Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অসময়ে কৃষি ঋণ

    মে ২, ২০২৬ ১০:৪২ অপরাহ্ণUpdated:মে ২, ২০২৬ ১০:৪২ অপরাহ্ণ33
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    হিমাদ্রিশেখর সরকার ●
    আমাদের দেশে মাঠ পর্যায়ে প্রধানত সরকারি মালিকাধীন ব্যাংকগুলো কৃষি ঋণ বিতরণ করে থাকে। বলা হয় তারা ‘সহজশর্তে’ এ ঋণ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করে থাকে। কিন্তু ‘সহজশর্ত’ কতটা ‘সহজ’ তা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের অপেক্ষা রাখে। এ বিষয়ে যাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আছে কিংবা যারা ভুক্তভোগী একমাত্র তারাই বিষয়টি খোলাসা করতে পারে।
    যাক, এখানে আমরা আলোচনা করছি কৃষি ঋণের সময়মতো প্রাপ্যতার বিষয়টি। অর্থাৎ সরকারি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে কৃষি ঋণ বিতরণ করে থাকে তা কী সঠিক সময়ে কৃষকের হাতে পৌঁছায়? সঠিক সময়ে ঋণটি কৃষকের হাতে গেল কিনা তা তদারকি করার কোন প্রতিষ্ঠান সরকারের আছে কী? সরকারের হয়ে মাঠপর্যায়ে যারা কৃষি ঋণ দেয় তাদের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে ‘বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক’, যাকে সংক্ষেপে ‘বিকেবি’ বলা হয়। তারই আরেকটি ‘বিচ্ছিন্ন্ অংশ’ আছে যাকে ‘রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক’ বা সংক্ষেপে ‘রাকাব’ বলা হয়। এটির কার্যক্রম শুধু রাজশাহী বিভাগেই সীমাবদ্ধ। এছাড়াও আছে ‘বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড’ বা ‘বিআরডিবি’। পাশাপাশি সরকারি মালিকাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও উত্তরা ব্যাংক তো আছেই। তবে তাদের কৃষি ঋণ বিতরণের হার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই কম। আর তাদের শাখাও গ্রামে-গঞ্জে তেমন নেই। আমাদের যেসব বেসরকারি ব্যাংক আছে তাদের কৃষি ঋণ বিতরণের হার নামমাত্র। এক্ষেত্রে তারা সরকারি আদেশ-নির্দেশের খুব একটা তোয়াক্কাও করে বলে মনে হয় না।
    এখন প্রশ্ন আসবে কৃষি ঋণ বলতে আমরা কোন ধরণের ঋণকে বুঝবো? শস্য উৎপাদন, মৎস্য চাষ এবং পশুপালন খাতে যে সকল ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয় তাকেই আমরা এখানে কৃষি ঋণের সংজ্ঞা বলব। কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র যে শিল্প ঋণ এটা তার আওতাভূক্ত করা যেতে পারে।
    আমাদের দেশে শস্য উৎপাদন খাতে যে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয় তা অনেকটাই ঋতুভিত্তিক। যেমন, শীতকালে শীতকালীন সব্জি চাষ, বোরো ধান ও গম চাষের জন্য ঋণ দেয়া হয়। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে আউশ, আমন, পাট ইত্যাদি চাষের জন্যও ঋণ বিতরণ করা হয়। ব্যাংকের সার্কুলারেও এই রকমটাই লেখা থাকে। কিন্তু বাস্তবে আমরা এর ব্যতিক্রম দেখে থাকি। দেখা গেলো বোরোর আবাদ শুরু হয়ে যাওয়ার পরও বা সময় পার হয়ে গেলেও কৃষকের হাতে বোরো চাষের ঋণ পৌঁছে না। যখন পৌছায় তখন সে টাকা চাষাবাদের কাজে লাগে না। বরং তা ব্যক্তি ভোগে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া কৃষককে এ টাকা পেতে ঋণদাতাকে উৎকোচও দিতে হয় তাও বাস্তবতা! ব্যাংকের বিবিধ নিয়মাচার পালন করতে করতে কৃষক যখন ক্লান্ত ও তিক্ত-বিরক্ত তখন হয়তো দেখা যায় কৃষকের হাতে ঋণের টাকা পৌঁছে। কিংবা এ টাকা তিনি যে কাজের