Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বালুর মধ্যে মূল্যবান সম্পদ, নিঝুম দ্বীপে বড় সম্ভাবনার ইঙ্গিত

    আগস্ট ১২, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

     

    বিশেষ প্রতিনিধি

    বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা মোহনায় জেগে ওঠা নিঝুম দ্বীপের সৈকতের বালিতে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। সাম্প্রতিক খনিজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সৈকতের মোট পলির প্রায় ২৫ শতাংশই টোটাল হেভি মিনারেলস (THM)—যার মধ্যে রয়েছে শিল্প ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, গার্নেট, সিলিম্যানাইট, কায়ানাইট, মোনাজাইট ও জেনোটাইম।

    গবেষকদের মতে, নিঝুম দ্বীপের বালিতে এ ধরনের ভারী খনিজের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি বাংলাদেশের খনিজসম্পদ অনুসন্ধান ও শিল্পোৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সিরামিক, রং, ধাতু প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওয়েল্ডিং রডসহ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল হিসেবে এসব খনিজের অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।

    নিঝুম দ্বীপে পাওয়া এই খনিজসমৃদ্ধ বালির বৈশিষ্ট্য বোঝার ক্ষেত্রে গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনা নদীব্যবস্থার পলি পরিবহনের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ। হিমালয় থেকে বিপুল পরিমাণ পলি বহন করে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে এসে মেঘনা মোহনা দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে। দীর্ঘ নদীপথ, মোহনা, বদ্বীপ ও সমুদ্রতলের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এসব পলি পরিবাহিত ও পুনর্বিন্যস্ত হয়। সেই পলিরই একটি অংশ উপকূলীয় অঞ্চলে জমা হয়ে ভারী খনিজসমৃদ্ধ বালুর স্তর তৈরি করতে পারে।

    গবেষণায় নিঝুম দ্বীপের সৈকতের বালু বিশ্লেষণ করে মোট পলির প্রায় এক-চতুর্থাংশে ভারী খনিজের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। খনিজসমৃদ্ধ এই অংশের মধ্যে সিলিম্যানাইট, গার্নেট বা অ্যালমান্ডিন, জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, জেনোটাইম, মোনাজাইট এবং কায়ানাইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া গেছে।

    এ ছাড়া অ্যামফিবোল ও পাইরক্সিন গ্রুপের বিভিন্ন খনিজও শনাক্ত হয়েছে।

    গবেষণায় বালুর চৌম্বকীয় অংশেও একাধিক খনিজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এনস্টাটাইটের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি বায়োটাইট, পারগাসাইট, মাসকোভাইট, সোডালাইট, ডায়োপসাইড, ম্যাগনেসাইট, স্পিনেল, ট্রেমোলাইট, অ্যানোরথাইট, ম্যাগনেসিওফেরাইট, টাইটানাইট, পেরিক্লেস, স্পোডুমিন ও হর্নব্লেন্ডের মতো খনিজও চিহ্নিত করা হয়েছে।

    অর্থাৎ নিঝুম দ্বীপের সৈকতের বালু শুধু সাধারণ নির্মাণসামগ্রী হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাময় নয়; বরং এর মধ্যে উচ্চমূল্যের শিল্পখনিজের একটি বৈচিত্র্যময় সমষ্টি রয়েছে।

    বিভিন্ন খনিজ একই বালুর মধ্যে পাশাপাশি অবস্থান করায় এবং অনেক খনিজের ভৌত বৈশিষ্ট্য কাছাকাছি হওয়ায় প্রচলিত পদ্ধতিতে সেগুলো আলাদা করে শনাক্ত করা কঠিন। এ কারণে গবেষণায় উন্নত এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন বা XRD প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

    জাপানের তৈরি ‘স্মার্টল্যাব এসই (Rigaku)’ এক্স-রে ডিফ্র্যাক্টোমিটার দিয়ে বালুর নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। পরে ডিজিটাল ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে খনিজ শনাক্তকরণে ‘X'Pert HighScore Plus’ সফটওয়্যারের অটো-ম্যাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে নমুনায় থাকা বিভিন্ন খনিজের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

    গবেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ উপকূলীয় বালুর মধ্যে থাকা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শনাক্তকরণে আরও নির্ভুল তথ্য দিতে পারে।

    বাংলাদেশের নদ-নদীর বালিতে আধুনিক শিল্প, বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তৈরির সম্ভাবনাও যাচাই করা হয়েছে। দেশের আটটি প্রধান নদী ব্যবস্থার প্রায় ৫ হাজার ৪৮১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় পরিচালিত জরিপে ৬ হাজার ৬০০টির বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

    এর মধ্যে ৮০০টির বেশি নমুনার পেট্রো-মিনারেলজিক্যাল, রাসায়নিক ও ভৌত বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল নমুনাভিত্তিক গবেষণার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় পলিতে থাকা বিভিন্ন খনিজের প্রকৃতি, উৎস এবং শিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া।

    গবেষকদের মতে, নদীবাহিত পলি শুধু ভূমি গঠনের উপাদান নয়; এর মধ্যে ভবিষ্যৎ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খনিজসম্পদও থাকতে পারে।

    নিঝুম দ্বীপের বালিতে পাওয়া কয়েকটি খনিজ আন্তর্জাতিক শিল্পে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে জিরকন, রুটাইল ও ইলমেনাইট অন্যতম।

    জিরকন বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং ভূতাত্ত্বিক গবেষণায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হিসেবে পরিচিত। রুটাইল ও ইলমেনাইট টাইটানিয়ামসমৃদ্ধ খনিজ; এগুলো থেকে টাইটানিয়াম-ভিত্তিক শিল্পের কাঁচামাল পাওয়া যায়। রং, সিরামিক, ধাতু প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন শিল্পে এসব খনিজের ব্যবহার রয়েছে।

