Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশন নীতিমালা কঠোর করল বাংলাদেশ ব্যাংক

    নভেম্বর ২৮, ২০২৪ ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ23
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা ব্যাসেল-৩-এর আলোকে ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশন নীতিমালা কঠোর করল বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী এপ্রিল থেকে চলতি বা মেয়াদি সব ঋণের কিস্তি পরিশোধের তারিখ পার হলেই তা মেয়াদোত্তীর্ণ ধরা হবে। ২০১৯ সাল থেকে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে ছয় মাস পর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ হচ্ছিল। আগামীতে তিন থেকে ছয় মাস কিস্তি না দিলেই শ্রেণিকৃত ঋণের প্রথম পর্যায় সাব-স্ট্যান্ডার্ড তথা নিম্নমানের খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে ঋণ। বর্তমানে ৯ মাস পর্যন্ত সাব-স্ট্যান্ডার্ড বিবেচিত হয়। এছাড়া সব ধরনের ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিংয়ের হার অভিন্ন করা হয়েছে। গতকাল ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং-বিষয়ক সমন্বিত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে ঋণ শ্রেণিকরণের নীতিমালায় এমন কঠোরতা আনা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, কোনো ঋণ ছয় মাস মেয়াদোত্তীর্ণ হলেই তা খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আইনে কোনো পরিবর্তন না এনে ২০১৯ সালের এপ্রিলে এক নির্দেশনার মাধ্যমে কৌশলে খেলাপি কম দেখানোর সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পরামর্শে জারি করা সার্কুলারে বলা হয়, মেয়াদি ঋণ বকেয়া হিসাবের ক্ষেত্রে বাড়তি ছয় মাস সময় পাবে। এর মানে কিস্তি পরিশোধের শেষ তারিখের ছয় মাস পর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ গণনা করা হবে। এই নিয়মে প্রকৃতপক্ষে এক বছর পর খেলাপি হচ্ছে। অবশ্য এরই মধ্যে এই নিয়ম কিছুটা কঠোর করা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক থেকে তিন মাস পর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ গণনা করা হচ্ছে। এছাড়া আগের মতো নির্দিষ্ট আইনজীবীদের মাধ্যমে আদালতে গেলেই স্থগিতাদেশ মিলছে না। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঢালাওভাবে কোনো বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে না।
    আমানতকারীদের সুরক্ষা দিতে সব ধরনের ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত হারে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখতে হয়। যত বেশি মেয়াদোত্তীর্ণ হবে, তত বেশি প্রভিশন রাখার নিয়ম রয়েছে। এক্ষেত্রেও বিভিন্ন শিথিলতা ছিল। আর ঋণ বিতরণের সময়ও প্রভিশন রাখতে হয়, যা সাধারণ প্রভিশন হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে দুই শতাংশ প্রভিশন রাখার বিধান ছিল। আগামী এপ্রিল থেকে সব ধরনের নিয়মিত ঋণের প্রভিশন রাখতে হবে এক শতাংশ। এতদিন ভিন্ন ভিন্ন প্রভিশনিংয়ের কারণে অনেক ব্যাংক এক খাতের ঋণ আরেক খাতে দেখানোর মতো অনিয়ম করে আসছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতামালা অনুযায়ী, একটি ঋণ বকেয়া হওয়ার তিন মাসের আগ পর্যন্ত শ্রেণিকৃত হওয়ার আগের অবস্থা তথা স্পেশাল মেনশন অ্যাকাউন্ট (এসএমএ) হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে প্রভিশন রাখতে হবে এখনকার মতোই পাঁচ শতাংশ। এছাড়া তিন থেকে ছয় মাস মেয়াদোত্তীর্ণ হলে এখন থেকে একটি ঋণ সাব-স্ট্যান্ডার্ড বিবেচিত হবে। এ ধরনের ঋণে প্রভিশন রাখতে হবে ২০ শতাংশ। ছয় মাসের পর থেকে ১২ বছর পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ ডাউটফুল বা সন্দেহজনক ঋণে ৫০ শতাংশ এবং ১২ মাসের বেশি মেয়াদোত্তীর্ণ মন্দা বা ক্ষতিজনক মানের ঋণে প্রভিশন রাখতে হবে শতভাগ। ব্যাংকগুলোর অর্জিত মুনাফা বা উদ্যোক্তাদের জোগান দেয়া মূলধন থেকে এই প্রভিশন রাখতে হয়। কোনো ঋণ আদায় হওয়ার আগ পর্যন্ত এই প্রভিশন আয় খাতে নেয়া যায় না। অবশ্য বিগত সরকারের সময়ে ডেফারেল সুবিধা নিয়ে কোনো প্রভিশন না রেখেও অনেক ব্যাংক লভ্যাংশ দেয়ার সুযোগ হয়েছে।

    আর্থিক খাত সংস্কার কর্মসূচির আওতায় ১৯৮৯ সালে সর্বপ্রথম ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালা করা হয়। আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরে ধাপে ধাপে ১৯৯৮ ও ২০০৬ সালে মাস্টার সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ ২০১২ সালে ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালা করে মাস্টার সার্কুলার করা হয়। তবে পরে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে নীতিমালায় ব্যাপক শিথিলতা আনা হয়। এখন আবার আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে ১২ বছর পর সার্কুলার করা হলো। আর্থিক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংক সহায়তার অন্যতম একটি শর্ত ছিল এই নীতিমালাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। ●
    অকা/পুঁবা/ই/ সকাল, ২৮ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.