Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ার বাজারে গতি আনতে কর সংস্কারের প্রস্তাব ডিএসইর

    এপ্রিল ২, ২০২৬ ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ16
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের পুঁজি বাজারকে আরও গতিশীল, স্থিতিশীল এবং বিনিয়োগবান্ধব করতে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যাপক কর সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় উপস্থাপিত এই প্রস্তাবগুলো মূলত দীর্ঘমেয়াদে বাজারের গভীরতা বাড়ানো, নতুন বিনিয়োগ টানা এবং ঝুঁকি কমানোর কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিএসই প্রতিনিধিরা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন—বর্তমান কর কাঠামো বাজারের স্বাভাবিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। তাদের মতে, করনীতিকে বিনিয়োগবান্ধব না করলে শেয়ারবাজার কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারবে না।

    প্রস্তাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বন্ড বাজারকে শক্তিশালী করা। ডিএসই মনে করছে, তালিকাভুক্ত বন্ড থেকে প্রাপ্ত সুদের ওপর কর সুবিধা না থাকায় এ খাতের প্রবৃদ্ধি সীমিত। তাই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট বন্ডে পাঁচ বছরের কর অব্যাহতি এবং করপোরেট বন্ডে ১০ শতাংশ উৎস করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বন্ডবাজারে অংশগ্রহণ বাড়বে, কর্পোরেট খাত বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ পাবে এবং সরকারের ঋণগ্রহণ ব্যয়ও তুলনামূলক কমে আসতে পারে।

    বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রণোদনা চেয়েছে ডিএসই। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ মোট লেনদেনের মাত্র ১.৫৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ। এই বাস্তবতায় অ-নিবাসীদের মূলধনী মুনাফার ওপর পাঁচ বছরের জন্য কর অব্যাহতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কর সুবিধা চালু হলে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ বাড়বে, বাজারে তারল্য বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতকে (এসএমই) পুঁজি বাজারমুখী করতে ডিএসই আরও প্রস্তাব দিয়েছে, এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য পাঁচ বছরের কর অবকাশ দেওয়া হোক। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ শতাংশ করহার প্রযোজ্য, যা নতুন উদ্যোক্তাদের বাজারে আসতে নিরুৎসাহিত করে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে করভিত্তি বিস্তৃত হবে।

    একইসঙ্গে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে মিউচুয়াল ফান্ড, ইউনিট সার্টিফিকেট ও এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর রেয়াতের সীমা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বিনিয়োগ ঝুঁকি বৈচিত্র্য করা সহজ হবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বাড়বে।

    ডিএসই আরও উল্লেখ করেছে, ব্যবসায়িক ক্ষতি অন্যান্য আয়ের বিপরীতে সমন্বয়ের সুযোগ পুনর্বহাল করা জরুরি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিগুলো পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে করদাতা হিসেবে টিকে থাকতে পারবে। পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য মূলধনী মুনাফার কর কাঠামো সহজ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত মূলধনী মুনাফা করমুক্ত রাখা এবং এর অতিরিক্ত অংশে মাত্র ৫ শতাংশ কর আরোপ করা উচিত, যেখানে বর্তমানে এই হার ১৫ শতাংশ।

    এছাড়া ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর উৎসে কাটা করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে বিনিয়োগকারীদের কর সংক্রান্ত জটিলতা কমে এবং নিয়মিত আয়ের উৎস হিসেবে ডিভিডেন্ডভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ে।

    ডিএসইর পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শেয়ারবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং স্থিতিশীল পুঁজিবাজার শুধু বিনিয়োগকারীদের জন্য নয়, সামগ্রিক অর্থনীতির জন্যও অপরিহার্য।

    সার্বিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডিএসইর প্রস্তাবগুলো কেবল কর ছাড় নয়—এগুলো একটি দীর্ঘমেয়াদি বাজার পুনর্গঠনের রূপরেখা। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরে আসবে, নতুন বিনিয়োগের প্রবাহ তৈরি হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পুঁজিবাজার আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। ●

    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মোদির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আন্দোলন, দিল্লিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    বিদেশি ষড়যন্ত্রের বয়ান কতটা বাস্তব?

    সপ্তাহজুড়ে বাজার মূলধন বাড়লো ৭ হাজার কোটি টাকা

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.