোম্পানির শেয়ারে আসছে ‘ডে নেটিং’ সুবিধা

    বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

    এক স্বশিক্ষিত শিল্পীর সাম্রাজ্য: নরসিংদীর আলামিনের হাহাকার

    ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

    সিজেএফডি’র নতুন সভাপতি মোবারক, সাধারণ সম্পাদক সবুজ

    কিংবদন্তি কণ্ঠ বনি টাইলারের বিদায়

    এমি অ্যাওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ২৫ মনোনয়ন ‘দ্য পিট’-এর, নজরে ‘হ্যাকস’ও

    সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

    ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স বিধিমালায় যে জটিলতা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.