Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    সোমবার, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৫ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কালোটাকা সাদা করার সুযোগও রাখা হয়নি: এনবিআর

    জুন ১৫, ২০২৬ ১২:৩৬ অপরাহ্ণUpdated:জুন ১৫, ২০২৬ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    প্রস্তাবিত বাজেটে কালোকাটা সাদা করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে তখনই এর ব্যাখ্যা দিলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কোনো কর বসানো হয়নি কিংবা কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়নি।

    রোববার (১৪ জুন) ইকোনমিক রিপোটার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘অর্থ বিল ২০২৬-২৭ এর বিশ্লেষণ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব বিষয়ে কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

    সঞ্চয়পত্রের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম সচিব (কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও মূল্যায়ন) মো. জাফর ইমাম বলেন, এখানে আগে ছিল ন্যূনতম কর। এটি সঞ্চয়পত্রের আয়ের সঙ্গে এডজাস্ট না হলেও, এই কর দিয়ে অন্য কোনো খাতের আয়ের ওপর কর দেওয়া যেত না। ফলে এই আয়ের টাকাটা আসলে নষ্ট হত। টাকা করদাতা ফের ও পেত না। এবার এটাকে অগ্রিম করার ফলে করদাতার কর অনেক কমবে।

    উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, একজন করদাতার ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। এর ওপর ১০ শতাংশ হারে ৫ লাখ টাকা সুদ নেন। এই ৫ লাখ টাকার ওপর ৫ শতাংশ হারে ২৫ হাজার টাকা কর আসে। এখন ৫ লাখ টাকার মধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকা (করমুক্ত আয়ের সীমা) যদি বাদ দেই; ২ লাখ টাকার ওপর কর আসে ১৫ হাজার টাকা। আগের আইনে তার যে ২৫ হাজার টাকা কর কাটা ছিল; এটাই ফাইনাল সেটেলমেন্ট। আর এখনকার আইনে ২৫ হাজার টাকা কাটা আছে, ১৫ হাজার টাকা হচ্ছে তার কর। ১০ হাজার টাকা করদাতা ফেরত পাবে।

    অথবা তার অন্য কোন খাতের সঙ্গে এডজাস্ট হবে। তাহলে তার কর কমলো। রিফান্ডের প্রসিডিউর নিয়ে আমরা কাজ করছি। রিটার্ন জমা দেওয়ার পর্যায়ে সিস্টেম যখনে চেক করে দেখবেন রিফান্ড ক্রিয়েট হয়েছে, সিস্টেম রিটার্ণ পূরণ করার সময় একটা ফরম দিবে সেখানে করদাতার ব্যাংক হিসাব নাম্বার নিয়ে নিবে; সিস্টেম দেখবে অডিট করবে তারপর ১২০ দিনের মধ্যে অটো টাকা চলে যাবে।

    আর সঞ্চয়পত্রের ব্যাপারে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর কর বাড়ায়নি। সঞ্চয়পত্রের উপর নিয়মটা এসেছে, তাতে যেটা হবে হাজার হাজার করদাতা যাদের সঞ্চয়পত্রের আয় ছাড়া আর কোন আয় নেই। তার কিছুটাকা হলেও ফেরত পাবে, অটোমেশনের কারণে। রিটার্ন সাবমিটের পর রিফান্ডের কথা বলেছেন জাফর। আমি আরেক ধাপ এগোতে চাই।

    তিনি বলেন, একজনের ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। তার বেতন বছরে ১০ লাখ টাকা। আর হাউজ প্রোপার্টি আয় আরও ১০ লাখ টাকা। তাহলে ৫০ লাখের উপর সুদ আসে ৫ লাখ টাকা তার উপর ১০ শতাংশ হারে কর কাটা হলে; কর হবে ৫০ হাজার টাকা। আর বাকী ২০-২৫ লাখের উপর কর আসে প্রায় ৩ লাখ টাকার মত। আগের আইনে ছিল সঞ্চয় পত্র বাদে তার আয় ২০ লাখ টাকা। তার ওপর কর ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ওই যে ৫০ হাজার টাকার উৎসে কর কেটে রাখছে সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে এটা এই আয়ের ওপর এডজাস্ট হতো না। এই আয়ের করের জন্য বিবেচনার সুযোগ ছিল না। কারণ সেটা ন্যূনতম কর। সুতরাং আগের নিয়মে ওইকরদাতার ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা দেওয়া লাগতো। সঞ্চয়পত্রের জন্য দেওয়া লাগতো আরও ৫০ হাজার টাকা। তার ৩ লাখ ৩৫ হাজারটাকা দেওয়া লাগতো। এখন তার তিন লাখ টাকা টোটালের ওপর ৫০ হাজার টাকা এডজাস্ট হচ্ছে। তাকে দেওয়া লাগছে ৩ লাখ টাকা।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যারা ধনী লোক। সঞ্চয়পত্র আছে, বাড়িও আছে, ফ্ল্যাট আছে, চাকুরি আছে অন্য আয় ও আছে। তাদের ক্ষেত্রে কর বাড়বে। কারণ আপনি ১০ শতাংশ কর দিচ্ছেন। আপনার করহার ২০ হতে পারে, ২৫ হতে পারে, ৩০ ও হতে পারে। ফলে কর বেশি দিতে হবে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, কালোটকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার কোন ইনটেনশন আমাদের নেই। এ ধরণের কোন বিধি বিধান আসে নাই। গতবার একটা বিধান এনেছিলাম শুরুতে, যারা বাড়ি বানাবে বা ফ্লাট বানাবে তারা প্রতি স্কয়ার ফিট হিসাব করে টাকা দিবে। এটা এক্সেপ্ট করা হবে। এটা পরবর্তীতে বাদ হয়ে গেছে। বর্তমান সরকার ওই স্প্রীটটাকে ধারণ করে প্রথমেই বলেছে কালো টাকার কোন প্রভিশন থাকবে না। বাজেটে এ ধরণের কোনো ‍সুযোগ দেই নাই।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 hour আগে

    এনবিআর কালোটাকা বাজেট

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
    কৃষিতে বাজেট বাড়ালেও কমছে উৎপাদনশীলতা

    কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি

    প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব : বিজিএমইএ

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আর্জেন্টিনার সমর্থক পারশার উচ্ছ্বাস

    অস্থিরতার মুখে পুরো জ্বালানি খাত

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
    কৃষিতে বাজেট বাড়ালেও কমছে উৎপাদনশীলতা

    কালোটাকা সাদা করার সুযোগও রাখা হয়নি: এনবিআর

    বিশ্ববাজারে ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে তেলের দাম

    তিউনিসিয়াকে গোল বন্যায় ভাসালো সুইডেন

    প্রণোদনার অর্থ আটকে কমছে ব্যাংকের মুনাফা

    স্বর্ণ বিক্রির মুনাফায় ১৫% কর!

    ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    রিজার্ভ বেড়ে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    আড়াই হাজার কোটি টাকা পেল ইসলামী ব্যাংক

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    সাইবার অপরাধ ও নারীর হেনস্থা

    অনুমোদন দেয়নি ভারত
    নেপাল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ আসছে না বাংলাদেশে

    ড্র করে শেষ রক্ষা পেল ব্রাজিল

    কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি

    ব্রাজিল–মরক্কো লড়াইয়ে কেউ কারও চেয়ে কম নয়

    জমির বদলে পাওয়া ফ্ল্যাটেও কর

    প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব : বিজিএমইএ

    ওপারে আসছে জয়ার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.