Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্স প্রবাহে রিজার্ভে স্বস্তি

    অক্টোবর ১৩, ২০২৫ ১০:১০ পূর্বাহ্ণ6
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে, যার মূল কারণ হলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবাহ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যানুসারে, বর্তমানে দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, যা গত কয়েক মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এই রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে প্রবাসী আয়, যা ধারাবাহিকভাবে উচ্চমাত্রায় প্রবাহিত হচ্ছে।

    ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে প্রতি মাসেই দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেকর্ড ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে, যা একক মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই ধারাবাহিক প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রিজার্ভ শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় করেছে। এর ফলে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবাহ তৈরি হয়েছে এবং ডলার বাজারে কিছুটা ভারসাম্য ফিরেছে।

    চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সার্বিক ব্যালান্স অব পেমেন্ট (BoP) বা বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য দাঁড়িয়েছে ৫৩ মিলিয়ন ডলার, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল ১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সার্বিকভাবে এখনো ঘাটতি থাকলেও তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ততা এবং আর্থিক হিসাবে (ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট) ঘাটতি কমে আসায় সার্বিক ব্যালান্স অব পেমেন্টের অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ চলতি হিসাবকে উদ্বৃত্ত রাখায় মুখ্য ভূমিকা রাখছে। এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়লেও তা চলতি হিসাবে বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আমদানি ব্যয় বেড়ে বাণিজ্য ঘাটতি ২ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল তুলনামূলকভাবে কম। জুলাই-আগস্ট সময়ে মোট আমদানি ব্যয় ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে ১০ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আমদানি ছিল ৯ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে রপ্তানি আয়ও বেড়েছে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারে; আগের বছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৭ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আমদানির চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও, আমদানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। তবে রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ চলতি হিসাবকে উদ্বৃত্ত রাখতে সহায়তা করেছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, সাময়িকভাবে রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়া একটি ইতিবাচক দিক হলেও, এটি এখনো টেকসই স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয় না। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পেছনে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর প্রণোদনা, হুন্ডি প্রতিরোধে কঠোরতা, এবং ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার ভূমিকা রাখছে। তবে আর্থিক হিসাবে এখনো দুর্বলতা রয়েছে, কারণ বিদেশি ঋণ পরিশোধ, বিনিয়োগ থেকে মুনাফা স্থানান্তর, এবং মূলধন প্রস্থান বাড়ছে। এসব কারণে সার্বিকভাবে রিজার্ভের ওপর চাপ বজায় থাকছে।

    এরপরও ইতিবাচক দিক হলো, রিজার্ভ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। ডলার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে চাপ কমেছে, যা আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই অবস্থাকে স্থায়ী করতে হলে রপ্তানি খাতকে বহুমুখী করা, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

    সামগ্রিকভাবে বলা যায়, প্রবাসী আয় বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এখন সবচেয়ে বড় স্বস্তির উৎস। এই আয় কেবল বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে না, বরং সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে রেমিট্যান্সনির্ভর স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, রপ্তানি বৃদ্ধি, এবং আর্থিক হিসাবে ভারসাম্য আনাই হবে টেকসই রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রধান উপায়। বর্তমানে যে উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তা ইতিবাচক, কিন্তু তা ধরে রাখতে হলে অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/১৩ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 9 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.