Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৪ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    গরিব মানুষ দেয়, সেই কর কমানোর সুযোগ নেই

    ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ10
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন  ●
    বাংলাদেশে কর কাঠামা একই রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন নাই। মানুষের আয়ের নির্দিষ্ট অংশ সরাসরি নেওয়ার পাশাপাশি ভ্রমণ কর মোট রাজস্বের এক তৃতীয়াংশ। জুলাই-ডিসেম্বর এ ছয় মাসে প্রত্য করের পরিমাণ ৫২ হাজার ১৮৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কম বেশি একই ধারায় বাংলাদেশে প্রত্য কর। সরকারের ব্যয় নির্বাহে রাজস্ব আদায় করতে হয়। পরো কর আদায় তুলনামূলক সহজ হওয়ার কারণে সরকারকে সে পথেই রাজস্ব আদায়ে যেতে হয়। বাংলাদেশের ৫৩ বছরে ধরেই সে পথে রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    সর্বনিম্ন আয়ের বস্তির মানুষ নির্বিশেষে জীবনযাপনের ব্যয় এবং সব ধরনের কেনা-কাটার মধ্য দিয়ে শোধ করতে হয় দেশের কর ব্যবস্থার দুই-তৃতীয়াংশ। এসব মূল্য সংযোজন কর আমদানি শুল্ক, স্থানীয় পর্যায়ে শুল্ক ও রফতানি শুল্কের মাধ্যমে নেওয়া হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর ছয় মাসে মোট রাজস্বের ৬৬ শতাংশ বা এক লাখ চার হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

    ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আহরণ করা মোট রাজস্বের ৩৪ শতাংশ প্রত্য কর, আর পরো কর ছিল ৬৬ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে প্রত্য কর ছিল ৩১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, পরো কর ছিল ৬৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রত্য কর ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ, আর পরো কর ৬৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।

    ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আহরণ করা মোট রাজস্বের প্রত্য কর ৩২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পরো কর ৬৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে প্রত্য কর ৩৩ শতাংশ, পরো কর ৬৭ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রত্য কর ৩২ দশমিক ৭৯ শতাংশ, পরো কর ৬৭ দশমিক ২১ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থ বছরে প্রত্য কর ৩৪ দশমিক ১০ শতাংশ, পরো কর ৬৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রত্য কর ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, পরো কর ৬৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

    রাজস্ব বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কর নেট বৃদ্ধি, বর্তমান ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) নম্বরধারীদের আয়কর রিটার্ন নিশ্চিত করা, সম্পদ কর আদায়সহ নতুন নতুন উৎসের খোঁজের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পরো করে সাধারণ মানুষের ওপরই বেশি চাপ পড়ে। দেশে বৈষম্য কমাতে পরো করের পরিমাণ কমানো ও প্রত্য করের পরিমাণ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। অনেক আগে থেকেই প্রত্য কর বৃদ্ধিতে মতামত দেওয়া হচ্ছে। উদ্যোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে তা কাজে আসছে না। আগের জায়গাতেই রয়ে গেছে। পরো কর কমানোর জন্য এখন আমাদের সামনে যে পথটি তা হলো, আগে প্রত্য কর বাড়াতে হবে।

    ব্যবসায়ীসহ বিত্তবানদের আরও বেশি করের আওতায় আনার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে এমন অনেক ব্যবসায়ী আছেন, যারা আমাদের মতো চাকরিজীবীর চেয়ে কম কর দেন; অনেকে দেনই না। তাদের সঠিকভাবে করের আওতায় আনতে হবে। এভাবে আমাদের প্রত্য কর বাড়াতে হবে। আর আস্তে আস্তে পরো কর কমাতে হবে।

    কর বৃদ্ধিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুটি বড় ধরনের পদপে নিয়েছে। টিআইন বৃদ্ধি, সব টিআইএনধারীদের আয়কর রিটার্নে বাধ্য করা ও কর প্রদানে সহজিকরণের অংশ হিসেবে প্রযুক্তির ব্যবহারের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    দেশের টিআইএন সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২০ লাখ। এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দেয় মাত্র ৪০ লাখ। বাকি ৮০ লাখ টিআইএনধারী আয়কর রিটার্ন দেন না। এসব টিআইএন ধারী রিটার্নের আওতায় আনা গেলে কমপে ২০ শতাংশ প্রত্য কর বাড়বে। সব টিআইএনধারীকে আয়কর রিটার্নে বাধ্য করতে উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর।

    এনবিআরের আয়কর বিভাগ সূত্র জানা গেছে, যেসব টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেয় না তাদের নোটিশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা আয়কর যোগ্য তারা করসহ আয়কর দেবে, যারা কর যোগ্য না তারা কর ছাড়া আয়কর রিটার্ন দেবে। এর ফলে রাজস্ব বাড়বে।

    আয়কর বৃদ্ধিতে সহজিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইনের রিটার্ন দাখিল বাড়লে আয়কর বৃদ্ধি পাবে বলেও মনে করছে এনবিআর।

    এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক একজন চেয়ারম্যান বলেন, অনেক দিন ধরে আমরা বলে আসছি টিআইএনধারীর সংখ্যা বাড়াবো, কেন টিআইএনধারীরা ট্যাক্স দেয় না, তাদের করের আওতায় আনা হবে; এমন কথা বলা হলেও আসলে কাজের কাজ হয় না। মুখে বলা কথা আর বাস্তবতা এক নয়। তিনি বলেন, যে সব কারণে কর বৃদ্ধি পায় না সেগুলো কার্যত সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগে শৈথিল্য বা পপাত করা করা; বিদেশে টাকা পাচার হওয়া ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া; রাজস্ব বিভাগে লোকজনের দতা ও সমতার অভাব এবং জনগণের কাজে বিশ্বাসযোগ্য ব্যবহার করতে পারা। এ কারণে মানুষ কর দিতে উৎসাহ বোধ করে না। প্রত্য কর দেওয়ার েেত্র বিষয়টি আরও প্রকট।

