Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সংকটের আবর্তে দেশের ব্যাংক খাত

    মে ১২, ২০২৫ ১২:২৯ অপরাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের ব্যাংক খাত ব্যাপক দুর্নীতি, জালিয়াতি ও অনিয়মের শিকার হয়েছে, যার ভয়াবহতা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ (২০২৪-২৫ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত) এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংক খাত চারটি প্রধান সূচকে তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে: ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, প্রভিশন ঘাটতি, মূলধন ঘাটতি এবং নিট আয়ে উল্লেখযোগ্য হ্রাস।
    বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার করা হয়েছে, এবং অবশিষ্ট প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকা বিভিন্ন জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থের কোনো অংশই আজ পর্যন্ত ফেরত আনা সম্ভব হয়নি।
    ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে, প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা, যা বিগত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর অর্থ হলো, ব্যাংকগুলো তাদের বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। ফলস্বরূপ, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে এবং ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হওয়ার গভীর আশঙ্কার সম্মুখীন হচ্ছে।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের শেষ প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে মূলধন অনুপাতের (CRAR) হার কমে মাত্র ৩.০৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এই হার ন্যূনতম ১০ শতাংশ হওয়া বাধ্যতামূলক। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো, সরকার নিয়ন্ত্রিত বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কোনো মূলধন অবশিষ্ট নেই। তাদের সমুদয় মূলধনই খেলাপি ঋণের কারণে নিঃশেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে এই ব্যাংকগুলো সম্পূর্ণরূপে সরকারের গ্যারান্টি এবং বাজেট-ভিত্তিক মূলধন সরবরাহের উপর নির্ভরশীল।
    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ব্যাংকগুলোর সম্পদ থেকে অর্জিত আয় গত ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে—প্রতি ১০০ টাকায় আয় মাত্র ২৩ পয়সা। যদিও ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই আয় কিছুটা বেড়ে ০.৩৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছিল, তবে সামগ্রিক প্রবণতা এটাই নির্দেশ করে যে ব্যাংকগুলোর মৌলিক আয় generation ক্ষমতা বর্তমানে তলানিতে ঠেকেছে।
    দুর্বল ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের আমানতের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাপক আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। এই ব্যাংকগুলো দৈনন্দিন আমানতের তুলনায় উত্তোলনকারীদের চাহিদা মেটাতে পারছে না, যার ফলে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংকের কাছ থেকে ধার নিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ব্যাংকিং খাতে তারল্য প্রবাহকে ব্যাহত করছে এবং ঋণ বিতরণের সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।
    ব্যাংকিং খাতের এই গভীর সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কারের পথে হাঁটছে। ২০২৪ সালের শেষদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১১টি দুর্বল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে এবং সম্পদের গুণমান যাচাই (Asset Quality Review) প্রক্রিয়া জোরদার করেছে। তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন নীতিমালা জারি করাও এই উদ্যোগের অংশ।
    দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূতকরণের (Merger) পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ব্যাংক একীভূতকরণ আইন’-এর একটি খসড়া তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে কয়েকটি ছোট ও সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে বড় ব্যাংকের সাথে একীভূত করা হতে পারে।
    পরিশেষে বলা যায়, দেশের ব্যাংক খাত বর্তমানে যে চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন, তা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন কঠোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা, একটি জবাবদিহিতামূলক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিচারিক কাঠামোর শক্তিশালী প্রয়োগ। শুধুমাত্র কাগজে-কলমে সংস্কার নয়, বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। ●
    অকা/ব্যাংখা/দুপুর/ ১২ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ, স্বস্তির ইঙ্গিত অর্থনীতিতে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

    বিশ্বকাপে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ফিফা

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ব্যাংকে অলস অর্থের পাহাড়

    বিশ্বকাপে মেসির অনন্য রেকর্ড, স্মরণীয় ১৫ মিনিট

    অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    গুগলের ৫টি গোপন সার্চ কৌশল

    স্যামসাংয়ের নতুন ৫জি স্মার্টফোন

    ছেলের আত্মহত্যা: ওপেনএআইর বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

    বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল

    প্রযুক্তি নিয়ে প্রচলিত ২৪টি ভুল ধারণা, যেগুলো সত্য নয়

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক হলেন লোটন একরাম

    জেট ফুয়েলের দাম আবার কমালো বিইআরসি

    ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল
    উত্তরবঙ্গে হচ্ছে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল

    কাজল মাখা চোঁখের ভাঁজে তিল কণ্যা সঙ্গীতশিল্পী রোক্সার রহমানের জন্মদিন

    ‘আমরা নারী’ ও ‘অরোরা’-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.