অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
সর্বশেষ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুসারে, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৬ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ বা গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৬২ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ৬ এপ্রিল এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান।

এর আগে আরেক দফা আকুর বিল পরিশোধ করে বাংলাদেশ। ৯ জানুয়ারি আকুর নভেম্বর-ডিসেম্বর দুই মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। তখনও ২১ বিলিয়ন ডলার থেকে রিজার্ভ কমে। এরপর যথারীতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংগ্রহ করা রেমিট্যান্সের নির্দিষ্ট অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি, রফতানি আয় ও বৈদেশিক ঋণ রিজার্ভে যোগ হয়ে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

আকু হলো আন্তঃদেশীয় একটি লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তান মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে।

মার্চের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৭৫ কোটি ডলার পরিশোধ করার পর ৯ মার্চ রিজার্ভ এক হাজার ৯৬৪ কোটি বা ১৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারে নামে। ●

অকা/আখা/ফর/বিকাল/৭ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

Leave A Reply

Exit mobile version