২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাটা সুর আয় হয়েছে ৩৫৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় ছিল ২৮০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাটা সুর নিট মুনাফা বেড়েছে ২ দশমিক শূন্য ১ গুণ।
২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বাটা সুর শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ টাকা ৪২ পয়সা। ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪৭ টাকা ১৫ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বাটা সুর পর্ষদ। এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩৪০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। সে হিসাবে সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে মোট ৪৪৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন বিনিয়োগকারীরা। সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বাটা সুর ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা ২২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাটা সুর ইপিএস হয়েছে ২৯ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩৭ টাকা ৯৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৬৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাটা সুর পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৯ টাকা ৯৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ টাকা ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫২ টাকা ১৬ পয়সায়।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাটা সুর অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৩০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
বাটা সুর সর্বশেষ এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। কোম্পানিটির সমাপ্ত ২০২২ থেকে ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীতি আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। খবর বিজ্ঞপ্তির ●
অকা/পবা/সখবি/ফর/বিকাল/১৬ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 10 months আগে

