Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোয় আমানতের চেয়ে ঋণ বেড়েছে

    জুলাই ৯, ২০২৪ ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৪ অর্থবছরের নভেম্বর-এপ্রিল পর্যন্ত ছয় মাসে ইসলামী ধারার ১০ ব্যাংকে যে পরিমাণ আমানত বেড়েছে— তারচেয়ে ঋণ বেড়েছে ৯ গুণের বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো ৬ মাসে আমানত বাড়িয়েছে ২,৮০৮ টাকা; এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোতে ঋণ বেড়েছে ২৫,৭৯০ কোটি টাকা।

    চলতি বছরের এপ্রিল শেষে এসব ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ৩.৮৩ লাখ কোটি টাকা— যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.৬৪ লাখ কোটি টাকা।

    এই ১০ শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকগুলো হলো— ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামী ধারার শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, আমরা রেমিট্যান্স আয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছি। ইসলামী ধারার তিনটি ব্যাংক মিলেই দেশে আসা মোট রেমিট্যান্সের তিনভাগের মধ্যে একভাগ নিয়ে আসছে। তবে, আমরা লক্ষ্য অনুযায়ী ডিপোজিট সংগ্রহ করতে পারছি না।

    তিনি বলেন, মূলত ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নিয়ে গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে আমাদের ডিপোজিট সংগ্রহ কমে গেছে। অনেক গ্রাহকই এখন আগের মতো ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা করার ক্ষেত্রে আস্থা পাচ্ছেন না। তবে আমরা গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে কাজ করছি।

    ডিপোজিটের গ্রোথ বা প্রবৃদ্ধি কম হলেও ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধি এত বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন ঋণ খুব বেশি পাস হয়নি। তবে, অনেক ঋণ আছে যেগুলোর কিস্তি ঠিকমতো আদায় হচ্ছে না। ফলে আমাদের বকেয়া ঋণ বেড়েছে।

    আমানতের প্রবৃদ্ধি ভালো থাকলে ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না বলে মন্তব্য করেন এই ব্যাংকার।

    একই সময়ে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ইসলামী ব্যাংকিং শাখা আমানত সংগ্রহ করেছে ৪,৫০৭ কোটি টাকা এবং ঋণ বিতরণ করেছে ৩,৩২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে, প্রচলিত ব্যাংকের অভ্যন্তরে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোতে (বুথ নামেও পরিচিত) আমানত এবং ঋণ— উভয়ই গত ছয় মাসে হ্রাস পেয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসলামী ধারার অনেক ব্যাংক বর্তমানে তারল্য সংকটে আছে। বেশ কয়েকটি ইসলামী ধারার ব্যাংক ঠিকমতো সিআরআর এবং এসএলআর রাখতে পারছে না। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ওই ব্যাংকগুলোর লেনদেন সচল রাখতে বিশেষ ব্যবস্থায় তারল্য সহায়তা দিতে হচ্ছে।

    বাণিজ্যিক ও ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট আমানতের ৪ শতাংশ সিআরআর হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। আর ইসলামী ব্যাংকগুলোকে আমানতের ৫.৫ শতাংশ এসএলআর হিসাবে নগদ অর্থ, স্বর্ণ বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখতে হয়।

    মূলত গ্রহককে ঋণ দেওয়ার আগে এটি ব্যাংকগুলোর একটি রিজার্ভ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। প্রচলিত ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ১৩ শতাংশ এসএলআর রাখতে হয়।

    ইসলামী ধারার অনেক ব্যাংকই এখন নিয়ম অনুযায়ী অ্যাডভান্সেস টু ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) রাখতে পারছে না মন্তব্য করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে লিমিটের বেশি ঋণ দিয়ে ফেলেছে। তাই, নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে গিয়ে তারা সংকটে পড়ছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৮৭ শতাংশ এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকগুলিকে ৯২ শতাংশ এডিআর বজায় রাখতে হয়। অর্থাৎ, প্রচলিত ব্যাংকগুলো শতকরা হিসেবে প্রতি ১০০টাকা আমানতের বিপরীতে ৮৭ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে এবং শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকগুলো পারে ৯২ টাকা।

    মূল্যস্ফিতির কারণে আমানত সেভাবে বাড়ছে না উল্লেখ করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী বলেন, আমাদের অনেক গ্রাহক মূল্যস্ফীতির চাপ মেটাতে অনেক ডিপোজিট তুলে নিচ্ছেন। ডিপোজিট কমার পেছনে এটি একটি বড় কারণ।

    বকেয়া ঋণ কেন বাড়ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোয় কোয়ার্টারলি ইন্টারেস্ট (প্রফিট) চার্জ করা হয়। নতুন করে ঋণ দেওয়া না হলেও চার্জ করা সুদ ঋণের আউটস্ট্যান্ডিং বা বকেয়াকে বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া, ব্যাংকগুলো অনেক ঋণ পরিশোধে কিস্তির টাকা ঠিকমতো পাচ্ছে না। ●

    অকা/ব্যাংখা/সৈই/সকাল/৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.