Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বেশ কিছু ব্যাংক আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারছে না

    নভেম্বর ৭, ২০২৪ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের বেশ কিছু ব্যাংক আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারছে না। গ্রাহকের নিরাপত্তা সীমা ভেঙে খেয়ালখুশি মত বিতরণ করছে ঋণ। এতে ঋণের অর্থ আদায়ে ব্যাংকগুলো একদিকে যেমন চাপে পড়ছে, অন্যদিকে হু হু করে বাড়ছে খেলাপির পরিমাণ। এ অবস্থায় অনেক ব্যাংকে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। অনেক ব্যাংক ঝুকছে দেউলিয়াত্বের দিকে। অন্যদিকে, ভারসাম্যহীন ঋণ বিতরণে ঝুঁকিতে পড়ছে গ্রাহকের আমানত।

    মূলত ঋণ বিতরণে অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) সীমা অতিক্রম করায় ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে আগ্রাসীভাবে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির ঘাটতি রয়েছে। যথেষ্ট নজরদারি না থাকায় ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী, চলতি ধারার ব্যাংক ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ঋণ দিতে পারে। আর ইসলামি ধারার ব্যাংক ঋণ দিতে পারে ৯২ টাকা। যাকে ব্যাংকিং পরিভাষায় অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) বা ঋণ-আমানত অনুপাত সীমা বলা হয়। অবিতরণকৃত অর্থ গ্রাহকের নিরাপত্তার জন্য (সিএলআর এবং এসএলআর) বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে বাধ্য থাকে ব্যাংক।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন পর্যন্ত আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ভেঙে ১৩টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ১০৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অথচ নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত ব্যাংকটি গ্রাহকের ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ঋণ বিতরণের সুযোগ রয়েছে। তথ্য বলছে, ন্যাশনাল ব্যাংক সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে ১৭ টাকা। সম্প্রতি গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে নানা বেগ পাচ্ছে ব্যাংকটি।

    বেসরকারি পদ্মা ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে ৯১ দশমিক ৪১ শতাংশ। অথচ এ ব্যাংকটিরও ঋণ বিতরণের সীমা ৮৭ শতাংশ। বর্তমানে এ ব্যাংকটিও ঋণ আদায় করতে পারছে না, গ্রাহকের টাকা সময়মত ফেরত দিতেও হিমশিম খাচ্ছে।

    এবি ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ৮৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অথচ ব্যাংকটির বেঁধে দেওয়া সীমা ৮৭ শতাংশ। এবি ব্যাংকের ইসলামি উইন্ডো ১১২ দশমিক ৬০ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে। যেখানে উইন্ডোর সর্বোচ্চ সীমা ৯২ শতাংশ। যেখানে প্রায় ২০ শতাংশ ঋণ বেশি বিতরণ করা হয়েছে। এতে বাড়তি ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে গ্রাহকের জন্য।

    এ বিষয়ে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) চেয়ারম্যান এবং অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাধারণত এডিআরের সীমা অতিক্রম করে ঋণ বিতরণ করলে আমানতকারীদের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে। নীতিমালা না মেনে চললে কমপ্লায়েন্স লঙ্ঘন হবে। এর ফলে সুশাসনের ঘাটতি দেখা দেবে।

    ‘আগ্রাসী ঋণ বিতরণ হলে সেটি আদায় করা নিয়েও সমস্যা দেখা দেবে। ঋণ আদায় করতে না পারলে গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে সমস্যা তৈরি হবে। এ নিয়ে অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি বাড়াতে হবে’- বলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন জনতা ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ২৭ শতাংশ। যেখানে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৮৭ শতাংশ। সীমা লঙ্ঘন করে ঋণ বিতরণ করায় ব্যাংকটির ২৩ জন গ্রাহকের কাছে মোট বিতরণ করা ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় এ ব্যাংকটি এখন ঠিকমত ঋণ আদায় করতে পারছে না। এতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে।

    রাষ্ট্র মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংকের ঋণ বিতরণের সীমা ৮৭ শতাংশ হলেও ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর বিদেশি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের এডিআর ৮৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

    সূত্র বলছে, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংকের এডিআর দাঁড়িয়েছে ১১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশে। এ ব্যাংকটির সর্বোচ্চ সীমা ৯২ শতাংশ। এছাড়া অন্য শরিয়াহভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের এডিআর ৯৪ দশমিক ২৮ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংকের ৯৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের রেকর্ড এডিআর ১১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সীমার চেয়ে ২৭ টাকা বেশি ঋণ বিতরণ করেছে।

    শরিয়াহভিত্তিক সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এডিআর ৯৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংকের এডিআর ১০০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো ১২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, সাধারণত আমানত, প্রভিশন ও মূলধন নিয়ে এডিআর করতে হয়। রিয়েল এডিআর সমস্যা থাকে অনেক ব্যাংকের। ক্যাপিটাল ও প্রভিশন খারাপ হলে এডিআর খারাপ হয়। তবে যেসব ব্যাংক এডিআরের সীমা অতিক্রম করেছে সেগুলোর অবস্থা খারাপই রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের শিথিলতার কারণে এমনটা হয়েছে। মাসের পর মাস এভাবে চলতে পারে না।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা এ বিষয়ে বলেন, গ্রাহকের স্বার্থরক্ষায় নিয়মিত এডিআর তদারকি করে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমরা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছি। কোনো ব্যাংক সীমা লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ শাস্তি দেওয়া হয়। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ৭ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.