Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোয় আমানতের চেয়ে ঋণ বেড়েছে

    জুলাই ৯, ২০২৪ ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৪ অর্থবছরের নভেম্বর-এপ্রিল পর্যন্ত ছয় মাসে ইসলামী ধারার ১০ ব্যাংকে যে পরিমাণ আমানত বেড়েছে— তারচেয়ে ঋণ বেড়েছে ৯ গুণের বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো ৬ মাসে আমানত বাড়িয়েছে ২,৮০৮ টাকা; এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোতে ঋণ বেড়েছে ২৫,৭৯০ কোটি টাকা।

    চলতি বছরের এপ্রিল শেষে এসব ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ৩.৮৩ লাখ কোটি টাকা— যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.৬৪ লাখ কোটি টাকা।

    এই ১০ শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকগুলো হলো— ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামী ধারার শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, আমরা রেমিট্যান্স আয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছি। ইসলামী ধারার তিনটি ব্যাংক মিলেই দেশে আসা মোট রেমিট্যান্সের তিনভাগের মধ্যে একভাগ নিয়ে আসছে। তবে, আমরা লক্ষ্য অনুযায়ী ডিপোজিট সংগ্রহ করতে পারছি না।

    তিনি বলেন, মূলত ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নিয়ে গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে আমাদের ডিপোজিট সংগ্রহ কমে গেছে। অনেক গ্রাহকই এখন আগের মতো ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা করার ক্ষেত্রে আস্থা পাচ্ছেন না। তবে আমরা গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে কাজ করছি।

    ডিপোজিটের গ্রোথ বা প্রবৃদ্ধি কম হলেও ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধি এত বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন ঋণ খুব বেশি পাস হয়নি। তবে, অনেক ঋণ আছে যেগুলোর কিস্তি ঠিকমতো আদায় হচ্ছে না। ফলে আমাদের বকেয়া ঋণ বেড়েছে।

    আমানতের প্রবৃদ্ধি ভালো থাকলে ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না বলে মন্তব্য করেন এই ব্যাংকার।

    একই সময়ে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ইসলামী ব্যাংকিং শাখা আমানত সংগ্রহ করেছে ৪,৫০৭ কোটি টাকা এবং ঋণ বিতরণ করেছে ৩,৩২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে, প্রচলিত ব্যাংকের অভ্যন্তরে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোতে (বুথ নামেও পরিচিত) আমানত এবং ঋণ— উভয়ই গত ছয় মাসে হ্রাস পেয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসলামী ধারার অনেক ব্যাংক বর্তমানে তারল্য সংকটে আছে। বেশ কয়েকটি ইসলামী ধারার ব্যাংক ঠিকমতো সিআরআর এবং এসএলআর রাখতে পারছে না। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ওই ব্যাংকগুলোর লেনদেন সচল রাখতে বিশেষ ব্যবস্থায় তারল্য সহায়তা দিতে হচ্ছে।

    বাণিজ্যিক ও ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট আমানতের ৪ শতাংশ সিআরআর হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। আর ইসলামী ব্যাংকগুলোকে আমানতের ৫.৫ শতাংশ এসএলআর হিসাবে নগদ অর্থ, স্বর্ণ বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখতে হয়।

    মূলত গ্রহককে ঋণ দেওয়ার আগে এটি ব্যাংকগুলোর একটি রিজার্ভ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। প্রচলিত ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ১৩ শতাংশ এসএলআর রাখতে হয়।

    ইসলামী ধারার অনেক ব্যাংকই এখন নিয়ম অনুযায়ী অ্যাডভান্সেস টু ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) রাখতে পারছে না মন্তব্য করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে লিমিটের বেশি ঋণ দিয়ে ফেলেছে। তাই, নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে গিয়ে তারা সংকটে পড়ছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৮৭ শতাংশ এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকগুলিকে ৯২ শতাংশ এডিআর বজায় রাখতে হয়। অর্থাৎ, প্রচলিত ব্যাংকগুলো শতকরা হিসেবে প্রতি ১০০টাকা আমানতের বিপরীতে ৮৭ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকগুলো পারে ৯২ টাকা।

    মূল্যস্ফিতির কারণে আমানত সেভাবে বাড়ছে না উল্লেখ করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী বলেন, আমাদের অনেক গ্রাহক মূল্যস্ফীতির চাপ মেটাতে অনেক ডিপোজিট তুলে নিচ্ছেন। ডিপোজিট কমার পেছনে এটি একটি বড় কারণ।

    বকেয়া ঋণ কেন বাড়ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোয় কোয়ার্টারলি ইন্টারেস্ট (প্রফিট) চার্জ করা হয়। নতুন করে ঋণ দেওয়া না হলেও চার্জ করা সুদ ঋণের আউটস্ট্যান্ডিং বা বকেয়াকে বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া, ব্যাংকগুলো অনেক ঋণ পরিশোধে কিস্তির টাকা ঠিকমতো পাচ্ছে না। ●

    অকা/ব্যাংখা/সৈই/সকাল/৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.