Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বস্ত্র খাতে বিনিয়োগকারীদের মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি

    আগস্ট ৫, ২০২৪ ৫:০১ অপরাহ্ণUpdated:আগস্ট ৫, ২০২৪ ৫:০১ অপরাহ্ণ21
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশব্যাপী কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় বস্ত্র খাতে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন এখাতের ব্যবসায়ীরা। অপূরণীয় এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ২ শতাংশ সুদে ব্যাংক ঋণ চান তারা।

    বস্ত্র খাতের বিনিয়োগকারীরা বলেছেন, স্বল্প সুদের এই ঋণ তারা আগামী এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে পারবেন। এই সহায়তা পাওয়া গেলে তাদের পক্ষে সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

    বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ১ জুলাই অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে এই সহায়তা চেয়েছে।

    বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন স্বাক্ষরিত চিঠির একটি অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের কাছেও পাঠানো হয়।

    বিটিএমএ’র চিঠিতে ক্ষতির বর্ণনায় বলা হয়, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে প্রায় দুই সপ্তাহের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে অধিকাংশ সময় বস্ত্র কারখানাগুলো বন্ধ ছিল। এতে রপ্তানি খাতের অনেক ক্ষতি হয়েছে। রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়া, উৎপাদন কমে যাওয়া, কারখানায় শ্রমিকদের অনুপস্থিতি ও কাঁচামাল সংকটে বস্ত্র কারখানার মালিকরা কঠিন সময় পার করছেন। এর মধ্যে শ্রমিকদের গত জুলাই মাসের বেতন পরিশোধের সময় এসে গেছে।

    চিঠিতে বলা হয়, বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিয়ে চলতি মাসের বেতন পরিশোধে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ সুদহারে এক বছর মেয়াদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া হলে কারখানাগুলোর পক্ষে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। তা না হলে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ায় ব্যত্যয় হতে পারে বলে মালিকদের আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

    একই সঙ্গে জুলাই মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে একই হারে অর্থাৎ ২ শতাংশ হারে একই মেয়াদে ঋণ দেওয়া হলে বস্ত্র ও পোশাক খাতের মালিকরা উপকৃত হবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সহায়তার এই আবদেনকে প্রণোদনার আবেদন নয়, বরং ঋণ সহায়তা হিসেবেই চান তারা, যা ধারাবাহিকভাবে এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।

    স্বল্প সুদে ঋণের আবেদনের পাশাপাশি চলতি ঋণের কিস্তি স্থগিতের দাবি করেছে বিটিএমএ। এ সুবিধা চাওয়ার যুক্তি তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, ক্রমাগত লোকসানে থাকা প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমুখী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের পক্ষে এখন মেয়াদি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা কঠিন।

    এমন অবস্থায় সব মেয়াদি ঋণ আগামী ছয় মাসের জন্য সুদবিহীন করে কিস্তি পরিশোধ স্থগিত রাখার দাবি করা হচ্ছে। ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে সরবরাহকৃত সুতা ও কাপড়ের বিপরীতে তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট এলসি প্রদানকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেসব বিল গ্রহণ করেছে, তা যথাসময়ে পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। এই বিলের অর্থ পাওয়া গেলে সদস্য কারখানাগুলো কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় চলতি পুঁজির সংকট থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যাবে বলে চিঠিতে আশা করা হয়।

    এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প চালু রাখাই বিটিএমএর মূল লক্ষ্য।

    বর্তমান সংকটের বাইরে আগে থেকে চলে আসা বস্ত্র খাতের সংকট তুলে বিটিএমএ সভাপতি বলেন, কভিড-১৯-পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকট তৈরি করেছে। যার কারণে ক্রমাগতভাবে বস্ত্র খাতের রফতানি আদেশ কমছে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ কিছু কারণেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

    চিঠিতে বলা হয়, গ্যাস সংকট, প্রায় ২৫০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, শ্রমিকদের ৭০ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের সুদহার বৃদ্ধি, গৃহীত বিল পরিশোধ না হওয়া, চলতি পুঁজির ঘাটতি এবং তুলা ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানিতে এলসি খুলতে ব্যাংকের অনীহা, সর্বোপরি নগদ সহায়তা কমানো এসব কারণে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমছে। এই কারণে শিল্পের উদ্যোক্তারা অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। ●

    অকা/পোখা/ফর/সকাল/৪ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    বস্ত্র খাত

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে অংশ কমলো বাংলাদেশের

    পোশাক রপ্তানিতে মিলবে তিনগুণের বেশি নগদ সহায়তা

    চীনের সরে যাওয়া বাজার দখলের নতুন সুযোগ
    পোশাক রফতানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান অটুট

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    স্টাডি সার্কেল চীন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত: মেটলাইফ স্টেডিয়াম কেন এত বিশেষ?

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    কোথায় যাচ্ছে সোনার বাজার?

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসিরা

    যে ৫ কারণে ফাইনালে উঠতে পারে আর্জেন্টিনা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.