Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২০ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    মে ২০, ২০২৬ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত পরিশোধিত ন্যূনতম কর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবিষ্যতের মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা সম্ভব না হলে তা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের একটি বড় উদ্বেগ দূর করতেই এমন পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় বাজেটে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি আগামী তিন বছরের মধ্যে অতিরিক্ত পরিশোধিত ন্যূনতম কর ভবিষ্যৎ করযোগ্য আয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই অর্থ ফেরতের জন্য আবেদন করতে পারবে।

    এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমান ব্যবস্থায় ন্যূনতম কর ফেরতের সুযোগ না থাকায় তা আন্তর্জাতিক করনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে প্রকৃত মুনাফা না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র টার্নওভারের ভিত্তিতে কর আদায় অনেক ক্ষেত্রে করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।

    প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় রিফান্ড পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় ও ‘ফেসলেস’ পদ্ধতিতে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ, করদাতাকে সরাসরি কর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে না; যাচাই শেষে অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে। তবে এই সুবিধা কার্যকর করার আগে কর পরিপালন ও তথ্য সমন্বয় ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর, যাতে অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে।

    ব্যবসায়ী ও কর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে টার্নওভারভিত্তিক কর ব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হবে। বর্তমানে কোম্পানিগুলো লাভে থাকুক বা লোকসানে—মোট প্রাপ্তি বা টার্নওভারের ওপর ভিত্তি করে ন্যূনতম কর পরিশোধে বাধ্য। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কর্পোরেট কর হার কমানো হলেও এই ন্যূনতম করের কারণে প্রকৃত করের বোঝা কমছে না; বরং অনেক ক্ষেত্রে তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

    এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি হলেও নিয়মিত কর রিটার্ন জমা দেয় মাত্র ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন খাতে টার্নওভারের ওপর ন্যূনতম করের হার ১ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া আরও ৩০টির বেশি উৎসে কর কর্তনের বিধান কার্যত ন্যূনতম কর হিসেবে বিবেচিত হয়, যার কিছু ক্ষেত্রে হার ২০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে।

    গত অর্থবছরে সরকার অতিরিক্ত ন্যূনতম কর ভবিষ্যৎ কর দায়ের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য ‘ক্যারি ফরোয়ার্ড’ সুবিধা চালু করেছিল। তবে দীর্ঘ সময় লোকসানে থাকা বা কম মুনাফায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই সুবিধা খুব বেশি কার্যকর হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ব্যবস্থায় প্রকৃত আয় বা মুনাফার তুলনায় অনেক বেশি কর পরিশোধ করতে হচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠানকে। উদাহরণ হিসেবে, কোনো কোম্পানি যদি টার্নওভারের ভিত্তিতে ১ কোটি টাকা ন্যূনতম কর দেয়, অথচ মুনাফার ওপর হিসাব করা চূড়ান্ত কর দায় দাঁড়ায় ৭০ লাখ টাকা—তাহলে অতিরিক্ত ৩০ লাখ টাকা আর ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে কার্যত তাদের প্রকৃত করহার ঘোষিত কর্পোরেট কর হারের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

    লোকসানি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। কারণ আয় না থাকলেও তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ন্যূনতম কর দিতে হয়, যা নগদ প্রবাহ ও বিনিয়োগ সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    মোবাইল অপারেটর Robi Axiata জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে তারা প্রকৃত কর দায়ের তুলনায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি ন্যূনতম কর পরিশোধ করেছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটি এখন মুনাফায় ফেরায় কিছু কর সমন্বয়ের সুযোগ পাচ্ছে, তবে Banglalink এখনও লোকসানের মধ্যেও ন্যূনতম কর পরিশোধ করে যাচ্ছে।

    Foreign Investors' Chamber of Commerce and Industry (ফিকি) এবং Metropolitan Chamber of Commerce and Industry (এমসিসিআই)-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে এই নীতির সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে।

    রবি আজিয়াটার চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম বলেন, টার্নওভারভিত্তিক কর ব্যবস্থা এখনও ব্যবসা সম্প্রসারণের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা। তার মতে, কোনো কোম্পানি লাভে আছে নাকি লোকসানে—তা বিবেচনায় না এনে শুধুমাত্র রাজস্বের ওপর কর আরোপ একটি সুষম কর কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    অন্যদিকে বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ২০১৫ অর্থবছর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কোম্পানিটি প্রায় ৯৩৯ কোটি টাকা ন্যূনতম কর পরিশোধ করেছে, যদিও প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে চাপের মধ্যে ছিল। তার মতে, এই কর ব্যবস্থার কারণে কোম্পানির নগদ প্রবাহ ও বিনিয়োগ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    আয়কর নীতি বিভাগের সাবেক সদস্য সৈয়দ মো. আমিনুল করিম বলেন, অতীতে অনেক প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিক লোকসান দেখিয়ে কর ফাঁকি দিত বলেই ন্যূনতম কর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে এটি অনেক সৎ ও নিয়ম মেনে চলা প্রতিষ্ঠানকেও চাপের মধ্যে ফেলেছে।

    তিনি মনে করেন, আয় বা মুনাফা ছাড়া শুধুমাত্র ব্যবসার আকারের ওপর কর আরোপ কর ব্যবস্থার মৌলিক দর্শনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই রিফান্ড ব্যবস্থা চালু হলে তা কর কাঠামোয় ভারসাম্য ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।

    চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি প্রতিষ্ঠান Chowdhury Emdad and Company-এর ম্যানেজিং পার্টনার এস কে জামি চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত রিফান্ড ব্যবস্থা কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা বাড়াবে। তবে এটি কার্যকর করার আগে কর ফাঁকি ও অপব্যবহারের পথ বন্ধে শক্তিশালী নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, যদি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর রিফান্ড ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা যায়, তবে তা শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক চাপ কমাবে না, বরং বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    ঈদের আগে চাঙ্গা প্রবাসী আয়

    অনিরাপদ অভিবাসনের কারণ ও প্রতিকার

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    কোরবানির আগে কমেছে মসলার দাম

    গভর্নরের কাছে ডিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ডিএপি কারখানা চালু হচ্ছে আজ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.