    গার্নেট, সিলিম্যানাইট ও কায়ানাইটও শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতার কারণে সিলিম্যানাইট ও কায়ানাইটের মতো খনিজ অবাধ্য বা refractory শিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। গার্নেট ঘর্ষণকারী উপাদানসহ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

    অন্যদিকে মোনাজাইট ও জেনোটাইমের মতো খনিজও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো বিরল মৃত্তিকা উপাদানসহ বিভিন্ন মূল্যবান উপাদানের উৎস হতে পারে।

    গবেষণার বৃহত্তর ভূতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট বলছে, বঙ্গোপসাগরের এই খনিজসমৃদ্ধ পলি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় ও আশপাশের বিস্তীর্ণ ভূতাত্ত্বিক অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ শিলা ও খনিজ কণা সংগ্রহ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।

    প্রতি বছর শত শত মিলিয়ন টন পলি এই নদীগুলোর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছায়। নদীর পলি প্রথমে বদ্বীপ ও মোহনা অঞ্চলে জমা হয়। পরে জোয়ার-ভাটা, ঢেউ, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রতলের স্রোতের প্রভাবে পলি পুনরায় পরিবাহিত ও বাছাই হয়।

    এই প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক ঘন খনিজ কণাগুলো নির্দিষ্ট পরিবেশে জমা হওয়ার সুযোগ পায়। ফলে উপকূলীয় কিছু এলাকায় ভারী খনিজের ঘনত্ব সাধারণ নদীবালুর তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, বঙ্গীয় শেলফের পলি ও গভীর সমুদ্রের পলিতে ব্রহ্মপুত্রের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে বালুর ক্ষেত্রে ব্রহ্মপুত্রের অবদান অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ হতে পারে বলে গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে। তবে সূক্ষ্ম সিল্ট ও কাদামাটির ক্ষেত্রে গঙ্গার অবদানও গুরুত্বপূর্ণ।

    নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ভারী খনিজের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে সম্ভাবনাময়। তবে শুধু কোনো এলাকায় ভারী খনিজের উচ্চ ঘনত্ব পাওয়া গেলেই সেটিকে সরাসরি বাণিজ্যিক খনিজ মজুদ হিসেবে ঘোষণা করা যায় না।

    বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের আগে প্রয়োজন হবে মজুদের প্রকৃত পরিমাণ, বিস্তৃতি, গভীরতা, খনিজগুলোর পৃথক ঘনত্ব, উত্তোলনযোগ্যতা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় এবং পরিবেশগত প্রভাব নির্ধারণ। বিশেষ করে নিঝুম দ্বীপ একটি উপকূলীয় দ্বীপ হওয়ায় এর সৈকত ও জীববৈচিত্র্যের ওপর খনিজ উত্তোলনের সম্ভাব্য প্রভাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

    তবে প্রাথমিক গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। এত বেশি পরিমাণে মূল্যবান ভারী খনিজের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি নির্বাচিত খনিজ প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হতে পারে।

    গবেষকদের মতে, নিঝুম দ্বীপের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের খনিজসমৃদ্ধ বালুর ওপর আরও বিস্তৃত ও পদ্ধতিগত অনুসন্ধান চালানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশের প্রধান নদী ও বদ্বীপ অঞ্চলের পলির খনিজ সম্পদকে একটি সমন্বিত ভূতাত্ত্বিক জরিপের আওতায় আনা গেলে বাংলাদেশের অজানা শিল্পখনিজ সম্পদের একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে।

    বঙ্গোপসাগরের পলি তাই শুধু নদী থেকে বয়ে আসা মাটি নয়—এর মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে ভবিষ্যৎ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ ভারী খনিজের সন্ধান সেই সম্ভাবনাকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

    গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আক্তার হোসেনের নিয়োগ বাতিল

    ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার

    জ্বালানি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতকে স্বাগত

    ডিজেল-অকটেনে লোকসান, সরকারের কাছে বিপিসির ১৮ হাজার কোটি টাকা দাবি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

    গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আক্তার হোসেনের নিয়োগ বাতিল

    ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার

    বালুর মধ্যে মূল্যবান সম্পদ, নিঝুম দ্বীপে বড় সম্ভাবনার ইঙ্গিত

    জ্বালানি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতকে স্বাগত

    ডিজেল-অকটেনে লোকসান, সরকারের কাছে বিপিসির ১৮ হাজার কোটি টাকা দাবি

    শহরের তুলনায় গ্রামে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি

    জ্বালানি খাতে সংস্কার ছাড়া টেকসই প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়

    জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ পাবেন যারা

    কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মো. সেলিম খান

    সবখানে গ্যাসের জন্য হাহাকার

    সংগীতশিল্পী মনির খানের ৩০ লাখ সাবস্ক্রাইবার

    পুরোপুরি চালু করতে ফের বন্ধ করতে হবে এলএনজি টার্মিনাল

    ৫.৮৫ মেগাওয়াট রুফটপ সোলারে ইডকলের অর্থায়ন

    একমি ল্যাবরেটরিজের নতুন এমডি তাসনিম সিনহা

    প্রবাসে এক টুকরো চুয়েট: অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চুয়েট অ্যালামনাইদের মিলনমেলা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

    রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনে লাখ টাকা জিতলেন খিলগাঁওয়ের আলা উদ্দিন

    বাজারে উত্তাপ থাকলেও কমেছে মূল্যস্ফীতি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.