অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
অর্থনীতিতে অস্থিরতা নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমলে এখাতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি বাড়বে। এতে ব্যাংকগুলোর মুনাফা কমার শঙ্কাও বড় হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, মার্চ শেষে ব্যাংক খাতের মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা, যা এই খাতের বিতরণ করা ঋণের ১১.১০ শতাংশ। এরই মধ্যে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ক্ষতির কথা জানিয়ে ঋণের সুদ মওকুফ এবং ঋণ পুনঃতফশিলের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে পণ্য আমদানি-রফতানিতে প্রভাব পড়ার কারণে তারা ঋণ পরিশোধে বিশেষ ছাড় চাইছেন ব্যাংকগুলোর কাছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে বৈঠকেও ব্যবসায়ীরা ব্যাংকিং ইস্যুতে ঋণ পরিশোধে বাড়তি সময়, ঋণ রিশিডিউল ও কম সুদের হারের দাবির বিষয়ে জানান।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিগগিরই বৈঠক করার কথা রয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে দেশের ব্যবসায়ীরা করোনা মহামারির কারণে ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধ না করেও খেলাপি হননি। পরে ২০২১ সালে সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে কিস্তির মাত্র ১৫ শতাংশ পারিশোধ করে খেলাপি হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন ঋণগ্রহীতারা। এরপর ২০২২ সালেও পরিশোধিত মোট কিস্তির মাত্র ৫০ শতাংশ পরিশোধ করার সুযোগ পান ব্যবসায়ীরা।
ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান আনিস এ খান মনে করেন, চলমান পরিস্থিতির কারণে অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়েছেন। তাই খেলাপি ঋণ আরও বাড়তে পারে। ●
অকা/আখা/ফর/সকাল/১ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে
