Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে ন্যুব্জ দেশে

    জানুয়ারি ২৬, ২০২৫ ৫:১৫ অপরাহ্ণ20
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যবসার প্রসার কিংবা নতুন বিনিয়োগ করা না করা নিয়ে শঙ্কা থাকায় গতি নেই অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার কাছে ঋণ পেতে মরিয়া সরকার। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বাড়ানোর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ সংগ্রহেরও চেষ্টা চলছে। তবে সাফল্য নেই কোথাও।

    দেশের রাজনীতির অনিশ্চয়তা ভর করেছে দেশের অর্থনীতিতে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আস্থাহীনতায় ব্যবসা-বিনিয়োগে ভাটা। উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণনে ধীরগতি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ। সার্বিকভাবে এর প্রভাব পড়েছে দেশের রাজস্ব আয়ে। টাকা জোগাড়ের সহজ পন্থা হিসেবে জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে করের বোঝা।

    অর্থ বছরের মাঝপথে চলতি বছরের শুরুতেই আইএমএফের প্রেসক্রিপশনে অধ্যাদেশ জারি করে অর্ধশতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট আরোপ করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে নামে ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ভোক্তারা।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হঠকারী, অপরিণামদর্শী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত থেকে আংশিক ইউ টার্ন নিতে বাধ্য হয়েছে সংস্থাটি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে ন্যুব্জ গণতান্ত্রিক একটি দেশে এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়াকে সরকারের স্ববিরোধী নীতির সঙ্গে তুলনা করছেন ব্যবসায়ীরা।

    মতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব ল্যমাত্রা দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানে গদিছাড়া হলেও তাদের রেখে যাওয়া টার্গেট অনুযায়ী কাক্সিত রাজস্ব আসছে না। বরং রাজস্ব আয় বড় ধরনের ঘাটতির পথে। অর্থ বছরের ছয় মাসেই রাজস্ব আয়ে টানাটানি চলছে।

    ঘাটতি ছাড়িয়েছে প্রায় ৫৮ হাজার কোটি টাকা। এমন পরিস্থিতিতে করজাল সম্প্রসারণ না করে উল্টো করের হার বাড়িয়ে আবার কিছু পণ্যে করের হার কমিয়ে অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে আইএমএফ বাংলাদেশকে কর-জিডিপি অনুপাত ০.২ শতাংশ বাড়ানোর শর্ত দিয়েছে। বাড়তি এই টাকা চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার সঙ্গে যুক্ত হবে। জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নানা সংকটে রাজস্ব আদায়ে ধস। প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৫৮ হাজার কোটি টাকা। এমন অবস্থায় তৃতীয় কিস্তির টাকা পেতেই এই পদপে। যদিও এর ফলে আগে থেকেই অস্থির থাকা বাজার আরো অস্থির হয়েছে। বেড়েছে ভ্যাটের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি পণ্য ও সেবার দাম। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দেশের খেটে খাওয়া কোটি মানুষ।

    নতুন বছরে বিস্কুট, ওষুধ, আমদানি করা ফল, ফলের রস, সাবান, সাবানজাতীয় পণ্য, পোশাক কেনাকাটা, মিষ্টি, বেশ কয়েক ধরনের টিস্যু, মোটরগাড়ির গ্যারেজ, রেস্তোরাঁ, এলপি গ্যাসের মতো পণ্যে ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। সিগারেটে আরেক দফা দাম ও কর বাড়ানো হয়েছে। মোবাইল ফোনের সিম কার্ডের ওপর সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে বাড়িয়ে ২৩ শতাংশ করা হয়েছে। ইন্টারনেট সেবা বা আইএসপির ওপর প্রথমবারের মতো ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বসানো হয়েছে।

    পরে আন্দোলনের মুখে রেস্তোরাঁ, মোবাইল ফোন, ওয়ার্কশপ, ওষুধসহ ৯ পণ্য ও সেবার বাড়তি ভ্যাট প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর। যদিও আন্দোলনের জেরে এই ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘আইএমএফ সরকারকে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের শর্ত দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইএমএফের সঙ্গে বসেই আমরা নীতি প্রণয়ন করেছি। সরকার তাতে সম্মত হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ থেকেও কিছু সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনের কারণেই ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। বিভিন্ন কারণে সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে সরকারের মনে হয়েছে যে কয়েকটি পণ্যের ওপর ভ্যাট সমন্বয় করা প্রয়োজন। তখন এই কাজগুলো করা হয়েছে। ’

    এনবিআরের সমালোচনা করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘সব সময়ই এনবিআর এ ধরনের কাজগুলো করে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করার কোনো প্রয়োজন তারা অনুভব করে না। এসি চেয়ারে বসে যদি তারা একটা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় তাহলে সেটা ব্রিটিশ জমিদারি প্রথার মতোই হয়ে গেল। গণতান্ত্রিক দেশে এটা হওয়ার কথা নয়। আমলাতন্ত্রের কালো থাবা ও চরম অব্যবস্থাপনার কোনো সীমারেখা নেই, তা আবারও স্পষ্ট হলো। এই সরকারকে একটা জটিল পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দেওয়ার জন্যই এসব করা হয়েছে। ’

    টাকা জোগাড়ে ভ্যাট বাড়িয়ে পরে আবার চাপের মুখে ভ্যাট কমানোর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘কোনো ধরনের প্রভাব পর্যালোচনা করা হয়নি। খুবই তড়িঘড়ি করে এসব করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হলে সেটার যে একটা পুশব্যাক আসবে তা বোঝার জন্য কোনো বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই। এটা তো সাধারণ জ্ঞান প্রয়োগ করেই বোঝা যায়। এই অর্থ বছরেই রাজস্ব আদায় বাড়ানোর একটা চাপ ছিল আইএমএফের পক্ষ থেকে, কিন্তু এখানে আরো নেগোসিয়েশন করা যেত। ’

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘রাজনীতি ও অর্থনীতি দুটি বিষয়কে আলাদা করা যাবে না। একটা দেশে যদি রাজনীতি ভালো না হয়, সেই দেশে কখনোই অর্থনীতি ভালো হয় না। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি তথা সার্বিক অর্থনীতির পরিস্থিতির উন্নতির জন্য রাজনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। সবাই সামনে তাকিয়ে আছে, সামনে যে দেশের রাজনীতির কী হবে।’ ‘অর্থনীতির এই নাজুক পরিস্থিতিতে নতুন করে ভ্যাট ও কর চাপিয়ে দেওয়া অনুচিত। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে হলে ব্যবসায়ীদের ওপরে নতুন করে কোনো বোঝা চাপানোর সুযোগ নেই। ●

    অকা/আখা/ফর/রাত/২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    বিমানের চেয়ারম্যান হলেন ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান

    টেকসই উন্নয়ন অর্থায়নে সংকটে বিশ্ব; জাতিসংঘের সতর্কতা

    বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফের উৎপাদন শুরু

    বায়রার নতুন প্রশাসক বদরুল হক

    সামাজিক সুরক্ষায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.