জন্য ঋণ করেছেন দেখা যায় আদৌ ওই টাকা তার সে খাতে খরচ হচ্ছে না বা তিনি খরচ করতে পারেননি। জমিতে জল সেচ, সার বা নিড়ানি দেওয়া ইত্যাদি কাজ তো আর থামিয়ে রাখা যায় না। কৃষি ক্ষেত্রেও সময়ের কাজ সময়ে করতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে কৃষক অন্য উৎস থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হন। যার সুদের হার সরকারি কৃষি ঋণের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়ে থাকে। এটি মহাজনী ঋণ বা এনজিও ঋণ। যার পরিশোধের শর্তও থাকে অনেক কঠিন ও নির্মম। সরকারি ব্যাংক থেকে সঠিক সময়ে ঋণ না পাওয়ার কারণে কৃষক অধিক হারে অর্থাৎ দুদিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। আমরা এখানে উদাহরণস্বরূপ একটি ফসলের কথা বললাম। বাস্তবে প্রায় ক্ষেত্রেই ঋণ বিতরণের অলিখিত এ অনিয়ম দেখা যায়। যার প্রতিকার কৃষকের হাতে নেই। তা সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে।
    আমাদের সরকারি ঋণদান সংস্থাগুলো এখনো এ বিষয়ে পেশাদারি মনোভাব প্রদর্শন করছে না। তাদের মধ্যে ঋণ বিতরণ ও আদায়ে একধরণের দায়সারা ভাব পরিলক্ষিত হয়। অবশ্য তাদের লোকবলের অভাবের বিষয়টাও বিবেচনায় নিতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক ঋণটি যদি সঠিক খাতে বিতরণ হয় আর কৃষক যদি সঠিক খাতে ঋণটির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন এতে তারা যে লাভবান হবেন একথা নির্ধিদ্বায় বলা যায়। সংশ্লিষ্ট ঋণদান সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি ঋণ বিতরণে সচেতন থাকে তবে দেশের কৃষকরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন থেকে রেহাই পান। দেশের সিংহভাগ মানুষের বেঁচে থাকা যেহেতু কৃষির ওপর এখনো নির্ভরশীল তাই কৃষিকে বাঁচাতে হবে। আর এর জন্য কৃষককে সঠিক সময়ে সঠিক ঋণ বিতরণ করতে হবে। তবেই দেশ বাঁচবে। ●

    লেখক প্রাবন্ধিক ও সাবেক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা
    shekhorhimadri@gmail.com

    অকা/কৃশি/নিলে/সৈইহো/বিকেল/২৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    চলতি অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    গুমে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

    টিসিবির পণ্য কেনার সময় দেয়াল ধস, নিহত ২

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    ইবিএল চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    চলতি অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি নারী ভ্লগার

    গুমে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

    এবার নেপাল প্রিমিয়ার লিগে সাকিব

    হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    টিসিবির পণ্য কেনার সময় দেয়াল ধস, নিহত ২

    অদৃশ্য শত্রুর নাম মাইক্রোপ্লাস্টিক

    বরীষণের রাতেই সৃষ্টি হয় কালজয়ী ‘শ্রাবণের মেঘ”

    সুরের জাদুকর কমল দাশগুপ্ত

    জুলাই সনদ: ঐকমত্যের সুযোগ, বিভাজনের আশঙ্কা

    অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আইন শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়

    সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের তিন বছর কারাদণ্ড

    বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করল চীন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.