Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে

    অক্টোবর ১৬, ২০২৪ ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    রাজস্ব আয় কম হওয়ায়, আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ধার বা ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে।

    ব্যাংকাররা বলছেন নতুন করে ঋণ নেওয়ার চাহিদা কমে যাওয়া, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের উচ্চ সুদহারের কারণে ব্যাংকগুলোর কাছে এটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৫ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে বিভিন্ন মেয়াদী ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রির মাধ্যমে ৪৭,২০৯ ধার করেছে। গত অর্থবছরের একই সময় শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ধার করেছিল ২৪,৪৭৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ধার বেড়েছে প্রায় ৯৩ শতাংশ।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, "সরকার টার্গেট অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। বিদেশ থেকে যেসব ফান্ড পাওয়া যেতো, সেটিও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুব বেশি আসেনি। ফলে সরকারকে বাধ্য হয়ে ব্যাংক খাত থেকে ধার করতে হচ্ছে।"

    প্রাইভেট খাতে লেন্ডিং ডিমান্ড (ঋণের চাহিদা) কম থাকায় ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারকে ধার দিচ্ছে মন্তব্য করে এ ব্যাংকার বলেন, "বর্তমানে লোনের চাহিদা কমে গেছে, কারণ নতুন করে সেভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে না। ফলে ব্যাংকগুলো তাদের লিকুইড মানি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করছে।"

    সম্প্রতি সরকারের ধার করার প্রবণতা কমায় ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদের হার ৫–১০ বেসিস কমেছে বলেও জানান এই অভিজ্ঞ ব্যাংকার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ধার নিয়ে মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার পরিশোধ করছে সরকার। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার পরিশোধ করা হয়েছে ৪২,৭৯৪ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৩০,৩৭৮ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময় শেষে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ধার ৪,৪১৫ কোটি টাকা বেড়েছে। ২০২৪ অর্থবছরের একই সময় শেষে সরকারের ধার কমেছিল ৫,৯০৪ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কন্ট্রাকশনারি মানিটারি পলিসির অংশ হিসেবে বাজারে টাকার যোগান কমাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে লিকুইড মানি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফেরানো হচ্ছে। মূলিস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের পদক্ষেপ ভালো ফল দেয়।"

    "এছাড়া, ব্যাংকগুলোতে রেপোর মাধ্যমে টাকা ধার দেওয়ার দিনের সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সপ্তাহে দুই কার্যদিবস ব্যাংকগুলো রেপোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার পায়; আগে সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসেই ধার দেওয়া হতো," যোগ করেন তিনি।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ওভারড্রফটের মাধ্যমে সরকারের ধার নির্ধারিত লিমিট ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলো থেকে ধার নিয়ে সরকার সেগুলো পরিশোধ করেছে।

    তিনি বলেন, "এছাড়া রাজস্ব আদায় টার্গেটের তুলনায় কম হলেও সরকারি কর্মচারীদের বেতন, ঋণের সুদসহ সরকারের অপারেটিং কস্ট মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ধার বাড়াতে হয়েছে।"

    ব্যাংকগুলো কম সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার নিয়ে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করছে উল্লেখ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, "কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুলিশি রেট ও ট্রেজারি বিল-বন্ডের সুদহারে অসামঞ্জস্যতা আছে। পলিসি রেট ও বিল-বন্ডের সুদহারের পার্থক্যে একটা সমন্বয় থাকা উচিত। তা না হলে ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকায় মুনাফা করার সুযোগ পায়।"

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ধার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "কোনো ব্যাংক তারলী সংকটে পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার নেবে। এখন এই ধারের টাকা দিয়ে তারা যদি ব্যবসা করে, তাহলে সেটি সমস্যা তৈরি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এসব বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে।"

    ব্যাংক খাত থেকে ধার কমাতে সরকারকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ও আয় বাড়াতে এক্সপেন্ডিচার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেভিনিউ মোবিলাইজেশন- এর প্রক্রিয়া সংস্কার করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন বিশ্বব্যাংকের সাবেক এই অর্থনীতিবিদ। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ১৬ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.