অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
জরুরি ভিত্তিতে কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি তুলতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উচিত হবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউএসটিআরের সঙ্গে আলোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রগামী বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা। অবিলম্বে এই কাজ শুরু করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে বাণিজ্য চুক্তি ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। যেমন এলএনজি আমদানিতে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সুতা আমদানিতে জলবায়ু-নিয়ন্ত্রিত বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ বিষয়টি আমাদের জোরেশোরে তুলে ধরতে হবে যে মার্কিন সুতা আমদানিতে বাংলাদেশ শুল্ক আরোপ করে না।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর সুযোগ খুঁজতে হবে; যেমন বিভিন্ন ধরনের শস্য, সয়াবিন ও অন্যান্য পণ্য। বাণিজ্যে ভারসাম্য আনার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকার বোঝাতে এসব পণ্য আমদানি করা যেতে পারে।
অনন্ত গ্রুপসহ অন্যান্য বাংলাদেশি শিল্পগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা স্থাপন করে অন্তত ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করতে চায়, এ ধরনের ইতিবাচক খবর প্রচার করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা শঙ্কিত। এখন ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বজায় রাখতে তারা বাংলাদেশের সরবরাহকারীদের দাম কমানোর চাপ দিতে পারে। এই দেশগুলোতে এফওবি মূল্যের ওপর ১১ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়; এটা বড় সুবিধা। ভারত, পাকিস্তানসহ মিসর, কেনিয়া ও তুরস্ক আগামী বছরের মধ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বেশ কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে এই অবস্থান নেয়া জরুরি। ●
অকা/আখা/ফর/দুপুর/৫ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে
