Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের পোল্ট্রি খাতে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য তৈরি হয়েছে—যেখানে প্রান্তিক খামারিরা উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে লোকসানে মুরগি বিক্রি করছেন, সেখানে একই পণ্য বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে দ্বিগুণ দামে। ফলে একদিকে খামারিরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন, অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত মূল্য। মাঝখানে লাভবান হচ্ছে একটি অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী চক্র—এমন অভিযোগই উঠে এসেছে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে।

    বর্তমানে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ প্রায় ১৪৫ টাকা হলেও, বাজারে সেই মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকার আশপাশে। অর্থাৎ, উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যবর্তী ধাপে বিশাল দামের ফারাক তৈরি হয়েছে। একইভাবে সোনালি মুরগির দামও হঠাৎ করে কেজিতে প্রায় ১০০ টাকা বেড়ে ৪৩০ টাকায় পৌঁছেছে। দেশি মুরগির ক্ষেত্রেও একই চিত্র—দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম ৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০০ টাকায়।

    টাঙ্গাইলের ভূঁঞাপুর উপজেলার খামারি আলমগীর হোসেন, যিনি দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে খামার পরিচালনা করছেন, জানান যে বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে খরচ পড়ে প্রায় ১০.৫ থেকে ১১ টাকা। অথচ অনেক সময় পাইকারি বাজারে তা বিক্রি করতে হয় মাত্র ৭.৫ থেকে ৮.৫ টাকায়। একইভাবে ব্রয়লার মুরগির ক্ষেত্রেও উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন খামারিরা। তাঁর মতে, গত এক বছরে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে, যা খামারিদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার খামারি লোকসান গুনছেন, কিন্তু বাজারে সেই প্রভাব উল্টোভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে—দাম বাড়ছে ক্রেতার জন্য, কিন্তু উৎপাদক পাচ্ছেন না ন্যায্য মূল্য।

    রাজধানীর নয়াবাজারের একজন ক্রেতা সাঈদ আল মামুন জানান, ঈদের আগেও বাজারে এমন অস্থিরতা ছিল না। এখন হঠাৎ করে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে গেছে, যা সাধারণ পরিবারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আগে অন্তত পরিবারের জন্য কিছু মাছ-মাংস কেনা যেত, কিন্তু এখন সেই সামর্থ্যও অনেকের নেই।

    খুচরা বিক্রেতাদের মতে, পাইকারি বাজারেই মুরগির দাম বেড়ে গেছে, যার প্রভাব খুচরা পর্যায়ে পড়ছে। বিক্রেতা আমিনুল জানান, প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সোনালি মুরগির ক্ষেত্রে পাইকারি দামই ৭০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

    পাইকারি বাজারের বিক্রেতারা আবার এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে পরিবহন সংকট ও জ্বালানি সমস্যাকে দায়ী করছেন। কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী সোহেলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়েছে, ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থাও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারদরে।

    অন্যদিকে ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। তিনি বলেন, ব্রয়লার মুরগি সাধারণ মানুষের জন্য প্রধান আমিষের উৎস, কিন্তু এখানেও কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে। কেন দাম বাড়ছে এবং কোথায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

    তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কেউ যেন অবৈধভাবে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সেজন্য বাজার তদারকি জোরদার করা জরুরি।

    এদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। খামার, পাইকারি ও খুচরা—তিন স্তরের মূল্য বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে কোথায় অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে এবং কারা এর জন্য দায়ী।

    সার্বিকভাবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত করছে যে, বাজার ব্যবস্থাপনায় কোথাও বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। উৎপাদক ক্ষতিগ্রস্ত, ভোক্তা চাপে, অথচ মধ্যবর্তী কোনো গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে—এই চক্র ভাঙতে কার্যকর নজরদারি ও নীতিগত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। ●

    অকা/প্র/ই/দুপুর/১১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    চলতি অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    গুমে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

    টিসিবির পণ্য কেনার সময় দেয়াল ধস, নিহত ২

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    ইবিএল চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    চলতি অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি নারী ভ্লগার

    গুমে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

    এবার নেপাল প্রিমিয়ার লিগে সাকিব

    হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    টিসিবির পণ্য কেনার সময় দেয়াল ধস, নিহত ২

    অদৃশ্য শত্রুর নাম মাইক্রোপ্লাস্টিক

    বরীষণের রাতেই সৃষ্টি হয় কালজয়ী ‘শ্রাবণের মেঘ”

    সুরের জাদুকর কমল দাশগুপ্ত

    জুলাই সনদ: ঐকমত্যের সুযোগ, বিভাজনের আশঙ্কা

    অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আইন শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়

    সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের তিন বছর কারাদণ্ড

    বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করল চীন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.