Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    মার্চ ৮, ২০২৬ ১২:৩৫ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের ব্যাংকিং খাতে বিতরণ করা ঋণের বড় একটি অংশ এখনো নির্দিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাংক ঋণের বিশাল অংশ কেন্দ্রীভূত হওয়ায় দেশের অন্যান্য বিভাগগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক কম ঋণ সুবিধা পাচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ঢাকা বিভাগে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা। যা দেশের মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ৬৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অর্থাৎ দেশের ব্যাংকিং খাতে বিতরণ করা ঋণের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি এখন ঢাকা বিভাগেই কেন্দ্রীভূত।

    অন্যদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাংকগুলোর ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। ফলে এই দুই বিভাগ মিলেই দেশের মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ৮৭ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    এর বিপরীতে দেশের অন্যান্য বিভাগে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে গত ডিসেম্বর শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের মাত্র ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। একই সময়ে রাজশাহী বিভাগে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ।

    বরিশাল বিভাগে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ আরও কম। সেখানে ডিসেম্বর শেষে ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ হাজার ৬০২ কোটি টাকা, যা দেশের মোট ব্যাংক ঋণের মাত্র ১ দশমিক ১০ শতাংশ। একই সময়ে সিলেট বিভাগে ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৯ হাজার ২৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১ দশমিক ০৭ শতাংশ।

    অন্যদিকে রংপুর বিভাগে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর ময়মনসিংহ বিভাগে ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা, যা দেশের মোট ব্যাংক ঋণের মাত্র ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

    খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প কারখানা এবং আর্থিক কার্যক্রমের কেন্দ্র মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাংক ঋণের বড় অংশও এই দুই অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। একই সঙ্গে বেশিরভাগ ব্যাংকের প্রধান শাখা ও কর্পোরেট অফিসও এই দুই বিভাগে অবস্থান করায় ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রেও এই অঞ্চলগুলো বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্যাংক ঋণের এই অসম বণ্টন দেশের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ অন্যান্য বিভাগে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও ঋণ সুবিধা না থাকলে সেসব অঞ্চলের শিল্প ও ব্যবসা খাত কাঙ্ক্ষিত হারে বিকশিত হতে পারে না।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঋণ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন সময় ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে থাকে। পাশাপাশি যেসব অঞ্চলে ঋণ প্রবাহ তুলনামূলকভাবে কম, সেখানে কীভাবে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ বাড়ানো যায় সে লক্ষ্যেও বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে দেশের সব বিভাগেই বিনিয়োগ ও ব্যাংক ঋণের সুযোগ বাড়ানো জরুরি। তাতে শুধু স্থানীয় অর্থনীতি নয়, জাতীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে। ●

    অকা/ব্যাংখা/ই/দুপুর/৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 month আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    নীতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.