Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বেশ কিছু ব্যাংক আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারছে না

    নভেম্বর ৭, ২০২৪ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের বেশ কিছু ব্যাংক আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারছে না। গ্রাহকের নিরাপত্তা সীমা ভেঙে খেয়ালখুশি মত বিতরণ করছে ঋণ। এতে ঋণের অর্থ আদায়ে ব্যাংকগুলো একদিকে যেমন চাপে পড়ছে, অন্যদিকে হু হু করে বাড়ছে খেলাপির পরিমাণ। এ অবস্থায় অনেক ব্যাংকে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। অনেক ব্যাংক ঝুকছে দেউলিয়াত্বের দিকে। অন্যদিকে, ভারসাম্যহীন ঋণ বিতরণে ঝুঁকিতে পড়ছে গ্রাহকের আমানত।

    মূলত ঋণ বিতরণে অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) সীমা অতিক্রম করায় ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে আগ্রাসীভাবে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির ঘাটতি রয়েছে। যথেষ্ট নজরদারি না থাকায় ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী, চলতি ধারার ব্যাংক ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ঋণ দিতে পারে। আর ইসলামি ধারার ব্যাংক ঋণ দিতে পারে ৯২ টাকা। যাকে ব্যাংকিং পরিভাষায় অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) বা ঋণ-আমানত অনুপাত সীমা বলা হয়। অবিতরণকৃত অর্থ গ্রাহকের নিরাপত্তার জন্য (সিএলআর এবং এসএলআর) বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে বাধ্য থাকে ব্যাংক।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন পর্যন্ত আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ভেঙে ১৩টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ১০৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অথচ নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত ব্যাংকটি গ্রাহকের ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ঋণ বিতরণের সুযোগ রয়েছে। তথ্য বলছে, ন্যাশনাল ব্যাংক সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে ১৭ টাকা। সম্প্রতি গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে নানা বেগ পাচ্ছে ব্যাংকটি।

    বেসরকারি পদ্মা ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে ৯১ দশমিক ৪১ শতাংশ। অথচ এ ব্যাংকটিরও ঋণ বিতরণের সীমা ৮৭ শতাংশ। বর্তমানে এ ব্যাংকটিও ঋণ আদায় করতে পারছে না, গ্রাহকের টাকা সময়মত ফেরত দিতেও হিমশিম খাচ্ছে।

    এবি ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ৮৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অথচ ব্যাংকটির বেঁধে দেওয়া সীমা ৮৭ শতাংশ। এবি ব্যাংকের ইসলামি উইন্ডো ১১২ দশমিক ৬০ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে। যেখানে উইন্ডোর সর্বোচ্চ সীমা ৯২ শতাংশ। যেখানে প্রায় ২০ শতাংশ ঋণ বেশি বিতরণ করা হয়েছে। এতে বাড়তি ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে গ্রাহকের জন্য।

    এ বিষয়ে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) চেয়ারম্যান এবং অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাধারণত এডিআরের সীমা অতিক্রম করে ঋণ বিতরণ করলে আমানতকারীদের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে। নীতিমালা না মেনে চললে কমপ্লায়েন্স লঙ্ঘন হবে। এর ফলে সুশাসনের ঘাটতি দেখা দেবে।

    ‘আগ্রাসী ঋণ বিতরণ হলে সেটি আদায় করা নিয়েও সমস্যা দেখা দেবে। ঋণ আদায় করতে না পারলে গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে সমস্যা তৈরি হবে। এ নিয়ে অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি বাড়াতে হবে’- বলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন জনতা ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ২৭ শতাংশ। যেখানে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৮৭ শতাংশ। সীমা লঙ্ঘন করে ঋণ বিতরণ করায় ব্যাংকটির ২৩ জন গ্রাহকের কাছে মোট বিতরণ করা ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় এ ব্যাংকটি এখন ঠিকমত ঋণ আদায় করতে পারছে না। এতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে।

    রাষ্ট্র মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংকের ঋণ বিতরণের সীমা ৮৭ শতাংশ হলেও ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর বিদেশি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের এডিআর ৮৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

    সূত্র বলছে, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ১১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশে। এ ব্যাংকটির সর্বোচ্চ সীমা ৯২ শতাংশ। এছাড়া অন্য শরিয়াহভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের এডিআর ৯৪ দশমিক ২৮ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংকের ৯৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের রেকর্ড এডিআর ১১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সীমার চেয়ে ২৭ টাকা বেশি ঋণ বিতরণ করেছে।

    শরিয়াহভিত্তিক সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এডিআর ৯৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংকের এডিআর ১০০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো ১২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, সাধারণত আমানত, প্রভিশন ও মূলধন নিয়ে এডিআর করতে হয়। রিয়েল এডিআর সমস্যা থাকে অনেক ব্যাংকের। ক্যাপিটাল ও প্রভিশন খারাপ হলে এডিআর খারাপ হয়। তবে যেসব ব্যাংক এডিআরের সীমা অতিক্রম করেছে সেগুলোর অবস্থা খারাপই রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের শিথিলতার কারণে এমনটা হয়েছে। মাসের পর মাস এভাবে চলতে পারে না।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা এ বিষয়ে বলেন, গ্রাহকের স্বার্থরক্ষায় নিয়মিত এডিআর তদারকি করে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমরা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছি। কোনো ব্যাংক সীমা লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ শাস্তি দেওয়া হয়। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ৭ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.