বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ১১ সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষের সভা কক্ষ-১ এ লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়ের জন্য একটি সভার আয়োজন করে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নব যোগদানকৃত চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলম। সভায় উপস্থিত ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সকল সদস্য, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক, উপ-পরিচালক, জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লাইফ বীমা কোম্পানিসমূহের চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।
এ সৌজন্য বিনিময় সভায় প্রথমেই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিবর্গের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন ও আহত ব্যক্তিবর্গের আসু সুস্থতা কামনা করা হয়। এরপর সকলকে স্বাগত জানিয়ে পরিচয় প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন) জনাব বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য খোকন।
পরিচয় পর্ব শেষে লাইফ বীমা কোম্পানীর পক্ষ হতে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বি এম ইউসুফ আলী, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুঃ লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জালালুল আজিম, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম , মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন আহমেদ।
বক্তাগণ শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বীমা সেক্টরের প্রতিবন্ধকতা, চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলো উত্তোরণের উপায় খুঁজে বের করার দিকে গুরত্ব দেয়া, বীমা সেক্টরের ইমেজ-আস্থা ফেরানো, দক্ষ জনবল তৈরিতে নজর দেওয়া, এজেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা, বীমা কোম্পানির সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বীমা সেক্টরে পূর্বে যা অর্জিত হয়েছে, তা আরো বেগবান ও ফলপ্রসূ হবে কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে। সে সঙ্গে বীমা কোম্পানিগুলো তাদের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে বীমা সেক্টরের উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সমাপনী বক্তব্য রাখেন। যাদের প্রাণের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে, তাদের স্মরণ করে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে তিনি তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। প্রথমেই তিনি দেশের ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে বীমা সেক্টরের ইতিবাচক সংস্কারে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব-কর্তব্যের কথা তুলে ধরেন।
দেশের বীমা সেক্টরে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা, সমস্যাগুলো সমাধান করে, অস্বচ্ছতা-অনীহাকে দূর করে বীমার পেনিট্রেশন .৪৯ থেকে ৪.০০ তে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইউনিট প্রোফিটকে বিবেচনা না করে টোটাল প্রোফিটের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি মনে করেন। সেক্ষেত্রে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় তা সম্ভব এবং বীমা সেক্টরের উন্নয়নে নিজের শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করবেন বলে নিশ্চয়তা দেন।
তিনি আশা করেন বাংলাদেশের এ ক্রান্তিকালীণ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব । জাতীয় স্বার্থে এ পরিবর্তনের প্রতিফলন বীমা খাতেও দেখতে চান তিনি। বীমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতেও মত বিনিময় চালিয়ে যাবেন, যাতে সকলের অংশগ্রহণে কাঙ্খিত সফলতা অর্জন করা যায় । সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে লাইফ বীমা কোম্পানির পক্ষ হতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের যোগদানকৃত চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। খবর বিজ্ঞপ্তির ●
অকা/বীখা/সখবি/রাত/১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

