Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকগুলো এলসি খোলা বাড়িয়েছে

    সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৩ ৪:১৭ পূর্বাহ্ণUpdated:সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৩ ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিদেশি হিসাবে (নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে) ডলার সরবরাহ বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো ঋণপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলা বাড়িয়েছে। টানা দুই মাস ধরে বাড়ছে এলসি খোলার পরিমাণ। তবে গত অর্থবছরের শুরু সময়ের চেয়ে কিছুটা কম খোলা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আগস্টে ৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়। আগের মাস জুলাইয়ে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক মাসে এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। জুনে এলসি খোলা হয় ৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের। তবে আগস্টের এলসি খোলার পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১৬ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের আগস্টে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৬ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই শেষে ব্যাংকগুলোর নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে, গত বছরের একই সময় যা ছিল ৪ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারের।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোয় গত বছরের তুলনায় ডলার সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তাই এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ছে। এলসি খোলা কমলেও পণ্য আমদানির পরিমাণ কমেনি। পরিমাণ কমলে বাজারে পণ্যের সংকট দেখা দিত। মূলত আগে আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করা হতো না। ফলে আমদানির আড়ালে অনেক অর্থপাচার হতো। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক নজরদারি বাড়ানোর কারণে ওভার-ইনভয়েসিং কমে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে পণ্য আমদানির আড়ালে দেশ থেকে অর্থ পাচার বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমদানিতে বিধিনিষেধ ও তদারকি বাড়ানোয় গত অর্থবছরে অর্থ পাচার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর শেষে দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ১৭ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমাণও

    ৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। তবে বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপের কারণে লেনদেনের সামগ্রিক ঘাটতি (বিওপি) ৮ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    তবে ২০২১-২২ অর্থবছরে রেকর্ড ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়। এতে ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতির পাশাপাশি চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন

    ডলারে। দেশের ব্যালান্স অব পেমেন্টের ঘাটতিও ৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। এ অবস্থায় গত অর্থবছরের শুরু থেকে দেশের এলসির লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ের তুলানায় এলসি খোলা বাড়লেও নিষ্পত্তির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে এলসি নিষ্পত্তি হয় ৫ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারের। আগস্টে তা কমে হয় ৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারের। অর্থাৎ নিষ্পত্তি কমেছে ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। আর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ২৭ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের। গত বছরের আগস্টে এলসি নিষ্পত্তি হয় ৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের।

    ব্যাংকাররা জানান, গত অর্থবছরে আগের খোলা এলসির দায় পরিশোধের চাপ বেশি ছিল। তাই গত অর্থবছরে বেশি ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়। তবে সে চাপ এখন কিছুটা কমে এসেছে। তাই নিষ্পত্তির পরিমাণ কমছে।

    তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, এখনও তারা পর্যাপ্ত এলসি খুলতে পারছেন না। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ীদের এলসি খুললেও ছোটদের খোলা হচ্ছে না। এলসি খুলতে না পারার কারণে তাদের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার অবস্থা।

    তবে ব্যাংকগুলোর ডলার সরবরাহ ও এলসি খোলা বাড়লেও ডলার সংকট এখনও পুরোপুরি কাটেনি। বাজার ঠিক রাখতে এখনও রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ডলার ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডরার বিক্রি করা হয়। ফলে রিজার্ভ কমে গত ৩০ আগস্ট দাঁড়ায় ২৩ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে।

    বিদায়ী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ৬৯ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানির এলসি খোলা হয়। আগের অর্থবছরে (২০২১-২০২২) খোলা হয় ৯৪ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারের। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ৭০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলারের এলসি নিষ্পত্তি করা হয়। আগের অর্থবছরে (২০২১-২০২২) এর পরিমাণ ছিল ৮৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারের।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ব্যাংকগুলো এলসি খোলা বাড়িয়েছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ

    শেয়ারবাজারে বড় পতন থামাল মিউচুয়াল ফান্ড

    সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারবাজারে বড় পতন

    দেশে প্রথমবারের মতো ক্রস-বর্ডার নীতিমালা

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    রফতানি আয় সময়মতো না আনলে মিলবে না ইডিএফ সুবিধা

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

    এবার কমলো সোনার দাম

    উৎসে কর তদারকির ক্ষমতা স্থগিতের দাবি শীর্ষ ৮ চেম্বারের

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.