    মানুষ যদি মনে করে, পাচার করে কেউ কেউ বিদেশের গিয়ে গাড়ি-বাড়ি, সম্পদ জমা করছে; স্বাচ্ছন্দের জীবনযাপন করছে; পাচারকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এমন ব্যবস্থা থাকলে মানুষ কর দিতে চাইবে না। তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ে এনবিআর এখন যে সব উদ্যোগের কথা বলছে এটা বাস্তবতা বর্জিত, কথার কথা। প্রত্য কর বৃদ্ধিতে বাস্তব ভিত্তিক, বিশ্বাসযোগ্য এবং আইনের সঠিক প্রয়োগে জোর দিতে হবে। রাজস্ব দেওয়ার েেত্র মানুষকে আস্থায় আনতে হবে।

    বাংলাদেশের পরো করাঘাত নজিরবিহীন। বাংলাদেশেই শুধু পরো কর বেশি; পৃথিবীর সব দেশে প্রত্য কর বেশি। প্রত্য কর বাড়তে থাকা মানে হলো, যার যেমন আয় বা সম্পদ বেশি সে তত বেশি কর দেয়। যার কম আয় সে কম কর দিয়ে থাকে। সব দেশেই প্রত্য কর বাড়ে ‘ইক্যুইটি প্রিন্সিপাল‘ হিসেবে। যার দশ লাখ টাকা আয় সে যদি ১০ শতাংশ হারে কর দেয়, যার ৫০ কোটি টাকা আয় স্ল্যাব অনুযায়ী তার ট্যাক্স উঠবে ৫০ শতাংশে। বাংলাদেশ একটি অদ্ভুত দেশ। বড়লোকের সুবিধা করে দেওয়ার জন্য কর কাঠামোতে পরো করই দুই-তৃতীয়াংশ, যা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করা হয়।

    রুটির ওপরে ভ্যাট; বড়লোক যে দামে রুটি কেনে, গরিব মানুষও সেই দামে রুটি কেনে। এটা সমতা বিবেচনায় সঠিক নয়। সাধারণ মানুষের ব্যবহার্য পণ্য ও সেবায় ট্যাক্স কম থাকবে। বাংলাদেশে এমন কোনো পণ্য নেই যেখানে ট্যাক্স নেই। এ ধরনের ট্যাক্স আদায় এনবিআরের কাছে খুব সহজ হয়। পরো কর আদায়ে কষ্ট করতে হয় না। আর প্রত্য কর আদায় করতে এনবিআরকে কষ্ট করতে হয়, সিস্টেম ডেভেলপ করতে হয়। বরং নেগোশিয়েন করে আরও কম কর দেয় ধনীরা। আবার এ ট্যাক্স পুরোপুরি সরকারের কাছে যায় না। অথচ পরো কর, যা গরিব মানুষ দেয়-সেই কর কমানোর সুযোগ নেই। আর এ কারণে বৈষম্য প্রকট হচ্ছে।

    রাজস্ব আদায়ে কারো ওপর আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হয়, কাউকে ছাড় দেওয়া হয়-গত সরকারের সময়ে প্রায় দুই যুগ ধরে এ ব্যবস্থা আরও প্রকট ছিল উল্লেখ করেন এ শীর্ষ কর্মকর্তা। বলেন, কর না দেওয়া মানুষ যদি মনে করে কর দিলে দেশের কোনো কাজে আসছে না। ফিনল্যান্ড, ডেনমার্কের মতো উন্নত দেশে প্রত্য কর ৬০ শতাংশ। সেখানে শিা, স্বাস্থ্য সব কিছু সরকার ব্যবস্থা করে থাকে। আর আমাদের এখানে এসবের কিছুই করবে না। চিকিৎসা নিতে হলে বেসরকারি খাতে টাকা খরচ করতে হবে। শিা নেবেন, বেসরকারি খাতে বেশি টাকা খরচ করে নিতে হবে। পাবলিক সার্ভিস ভালো না, প্রাইভেট সার্ভিস নিতে হবে। এটা কোনো ভালো নীতি নয়। এটা আর্থসামাজিক উন্নয়নেরও সম্পূর্ণ পরিপন্থি। ●

    অকা/আখা/ফর/বিকাল/২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আড়াই হাজার কোটি টাকা পেল ইসলামী ব্যাংক

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন – ২০২৫ উদযাপন

    সাইবার অপরাধ ও নারীর হেনস্থা

    অনুমোদন দেয়নি ভারত
    নেপাল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ আসছে না বাংলাদেশে

    ড্র করে শেষ রক্ষা পেল ব্রাজিল

    কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি

    ব্রাজিল–মরক্কো লড়াইয়ে কেউ কারও চেয়ে কম নয়

    জমির বদলে পাওয়া ফ্ল্যাটেও কর

    প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব : বিজিএমইএ

    ওপারে আসছে জয়ার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    ইতিহাসগড়া জয়ে বিশ্বকাপ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

    আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’, ভিন্ন রূপে ফিরছেন নিশো

    ফার্মহাউস নিয়ে স্বস্তিতে সালমান খান

    আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান গভর্নরের

    সিনেমা বানাচ্ছেন আদনান আল রাজীব

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.