Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পোশাক খাতের কল্যাণে রফতানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে

    জানুয়ারি ৫, ২০২৫ ৬:০১ পূর্বাহ্ণ10
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    টানা চতুর্থ মাসের ন্যায় বেড়েছে বাংলাদেশের পণ্যদ্রব্য রফতানি। গেল ডিসেম্বর মাসে যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭২ শতাংশ হারে। মূলত তৈরি পোশাক বা আরএমজির ওপর ভর করেই হয়েছে এ প্রবৃদ্ধি।

    চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে দীর্ঘ সময় ধরে চলা শ্রমিক অসন্তোষের জেরে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া সত্ত্বেও – যা পোশাক খাতের অদম্যতাকে তুলে ধরে।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্যানুসারে, ডিসেম্বরে দেশের রফতানি আয় পৌঁছায় ৪৬৩ কোটি ডলারে, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৯৩ কোটি ডলার। 

     

    ইপিবির তথ্য বলছে, জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে মোট পণ্য রফতানি হয়েছে ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলারের। আগের বছরের একই সময়ে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছিল বাংলাদেশ।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের প্রধান রফতানি আয়কারী– তৈরি পোশাক খাতের অবদান হলো ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৫৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ তৈরি পোশাক রফতানিতে প্রায় ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

    পোশাক খাতের মধ্যে ১ হাজার ৮৩ কোটি ডলারের রফতানি আয়ে অবদান রাখে নিট পোশাক। অন্যদিকে ৯০৫ কোটি ডলার এসেছে ওভেন পোশাক রফতানি থেকে।

    কেবল ডিসেম্বরে মাসেই পোশাক খাত ১৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এর মধ্যে নিট পোশাক থেকে এসেছে ১৮৯ কোটি ডলার, আর ওভেন পোশাকপণ্য থেকে ১৮৭ কোটি ডলার।

    রফতানি গন্তব্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ফলে বিক্রি বাড়া, এবং প্রধান প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলো শ্রম অস্থিরতা থেকে স্থিতিশীল হওয়ার ফলে অন্য দেশে চলে যাওয়া কিছু অর্ডার আবার ফিরে আসা— মূলত এই দুটি কারণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পোশাক রফতানিকারকরা।

    টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব বলেন, রফতানিতে প্রবৃদ্ধির অর্থ হলো বাংলাদেশে আসা কার্যাদেশ বেড়েছে। এ সময় নিজ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের ছয়টি উৎপাদন ইউনিটের সবকটিই পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হয়েছে।

    রাকিব পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন– বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনেরও সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা দেশগুলোয় বড়দিন, ব্ল্যাক ফ্রাইডে, ইংরেজি নববর্ষ, থ্যাংকস গিভিং ও বক্সিং ডে'র কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে ডিসেম্বরে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে।

    এনভয় টেক্সটাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমাদের টেক্সটাইল মিল সক্ষমতার ৯২ শতাংশ চালু ছিল। 'তবে আমরা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পূর্ণ সক্ষমতায় মিল চালানোর মতো অর্ডার বুক করতে পেরেছি, ডিসেম্বরেও কারখানা ১০০ শতাংশ সক্ষমতায় চলেছে।'

    তিনি আরও জানান, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালিয়ে যেতে তারা বড় ক্রেতাদের থেকে পূর্বাভাস পেয়েছেন। তবে পশ্চিমা বিশ্বের বাজারে খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে, বায়াররা আরও কম দামে পোশাক কিনতে চাইছে।

    রফতানির অন্যান্য প্রধান খাতের মধ্যে, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ প্রায় ১০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য রফতানি করেছে, যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ডিসেম্বরে হয়েছিল ৮ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।

    ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশের মতো বড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিও ভালো করেছে। এ খাতের মোট রফতানি ১১ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে, যা আগের বছরের ডিসেম্বরে ছিল ৮ কোটি ৯৩ লাখ ডলার।

    ডিসেম্বরে টেক্সটাইল বা বস্ত্রখাতের রফতানি ২০ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৮ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের হয়েছে, আগের বছরে একই সময়ে যা ছিল ৬ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।

    পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে রফতানি আয় ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে ৭ কোটি ৫৬ লাখ ডলারের কিছু বেশি হয়েছে। বিগত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে যা ছিল ৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের বেশি। ●
    অকা/তৈপোশি/ই/ সকাল, ৫ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    হরমুজে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে অংশ কমলো বাংলাদেশের

    ডিএস৩০ সূচকে নতুন সমীকরণ, প্রশ্নে ব্লু-চিপের মানদণ্ড

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    কোথায় যাচ্ছে সোনার বাজার?

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসিরা

    যে ৫ কারণে ফাইনালে উঠতে পারে আর্জেন্টিনা

    মেসিদের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছে ইংল্যান্ড

    ২ লাখ ৩০ হাজার কৃষকের ২২৬ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ

    আর্থিক খাতে বেড়েছে সন্দেহজনক লেনদেন

    বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.