Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ২২ চৈত্র, ১৪৩২ | ৫ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অপেক্ষা আরও পাঁচ মাস
    আইপিও স্থবিরতা কাটছে না

    এপ্রিল ৫, ২০২৬ ২:৩৬ অপরাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    সংশোধিত পাবলিক ইস্যু বিধিমালার প্রভাবে দেশের পুঁজি বাজারে নতুন কোম্পানির আগমন কার্যত থমকে আছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তত আরও পাঁচ মাস নতুন কোনো আইপিও প্রস্তাব আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। নতুন বিধিমালা কার্যকর হলেও কোম্পানিগুলোর আগ্রহ এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যা শেয়ার বাজারের সামগ্রিক গতিশীলতায় প্রভাব ফেলছে।

    বর্তমান বিধান অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি বার্ষিক, অর্ধবার্ষিক বা প্রান্তিক নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ভিত্তিতে আইপিও আবেদন করতে পারে। তবে বাস্তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনকে প্রাধান্য দেয়, কারণ এটি বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলনামূলক বেশি গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য।

    গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সংশোধিত আইপিও বিধিমালা কার্যকর হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক শেয়ার ছাড়ার আবেদন করেনি, যা বাজারে এক ধরনের অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অর্থবছর শেষ হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে আইপিও প্রস্তাব জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ক্যালেন্ডার বছর অনুসরণকারী কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে ইস্যু ব্যবস্থাপক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সময়সীমার মধ্যেও নতুন প্রস্তাব জমা পড়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

    এর পেছনে প্রধান কারণ হলো আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত ও অনুমোদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া। একটি অর্থবছর শেষ হওয়ার পর আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগে। এরপর নিরীক্ষা সম্পন্ন করা, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নেওয়া—সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে সাধারণত দুই মাসের কম সময় লাগে না।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক মাসের মধ্যে নিরীক্ষা সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে ২০২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ব্যবহার করে আইপিও আনতে হলে কোম্পানিগুলোকে আরও অন্তত পাঁচ মাস অপেক্ষা করতে হবে, যা পুঁজি বাজারে নতুন বিনিয়োগের প্রবাহ বিলম্বিত করছে।

    অতীতে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতার কারণে সমালোচিত ছিল। কিছু ক্ষেত্রে এক বছরেরও বেশি সময় লেগেছে অনুমোদন পেতে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন বিধিমালায় প্রক্রিয়াটি দ্রুততর করতে স্টক এক্সচেঞ্জ, ইস্যু ব্যবস্থাপক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ২০ দিনের মধ্যে আইপিও প্রস্তাব গ্রহণ বা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ৪০ দিনের মধ্যে এবং বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৫৩ দিনের মধ্যে পুরো অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

    নতুন বিধিমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মূল্য নির্ধারণে নমনীয়তা বৃদ্ধি। শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি থাকলে কোম্পানিগুলো এখন আগের তুলনায় বেশি প্রিমিয়াম দাবি করতে পারবে। পূর্বে মূল্য নির্ধারণে সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রকৃত মূল্যায়ন পেত না বলে অভিযোগ ছিল।

    বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত এই নতুন বিধিমালায় একাধিক মূল্যায়ন পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে তালিকাভুক্তির পথে জটিলতা ও বিলম্ব কমানো যায়। তবুও এখন পর্যন্ত নতুন নিয়মে কোনো কোম্পানি আইপিও প্রস্তাব জমা না দেওয়া পুঁজি বাজারের বর্তমান স্থবিরতাকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

    উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০২৪ সালের মার্চে টেকনো ড্রাগস আইপিও প্রস্তাব জমা দেয়। এরপর থেকে আর কোনো নতুন কোম্পানি শেয়ার বাজারে আসেনি, যা বাজারের গভীর স্থবিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ●

    অকা/পুঁবা/ই/দুপুর/৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    শেয়ার বাজারে গতি আনতে কর সংস্কারের প্রস্তাব ডিএসইর

    রফতানি কমে আমদানির চাপে বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি

    অতিরিক্ত তারল্য সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ বিল উদ্যোগ

    জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরল চট্টগ্রাম বন্দর

    আইপিও খরায় স্থবির দেশের শেয়ার বাজার

    বড় ঋণে বড় ঝুঁকি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা

    মার্চে রফতানিতে বড় ধাক্কা – টানা পতনের অষ্টম মাস

    অপেক্ষা আরও পাঁচ মাস
    আইপিও স্থবিরতা কাটছে না

    ইসলামী ব্যাংকে তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইন্টারব্যাংক বাজারের উদ্যোগ

    শেয়ার বাজারে গতি আনতে কর সংস্কারের প্রস্তাব ডিএসইর

    রফতানি কমে আমদানির চাপে বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি

    অতি ধনীদের জন্য বাড়তি কর, তামাকেও আসছে মূল্যচাপ

    জ্বালানি অনিশ্চয়তায় শিল্পের ভরসা: ছাদে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ

    অতিরিক্ত তারল্য সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ বিল উদ্যোগ

    জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরল চট্টগ্রাম বন্দর

    আইপিও খরায় স্থবির দেশের শেয়ার বাজার

    সন্ধানী লাইফের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর

    অসময়ে কৃষি ঋণ

    বড় ঋণে বড় ঝুঁকি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ

    আস্থাহীনতায় শেয়ার বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা

    জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে চট্টগ্রামের শিল্পচাকা

    ইরানের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে নতুন গতি

    এলপিজি আমদানিতে ঋণসীমায় বিশেষ ছাড়

    রেমিট্যান্সে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে কাঁচামাল সংকট, চাপে প্লাস্টিক-জিআই বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.