Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    মে ১৮, ২০২৬ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংককে ঘিরে সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া আমানতকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হয়ে নতুন কাঠামোয় যাওয়ার পর অনেক গ্রাহক তাদের সঞ্চিত অর্থের নিরাপত্তা, সহজে টাকা উত্তোলনের সুযোগ এবং ভবিষ্যতে আমানত ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন। এর ফলে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও স্থিতিশীল আয়ের বিকল্প বিনিয়োগ খুঁজছেন অনেকে।

    ব্যাংক খাতের এই অনিশ্চয়তার প্রভাবে গ্রাহকদের আস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এখন প্রচলিত সঞ্চয়ী হিসাব বা এফডিআরের বাইরে নতুন নিরাপদ মাধ্যম খুঁজছেন, যেখানে মূলধন সুরক্ষিত থাকবে, মুনাফা গ্রহণযোগ্য হবে এবং প্রয়োজনে সহজে অর্থ উত্তোলন করা যাবে।

    এমন পরিস্থিতিতে সরকারি ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এগুলো মূলত সরকারের জারি করা ঋণপত্র, যেখানে বিনিয়োগকারীর অর্থের দায় রাষ্ট্র বহন করে। ফলে ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম বলে বিবেচিত হয়। ট্রেজারি বিল সাধারণত ৯১ দিন, ১৮২ দিন বা ৩৬৪ দিনের স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ সুবিধা দেয়। অন্যদিকে ট্রেজারি বন্ড দীর্ঘমেয়াদি, যার মেয়াদ দুই বছর থেকে শুরু করে ২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এসব বন্ডে সাধারণত ছয় মাস অন্তর মুনাফা প্রদান করা হয়, যা নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে।

    বর্তমানে সরকারি এসব সিকিউরিটিজে মুনাফার হারও বেশ আকর্ষণীয় পর্যায়ে রয়েছে। স্বল্পমেয়াদি ট্রেজারি বিলে প্রায় ১০ থেকে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি বন্ডে প্রায় ১১ শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে। ফলে অনেক বিনিয়োগকারী এটিকে ব্যাংকের এফডিআর বা সঞ্চয়পত্রের কার্যকর বিকল্প হিসেবে দেখছেন।

    ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করতে হলে সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। বিশেষ করে প্রাইমারি ডিলার (পিডি) ব্যাংকগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো নিলামে অংশ নিয়ে পরে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য এসব বিনিয়োগ সুবিধা উন্মুক্ত করে। সাধারণত এক লাখ টাকা থেকে বিনিয়োগ শুরু করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সেকেন্ডারি মার্কেটে বিক্রির সুযোগ থাকায় তারল্য সংকটও কম থাকে।

    অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরেই সঞ্চয়পত্র নিরাপদ বিনিয়োগের জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এতে প্রায় ১১ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। সরকারি গ্যারান্টি থাকায় অনেকেই এটিকে মূলধন সুরক্ষার নির্ভরযোগ্য উপায় হিসেবে বিবেচনা করেন। নিয়মিত মুনাফা, তুলনামূলক সহজ বিনিয়োগ প্রক্রিয়া এবং কর-সুবিধার কারণেও সঞ্চয়পত্রের চাহিদা এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু উচ্চ মুনাফা নয়—ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা, তারল্য পরিস্থিতি ও সুশাসনও এখন বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ও সুপরিচালিত ব্যাংকে অর্থ রাখলে ঝুঁকি কম থাকে এবং প্রয়োজনের সময় লেনদেনও সহজ হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থ বিশেষজ্ঞরা বিনিয়োগ বৈচিত্র্যের ওপর জোর দিচ্ছেন। তাদের পরামর্শ হলো—সব অর্থ এক খাতে না রেখে কিছু টাকা সঞ্চয়ী হিসাবে, কিছু এফডিআর বা মেয়াদি আমানতে এবং বড় অংশ সরকারি বন্ড বা সঞ্চয়পত্রের মতো নিরাপদ মাধ্যমে বিনিয়োগ করা উচিত। এতে ঝুঁকি কমার পাশাপাশি তারল্য ও আয়—দুই দিকেই ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক খাতের বিদ্যমান অস্থিরতার মধ্যে আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্তের বদলে তথ্যনির্ভর ও সতর্ক বিনিয়োগ কৌশল গ্রহণ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ট্রেজারি বিল, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিকল্প হিসেবে সামনে এসেছে। পাশাপাশি ব্যাংক বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা জরুরি হয়ে পড়েছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    মোদির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আন্দোলন, দিল্লিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.