তারেক আবেদীন

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চলছে চরম অস্থিরতা। এরমধ্যে ১৩ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।  একদিকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধর্মঘট, অপরদিকে চলছে ছাটাই প্রক্রিয়া। খবর বিশ্বস্ত সূত্রের।

জানা গেছে, এক পক্ষের মৌখিক নির্দেশ, অপর পক্ষের কোম্পানির প্যাডে স্বাক্ষরিত নির্দেশের মতো ঘটনা ঘটছে।  এবারের ঘটনার  সূত্রপাত আব্দুল কাইয়ুম নামের এক ব্যবস্থাপকের রিপোর্টকে কেন্দ্র করে। ওই কর্মকর্তা প্রশাসকের এপিএস হিসেবে কাজ করছিলেন। একই সঙ্গে সে প্রাক্তন চেয়ারম্যানের অনুগত। এ কর্মকর্তাকে প্রাক্তন চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ফোন করে প্রশাসকের রুমের খবরাখবর জানতে চাইলে প্রশাসকের সঙ্গে কোম্পানির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা অজিত চন্দ্র আইচের দহরম মহরমের কথা জানিয়ে দেয়া হয়। সে খবরটি প্রকাশ হলে ৭ জুলাই বিকেল ৫টায় কয়েকজন শাখা ব্যবস্থাপক তাকে অপদস্থ করে অফিস থেকে বের করে দেয়। এর পরের দিন প্রশাসক ৫ জন শীর্ষ উন্নয়ন কর্মকর্তাকে অসদাচরণ ও সার্টিফিকেট জালিয়াতির কারণে বরখাস্ত করলে প্রাক্তন পরিচালনা পর্ষদের ইশারায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ৯ জুলাই থেকে কোম্পানির অভ্যন্তরে কর্মবিরতিতে নামে। ১২ জুলাই অজিত আইচের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সন্দেহে বলাই চন্দ্র নামে এক নিরীক্ষককে প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ইশারায় অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়। কর্মবিরতির কারণে ১১ জুলাই প্রশাসক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) কে এম ফেরদৌস ১৩ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন- এজিএম মৌসুমী রায়, সিনিয়র ম্যানেজার শাহিদুর রহমান, পলি সরকার, সঞ্জয় চক্রবর্তী, ম্যানেজার আব্দুল মালিক, এক্সিকিউটিভ অফিসার আহমেদ সরোয়ার জনি, মৌসুমী দাশগুপ্তা, মাহবুব ইসলাম ডলি, রাসেল খন্দকার, মিজানুর রহমান, নাঈমুল ইসলাম, সাব্বির আহমেদ ও মিলন হোসেন।

এ ঘটনায় রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়াস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চলছে চরম হতাশা এবং অনিশ্চয়তা। 

অকা/জীবীকো/বী বিপ্র/রাত, ১৩ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

Leave A Reply

Exit mobile version