Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শুক্রবার, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি মে মাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে

    জুলাই ১৭, ২০২৫ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতে গ্রাহকের আস্থা কিছুটা ফিরে আসা এবং এক মাসে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহের পরও ২০২৪ সালের মে মাসে আমানতের প্রবৃদ্ধি ফের কমে ৮ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এ বছর এটি ছিল সর্বনিম্ন মাসিক প্রবৃদ্ধি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মে মাস শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮.৩২ লাখ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৭৩ শতাংশ বেশি। ২০২৩ সালের মে মাস শেষে এ পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ কোটি টাকা।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুন শেষে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.২৫ শতাংশ। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এ হার কমতে থাকে। গত বছরের আগস্টে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছিল ৭.০২ শতাংশে, যা ছিল আগের ১৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

    চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও এপ্রিল থেকে আবার নিম্নমুখী ধারায় ফিরে আসে। এর ধারাবাহিকতায় মে মাসে গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

    বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণত মূল্যস্ফীতি কমলে আমানতের প্রবৃদ্ধি বাড়ার কথা। কিন্তু বর্তমানে বিনিয়োগ না থাকায় নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না, ফলে মানুষের আয় বাড়ছে না। আয় না বাড়লে আমানত বৃদ্ধিও সম্ভব নয়।

    ২০২৪ সালের মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৫ শতাংশ, যা এপ্রিলের ৯.১৭ শতাংশের চেয়ে কম। জুনে এটি আরও কমে দাঁড়ায় ৮.৪৮ শতাংশে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২৭ মাস পর প্রথমবারের মতো মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নেমেছে।

    মে মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৯৫ শতাংশ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ৯.৮ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট ও অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন,
    “মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনো দেশের মজুরি বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। ফলে রেমিট্যান্স ও রফতানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও আমানত বাড়ছে না। দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম কমে যাওয়ায় কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে আমানতের প্রবৃদ্ধিতে। এছাড়া, জুনের প্রথম সপ্তাহে ঈদ হওয়ায় অনেকেই তখন আমানত ভেঙেছেন, যার প্রভাবও পড়েছে মে মাসের চিত্রে।”

    একাধিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকের অনিয়ম, ঋণ কেলেঙ্কারি ও অর্থ ফেরতের অনিশ্চয়তায় গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তত ১৩টি ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন, নামসর্বস্ব ঋণ বন্ধে পদক্ষেপ এবং লিকুইডিটি সাপোর্ট দেওয়াসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে দুর্বল ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি খুব একটা উন্নত না হলেও আর অবনতি হয়নি।

    বর্তমানে অনেক ব্যাংক আমানতের জন্য ১৪ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে, তবে মানুষের হাতে জমানোর মতো বাড়তি টাকা না থাকায় গ্রোথ বাড়ছে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল শেষে মানুষের হাতে নগদ ছিল ২.৭৭ লাখ কোটি টাকা। মে মাস শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২.৯৪ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসে নগদ টাকার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ১৬,৪০০ কোটি টাকা।

    আগের বছরের মে মাসের তুলনায় এই বৃদ্ধি ৮.৫৪ শতাংশ। ২০২৩ সালের মে মাসে মানুষের হাতে নগদ ছিল ২.৭১ লাখ কোটি টাকা।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকের বাইরে নগদের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। এতে ব্যাংকে টাকা জমা কমে যায়, ফলে মানি ক্রিয়েশন বাধাগ্রস্ত হয়। আর ব্যাংকে নগদ ফেরত এলে তারল্য বাড়ে, যা বিনিয়োগ ও ঋণ সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

    সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “মে মাসে ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটার জন্য এবং কোরবানির পশু কেনার লেনদেন নগদে হওয়ায় মানুষের হাতে নগদ টাকার চাহিদা বেড়ে যায়।”

    একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, “মূল্যস্ফীতির হার কমলেও এখনো তা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। পণ্যমূল্য বাড়ার কারণে খরচ মেটাতে মানুষ নগদ টাকার ওপর নির্ভর করছে।”

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদের পরিমাণ ছিল ২.৪৬ লাখ কোটি টাকা। ইনফ্লেশনারি চাপে তা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে এবং ২০২৪ সালের মার্চ শেষে সর্বোচ্চ ২.৯৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছে যায়। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/১৭ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
    সুইস ব্যাংকে যে কারণে টাকা রাখছে বাংলাদেশিরা

    স্বপ্নবিলাসী বাজেট দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

    রিজার্ভ চুরি: যেকোন সময় গ্রেপ্তার ড. আতিউরসহ ১০ জন

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    আইডিআরএর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন মীর নাদিয়া নিভিন

    রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    ভরিতে ৯ হাজার টাকা কমল সোনার দাম

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    উজবেক শিবির ভেঙে দিল কলম্বিয়া

    মাঠে সমান লড়াই, বাণিজ্যে এগিয়ে ব্রাজিল

    রূপান্তর ও অবসায়নের পথ উন্মুক্ত
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে আইনি জট কাটল

    ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ডার রোনালদো

    রাশিয়া থেকে ইউরিয়া সার কিনবে সরকার

    দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল হচ্ছে আনোয়ারায়

    স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

    উত্তরা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান নিখোঁজ

    ভর্তুকির চাপে তেলের দাম কমছে না দেশে

    একনজরে লিওনেল মেসির যত রেকর্ড

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.