Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে আস্থা পাচ্ছেন না

    অক্টোবর ২৮, ২০২৪ ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণUpdated:অক্টোবর ২৮, ২০২৪ ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে আস্থা পাচ্ছেন না সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। উল্টো অনেকে লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দিয়েও বাজার ছাড়ছেন। এ অবস্থায় বাজারে চলছে টানা পতন।

    বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘বাজার এখন অনেক নিচে নেমে গেছে। তাতে অনেক শেয়ার বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় চলে এসেছে। আমরা আশা করছি, এখন প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন। সেটি হলে বাজার দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে।’

    দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা যে বাজার ছেড়ে যাচ্ছেন, তার প্রমাণ মেলে বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের তথ্যে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৪ কার্যদিবসে সাড়ে ৬ হাজার বিনিয়োগকারী তাদের বিও হিসাবে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। তাতে এসব বিও হিসাব এখন শেয়ারশূন্য বিও হিসাবে পরিণত হয়েছে।

    শেয়ার বাজারে লেনদেন করতে হলে যেকোনো ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকে বিও হিসাব খুলে শেয়ার কেনাবেচা করতে হয়। তাই বিও হিসাবের সংখ্যা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বোঝা যায়। সিডিবিএলের হিসাবে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ার শূন্য বিও হিসাব ছিল ৩ লাখ ১৮ হাজার ৪১৪টি। অর্থাৎ ২২ অক্টোবর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯২০টিতে। অর্থাৎ ১ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১৪ কার্যদিবসে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি বিও হিসাব থেকে সব শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    বাজারে এখন শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যাও কমে গেছে। সিডিবিএলের হিসাবে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ার আছে, এমন বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৯০ হাজার ৩৫৫। দিন শেষে এ সংখ্যা কমে হয়েছে ১২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০৬।

    কেন শেয়ার বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা, এ নিয়ে গত কয়েক দিনে কথা হয় শেয়ার বাজারের লেনদেনের মধ্যস্থতাকারী কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে। তাঁরা জানান, বাজারে এ মুহূর্তে অর্থের চেয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটই বেশি। এ কারণে বিও হিসাবে টাকা থাকার পরও অনেকে শেয়ার কিনছেন না। আবার অনেকে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু টাকা তুলে নিচ্ছেন না। শেয়ার বিক্রির পরও বিনিয়োগকারীদের টাকা বিও হিসাবে অলস পড়ে থাকছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে, এই বিনিয়োগকারীরা বাজারে বিনিয়োগ করা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভুগছেন।

    আস্থাহীনতার কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী  বলেন, পুনর্গঠিত বিএসইসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত যত ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সবই সংস্কারকে কেন্দ্র করে। এসব পদক্ষেপের সুফল হয়তো পাওয়া যাবে দীর্ঘ মেয়াদে। কিন্তু বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদি কোনো পদক্ষেপই দৃশ্যমান নয়। ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থায় চিড় ধরেছে।

    বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একদিকে বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ নিষ্ক্রিয়। অন্যদিকে নতুন বিনিয়োগকারীও খুব বেশি আসছেন না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও খুব বেশি সক্রিয় নেই। শেয়ার বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের একটি বড় অংশই ব্যাংকের বিনিয়োগ। এ ছাড়া রয়েছে বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব বিনিয়োগ। প্রাতিষ্ঠানিক এসব বিনিয়োগকারীর মধ্যে ব্যাংকের কাছ থেকে বর্তমানে শেয়ার বাজারে নতুন বিনিয়োগ আসছে না। বাজারে যেসব মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগ নিষ্ক্রিয়। আইসিবির বিনিয়োগের মতো আর্থিক সক্ষমতা নেই। এর বাইরে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগও সীমিত হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে বাজারে বিক্রেতা বেশি। ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি হওয়ায় দরপতন চলছে।

    বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বাজারে নানা ধরনের অনিয়ম চলে আসছে। তাই বাজারে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু রাতারাতি ও এককভাবে কারও পক্ষে বাজার থেকে সব অনিয়ম দূর করা কঠিন কাজ। এই কঠিন কাজই করতে হবে বাজারসংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে আস্থায় নিয়ে, ধীরে ধীরে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বাজারসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্দেশ্য খারাপ না হলেও তারা নিজেদের পুরোপুরি বাজারবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। এ কারণে হয়তো কিছুটা আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’ ●
    অকা/পুঁবা/ই/ সকাল, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.