Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাড়তি খরচে ধুঁকছে শিল্প

    জানুয়ারি ২৭, ২০২৫ ১২:৫২ অপরাহ্ণUpdated:জানুয়ারি ২৭, ২০২৫ ১২:৫২ অপরাহ্ণ21
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির দৈন্যদশা কাটাতে পারছে না অন্তর্বর্তী সরকার। বেসরকারি খাতে নানা সমস্যার কারণে সৃষ্ট সংকটের সঙ্গে আরো নতুন করে যোগ হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। দেশের রাজনৈতিক সরকারের কাছ থেকে মতার পালাবদল হওয়ার পরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে আরো দুরবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় দিনে দিনে দায়-দেনা ভারী হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকট কাটেনি।

    দফায় দফায় করকাঠামোর পরিবর্তন। গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বেড়েছে, তবু ঘাটতি আছে। উচ্চ সুদের হারে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। কমে যাচ্ছে রফতানি আয়, শিল্পের উৎপাদন। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে শ্রমিকের বেতন। বৃদ্ধি পেয়েছে সব ধরনের কাঁচামালের দাম। এসব কারণে বেড়ে যাচ্ছে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যয়, যার সরাসরি চাপ পড়ছে ভোক্তার ওপরে। এসব সমস্যা অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলেছে। প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বিনিয়োগ প্রসারের পথ রুদ্ধ। এমনকি চলমান ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন, বলছেন ব্যবসায়ীরা।

    শিল্প খাতে এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। সব মিলিয়ে শিল্প খাতের আকাশে অমানিশার অন্ধকার দেখতে পাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করছে, কিন্তু তেমন সুফল দেখা যাচ্ছে না।

    ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে কোনো সংশোধিত বাজেট দিতে পারেনি। এটা না থাকার কারণে প্রবৃদ্ধির ধারা কমেছে, ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমেছে এবং কর্মসংস্থানে সমস্যা রয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধির ধারা, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরা যদি নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে যারা সংস্কারকে গতিশীল করতে চান তারা ধৈর্যহারা হয়ে যাবেন।’

    ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেছেন, ‘আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে অসংগত নীতি। প্রতিবছর ব্যবসায়ীরা ভয়ভীতির মধ্যে থাকে যে ট্যাক্স বাড়ল কি কমল।’ যারা ভালো ট্যাক্স দিচ্ছে তাদের আবার দিচ্ছে। পরের বছর আবার অডিট করছে। লজিস্টিক ঘাটতি রয়েছে। সেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা পণ্যের ওপর ডেমারেজ দিয়ে, আরবিটারি ট্যাক্স বসিয়ে দিচ্ছে। ফলে যে দামে পণ্য আনছেন তার দ্বিগুণ বা তিন গুণ দামে কস্ট বেড়ে যাচ্ছে। কে দেখছে? কেউ দেখছে না। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

    দেশের অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে একের পর এক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো। পরিস্থিতি উত্তরণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ দিলেও সঙ্গে আছে কঠিন শর্ত। এই শর্ত বাস্তবায়নে জনভোগান্তি বাড়ায় বিপাকে পড়েছে সরকার। এর প্রভাবে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য বেড়ে যাচ্ছে। বাড়ছে ব্যবসা খরচ, টাকার মান কমে যাচ্ছে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ না কমে বরং আরো বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ভোক্তাদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সমন্বয় হচ্ছে না। ফলে পণ্যের বিক্রি কমে গেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। তাই এখন শিল্প টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যয়ের চাপ সামলাতে না পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা, পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য রক্ষা এবং জনজীবনে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরির দাবি করেছেন তারা।

    আইএমএফের শর্তের মধ্যে রয়েছে ঋণের সুদহার বৃদ্ধি, টাকার প্রবাহ হ্রাস, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পদক্ষেপ, ভ্যাটের আওতা ও হার বৃদ্ধি, ভর্তুকি কমানো। এসব বাস্তবায়নে গেছে সরকার, যা সংকট আরো ঘনীভূত করেছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবনে।

    ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো নিয়মিত ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার কিছু খাত থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার শর্ত বাস্তবায়ন না করে দেশের বাস্তবতায় যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

    ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমান সরকার মতা নেওয়ার পর মুদ্রানীতিকে আরো কঠোর করা হয়েছে। ফলে বাজারে টাকার প্রবাহ কমানো হয়েছে। এতে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে প্রবৃদ্ধি মাত্র দেড় শতাংশে নেমেছে। ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সৃষ্ট অস্থিরতা, শ্রমিক অসন্তোষ, উদ্যোক্তাদের মধ্যে আস্থাহীনতা, ডলারের সংকট, গ্যাস ও বিদ্যুতের উচ্চ মূল্য ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহে ঘাটতি- এসব কারণে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমেছে, ফলে ঋণের প্রবাহও কমে গেছে। অথচ কর্মসংস্থানের ৯৫ শতাংশই হচ্ছে বেসরকারি খাতে। মাত্র ৫ শতাংশ হচ্ছে সরকারি খাতে। ফলে কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    ব্যবসায়ীরা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে দেখা করে ঋণের সুদের হার কমানোর জোর দাবি করেছেন। কারণ বাড়তি সুদের কারণে শিল্পের খরচ বেড়ে গেছে। এ কারণে তারা শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জে পড়েছেন।

    নতুন সরকার আসার পর প্রথমে ডলারের দাম বাড়িয়ে ১২০ টাকা করে। ১ জানুয়ারি থেকে তা আরো বাড়িয়ে ১২২ টাকা করা হয়। কিন্তু ব্যাংকে আমদানির জন্য আগাম ডলার আরো বেশি দামে বেচাকেনা হচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি খরচ বেড়েছে। এতে আমদানি করা পণ্যের দাম বেড়েছে। টাকার মান কমেছে। এর প্রভাবে অন্য পণ্য ও সেবার দামও বেড়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে, ভোক্তার ক্রয়মতা কমেছে। ●

    অকা/আখা/ফর/সন্ধ্যা/২৭ জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    লোহিত সাগরে জাহাজে শুল্ক বসাবে হুথি বিদ্রোহীরা

    লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার

    বাংলাদেশে শিগগিরই চালু হচ্ছে পেপ্যাল ও পেওনিয়ার

    সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

    রাষ্ট্রপতি হোন দলমতের ঊর্ধ্বে, জনগণের আস্থার প্রতীক

    বাড়ছে নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা

    চাঁদাবাজি: চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

    নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পেলো বাপেক্স

    শিল্পে গ্যাস–সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    নদী-খাল পুনঃখননে দীর্ঘমেয়াদি পিপিপি মডেলের আহ্বান ডিসিসিআইর

    জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি জরিমানা

    মহেশখালীতে হচ্ছে চীনের নতুন এলএনজি টার্মিনাল

    শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৮ বীমা কোম্পানির, শীর্ষে সিটি ইন্স্যুরেন্স

    এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য
    এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিল আইএমএফ

    মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসির

    রূপপুরের অর্থ পরিশোধে বিকল্প লেনদেন রুপিতে চায় রাশিয়া

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    ইবিএল চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.